মঙ্গলবার, মে ১৮, ২০২১

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

দেবহাটা পাইলট হাইস্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষককে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানী!

দেবহাটা সরকারি বি.বি.এম.পি. ইনস্টিটিউশনের (পাইলট হাইস্কুল) সহকারী প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলামকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানী এবং একের পর এক সম্মানহানীর ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে স্কুলের শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ এলাকার সাধারণ মানুষ।

অনুসন্ধানে জানা যায়, মো. শফিকুল ইসলাম ২০০৮ সালে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ হতে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন। গত ১৫/০৪/২০১২ তারিখে তার উত্তোলিত প্রভিশনাল সনদে প্রস্তুতকারক ও নিরীক্ষকের স্বাক্ষর থাকলেও ভুলবশত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের স্বাক্ষর না থাকায় ২০১৩ সালে তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটির কতিপয় সদস্যের আবেদনের প্রেক্ষিতে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আ.ন.ম তরিকুল ইসলাম সনদ পত্রটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচাই না করে ই-সনদপত্র সম্পর্কে এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ বিধি না জেনে নিয়োগ বিষয়ে মন্তব্য করেন।

পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে বিষয়টি জেনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এ বিষয়ে তদন্তের জন্য গত ১১ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসারকে তদন্তের নির্দেশ দেন। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তৎকালীন সভাপতি নজরুল ইসলাম ও প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল সনদ যাচাইয়ের জন্য গত ২৯ আগষ্ট ২০১৩ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর পত্র দিলে (স্বারক নং- দেমস্কু/দেব/সাত/২০১৩/১-৮) গত ০৩ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ সনদ যাচাই পূর্বক শফিকুল ইসলামের উক্ত সনদ পত্রটি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত, সঠিক এবং ভ‚লবশত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের স্বাক্ষর ছাড়া চলে যাওয়ার কথা স্বীকার করে। সনদটি শিক্ষার্থীর আবেদনের প্রেক্ষিতে বাতিল করে নতুন সনদ ইস্যু হয়েছে মর্মে বিদ্যালয় কতৃপক্ষকে পত্র প্রেরণ করেন। স্মারক নং- এইউবি/পরীক্ষা/২০১৩ (৩ ডিসেম্বর) তারিখ সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসার গত ১৬ জানুয়ারী ২০১৪ তারিখে প্রধান শিক্ষককে পত্র দিয়ে (স্মারক নং- জেশিঅসাত/১৫৮৮ তারিখ- ১৬ জানুয়ারী ২০১৪ইং) গত ২১ জানুয়ারী ২০১৪ তারিখে সরজমিনে উপস্থিত হয়ে আবেদনকারীদের সম্মুখে তদন্তকার্য সম্পন্ন করেন। প্রধান শিক্ষক কতৃক উপস্থাপিত কাগজপত্র ও সনদ পত্র যাচাই পর্যালোচনা করে সনদপত্রকে যথাযথ ও সঠিক এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া সঠিক বলে এক প্রতিবেদনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে অবহিত করেন। যার স্মারক নং- জেশিঅসাত/১৬৭২ (০৫ ফেব্রæয়ারী ২০১৪ইংরেজি) তারিখে তদন্তকালে প্রধান শিক্ষকের উপস্থাপিত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখের একটি ম্যানেজিং কমিটির রেজুলেশনে শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ মনগড়া, উদ্দেশ্য প্রনোনিত, বানোয়াট, সম্মানহানির অপচেষ্টা ও অসৎ ব্যক্তিদ্বারা প্রভাবিত মর্মে সিদ্ধান্তটি পর্যালোচনা করা হয়। তৎকালীন সভাপতি নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় সহকারী প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলামকে তদন্তকালে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দেওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে দোষারোপ করা হয়। এরপর গত ১৫ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে ইস্যুকৃত এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক বাতিলকৃত সনদ পত্রটিকে পুনঃরায় যাচাইয়ের জন্য মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্টার বরাবর পত্র (স্মারক নং- ৪জি-২০২৬-ম/২০১০/সাত/দেব/বিবি/৩০৬১ তারিখ- ১৫/০৪/২০১৪ইং) দিলে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ পুনরায় সনদ যাচাই শেষে স্বাক্ষর বিহীন সনদটি তাদের ইস্যুকৃত, সঠিক এবং সনদ সম্পর্কে সন্দেহের কোন আবকাশ নেই মর্মে মাউশিকে জানায়। স্মারক নং- এইউবি/পরীক্ষা/২০১৪/৪৩ তারিখ- ২২/০৪/২০১৪ইং। দীর্ঘ সময়পর ব্যক্তিগত ও সম্পত্তির বিরোধকে পুঁজিকরে সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের মদদপুষ্ট দেবহাটার মৃত আহাদ আলী গাজী ছেলে নওয়াব আলী গাজী এবং জুব্বার মোড়লের ছেলে মোহাম্মাদ আলীকে বাদি করে শফিকুল মাস্টারের মাস্টার্স সনদকে জাল প্রমানের জন্য যথাক্রমে সাতক্ষীরা সহকারি জজ আদালত (মামলা নং ২৪/২০) ও সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আমলী ৭নং আদালতে ৬৭/২০ নং মামলা দায়ের করে। বিজ্ঞ সহকারি জজ আদালত কাগজপত্র পর্যালোচনায় মামলাটি খারিজ করে এবং আমলী আদালত সাতক্ষীরা পিবিআইকে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। সাতক্ষীরা পিবিআই কর্তৃক পুনরায় বিশ্ববিদ্যালয়ে সনদ যাচাই শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাচাইপত্র (স্মারক নং- এইউবি/পরীক্ষা/২০২০ /৩১৬ তারিখ- ৬ অক্টেবর ২০২০) সহ সনদ পত্রটিকে সঠিক ও সত্য মর্মে বিজ্ঞ আদালতে গত ৮ নভেম্বর ২০২০ইং তারিখে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। স্মারক নং- পিবিআই/সাতক্ষীরা/২০২০ /৪০২।

এ ব্যাপারে শফিকুল ইসলাম জানান, বিগত দিনে প্রাক্তন সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদ করায় আমাকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করা হচ্ছে। বর্তমানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের তদন্ত চলছে। বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র এবং বর্তমান সহকারি প্রধান শিক্ষক হিসেবে মিথ্যা মামলার ভয়ে ভীত না হয়ে বিদ্যালয়ের উন্নতিকল্পে প্রতিবাদ করে যাবেন বলে জানান। ইতোমধ্যে প্রাক্তন সভাপতি নজরুল ইসলাম ও প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পালের নানা অনিয়মের প্রতিবাদে গত ১ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখ বিক্ষোভ ও মানব বন্ধন শেষে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে প্রতিকার চেয়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন অভিভাবক শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। এতে প্রাক্তন সভাপতি নজরুল ইসলাম উক্ত শিক্ষকের নামে আরও একটি মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করে। যার নং-৭২/২০। যা পিবিআই কর্তৃক তদন্ত শেষে উক্ত শিক্ষককে নির্দোষ জানিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কুলিয়ায় টানা চার ঘন্টা বসিয়ে রেখে ৩০ টাকার সদস্যদের ৬০ টাকার ত্রাণ

বিশিষ্টজনদের অতিথি বানিয়ে এবং গ্রামের সহজ সরল মহিলাদের বোকা বানিয়ে তাদের নিকটবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মলীগের কমিটি ঘোষণা

বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মলীগ এর সাতক্ষীরা জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ১২ মেবিস্তারিত পড়ুন

দেবহাটায় আম বাগানে নারীর মরদেহ উদ্ধার

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার সুশীলগাথী এলাকা থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।বিস্তারিত পড়ুন

  • নলতায় অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও নগদ অর্থ প্রদান
  • দেবহাটায় বোরো মৌসুমের ধান ক্রয়ের উদ্বোধন
  • দেবহাটায় জলবায়ু পরিবর্তন, ইনজুরি প্রতিরোধে কর্মশালা
  • চেয়ারম্যান প্রার্থী সাহেবআলী পোস্টারের না ছাপিয়ে টাকা দিলেন এতিমখানায়
  • সাতক্ষীরায় একসময়ের অপরিহার্য ‘হারিকেন’ এখন চোখেই পড়ে না
  • দেবহাটা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃদ্ধের আত্মহত্যা!
  • সাতক্ষীরায় ঘের থেকে যুবক ও হাসপাতাল থেকে বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
  • দেবহাটায় জমিজমা বিরোধে প্রতিপক্ষের মারপিটে এক ব্যক্তি নিহত
  • মহান মে দিবস
  • করোনায় সাতক্ষীরা মেডিকেলে দেবহাটার এক মহিলার মৃত্যু
  • সাতক্ষীরায় হিজড়া গুরু মা’র বাড়িতে হামলার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন
  • সাতক্ষীরায় যখন যে আম গাছ থেকে ভাঙ্গা/পাড়া যাবে
  • error: Content is protected !!