মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

মৃত্যুদণ্ড বাদ না দেওয়ায় প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য দেয়নি জাতিসংঘ: ট্রাইব্যুনালকে প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে মৃত্যুদণ্ডের বিধান বহাল থাকায় জাতিসংঘ তাদের ‘ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং’ প্রতিবেদনে ব্যবহৃত প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য সরবরাহ করেনি বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ একটি মামলার শুনানিতে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

ট্রাইব্যুনাল–২–এ আজ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে করা মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন প্রসিকিউশন। সে সময় প্রসিকিউটর মোনাওয়ার হুসাইন এ তথ্য দেন।

যুক্তিতর্কের একপর্যায়ে প্রসিকিউটর মোনাওয়ার বলেন, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই থেকে ১৭ জুলাই আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের নির্দেশে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা করেন সশস্ত্র ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরা। বিষয়টি জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের ‘ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং’ প্রতিবেদনে সব সাক্ষীর রেফারেন্স (তথ্যসূত্র) দেওয়া আছে। জাতিসংঘ বলেছে, সব প্রত্যক্ষদর্শীর তথ্য জাতিসংঘ দেবে, যদি আইন থেকে মৃত্যুদণ্ড তুলে দেওয়া হয়। সে কারণে তারা (প্রসিকিউশন) জাতিসংঘের প্রত্যক্ষদর্শী পাননি। তবে প্রত্যক্ষদর্শী তারা (প্রসিকিউশন) হাজির করছেন।

গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সংঘটিত ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর (ওএইচসিএইচআর) একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই ‘ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং’ প্রতিবেদনে ওই সময়ের নৃশংসতা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য তৎকালীন শাসক দল আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের দায়ী করা হয়।

ওই প্রতিবেদন তৈরির জন্য জাতিসংঘের ‘ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং’ দল ঢাকা ছাড়াও চট্টগ্রাম, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বগুড়া, সিলেট ও গাজীপুর—এই আট শহরে অনুসন্ধান চালায়। প্রতিবেদন তৈরিতে অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঘটনাপ্রবাহের সাক্ষী ব্যক্তিদের নিয়ে ২৩০টির বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। এ ছাড়া সরকার, নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের আরও ৩৬টি সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়, যারা ওই সময়ের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে অবগত ছিলেন।

ট্রাইব্যুনালের আইন থেকে শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড বাদ না দেওয়ায় ওই সব প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের তথ্য জাতিসংঘ দেয়নি বলে জানান প্রসিকিউটর মোনাওয়ার হুসাইন। যেকোনো অপরাধের শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড বাতিল করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।

শুনানি হওয়া মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়া অপর আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ। এ মামলার সব আসামিই পলাতক।

একই রকম সংবাদ সমূহ

নতুন পে স্কেলে বেতনের সঙ্গে মিলবে বকেয়া, বাড়ছে না ভাতা

সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের কাজ এরই মধ্যে শেষবিস্তারিত পড়ুন

সব বিভাগে ৮টি ক্যান্সার হাসপাতালের কাজ চলছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আগামী অর্থবছরের মধ্যেই দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য খাতের চেহারা আমূল বদলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিবিস্তারিত পড়ুন

৭ নভেম্বর বিএনপির কর্মসূচিতে থাকছে যেসব আয়োজন

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আগামী ৭ নভেম্বর সারাদেশে র‍্যালি করবেবিস্তারিত পড়ুন

  • দুই বছরে স্বাস্থ্য খাতকে নতুন রূপ দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
  • সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি
  • রাজপথে কোথাও হকার বসতে দেওয়া হবে না: ঢাকা দক্ষিণ প্রশাসক
  • মিষ্টির সংরক্ষিত আসনে নতুন প্রার্থী মনোনয়ন বিএনপির
  • শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতকে কয়েক দফা আবেদন জানানো হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট বা পলাতক অপরাধীকে কোন অপতৎপরতা চালানোর সুযোগ দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • শুধু বেঞ্চ বাড়িয়ে মামলাজট কমানো সম্ভব নয়: অ্যাটর্নি জেনারেল
  • মেট্রোরেল স্টেশনগুলোতে আধুনিক নিরাপত্তা সরঞ্জাম স্থাপনের সিদ্ধান্ত
  • এবারের পূজায় কেউ নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেনি : পূজা উদযাপন ফ্রন্ট
  • তিন দিন বন্ধ থাকার পর সচল বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট
  • স্পেন ও যুক্তরাজ্য সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ
  • নতুন নম্বরপ্লেট ভুল নিয়মে বানালে হতে পারে শাস্তি