শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

শেরপুরে স্ত্রী-সন্তানকে হত্যা করতে নিজ বাড়িতে আগুন

বগুড়ার শেরপুরে স্ত্রী-ছেলেকে হত্যার উদ্দেশ্যে বাড়ির দরজা বন্ধ করে আগুন দেয়ার অভিযোগ উঠেছে নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শনিবার (৩ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে শেরপুর পৌরশহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের খন্দকারপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ওই এলাকার মৃত দুদু মিয়ার ছেলে নজরুল ইসলাম বিগত চার থেকে পাঁচ বছর আগে বরিশালে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে প্রথম স্ত্রী শাহানাজ পারভীনকে কোনো খরচ না দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার পাঁয়তারা চালাতে থাকেন। সেইসঙ্গে নানা হুমকি-ধামকি অব্যাহত রাখেন। এ নিয়ে পারিবারিক কলহ চরম আকার ধারণ করে।

এরই জের ধরে শনিবার সকাল ৯টার দিকে প্রথমে স্ত্রী শাহনাজ পারভীন, ছেলে আবু নোমান ও ছেলের বউ মুক্তা আক্তারকে মারপিট করতে থাকেন তিনি। একইসঙ্গে বাড়ি-ঘরে ভাঙচুর চালান। এ সময় তারা জীবন রক্ষার্থে ৯৯৯- এ ফোন দেন। এরপর শেরপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধারসহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে চলে যায়।

কিন্তু এতে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন নজরুল ইসলাম। দুপুর ১২টার দিকে নজরুল ইসলাম বাড়ির দরজা বন্ধ করে স্ত্রী, ছেলে ও পুত্রবধুকে হত্যার উদ্দেশ্যে আগুন ধরিয়ে দেন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় এলাকাবাসী ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

নজরুল ইসলামের ছেলে আবু নোমান অভিযোগ করে বলেন, আমাদেরকে হত্যার উদ্দেশ্যে বাড়ির দরজা বন্ধ করে দিয়ে বাবা আগুন ধরিয়ে চলে যায়। পরে তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে উদ্ধার করেছে।

স্ত্রী শাহানাজ পারভীন বলেন, দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকে আমাদেরকে বিভিন্নভাবে জীবননাশের হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিল স্বামী নজরুল ইসলাম। সেইসঙ্গে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার জন্যও নানামুখি চেষ্টা চালায়। কিন্তু স্বামীর বসতভিটা ছেড়ে না যাওয়ার কারণেই আমাদেরকে হত্যার উদ্দেশ্যে বাড়ির দরজা বন্ধ করে আগুন দেওয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে জানতে অভিযুক্ত নজরুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন তিনি। তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা ৯৯৯ থেকে একটি ফোন পেয়ে জানতে পারি খন্দকারপাড়ায় একটি বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হচ্ছে। পরে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। পরবর্তীতে সেখানে আবার বাড়ির দরজা বন্ধ করে আগুন দেওয়া হয়েছে বলে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

পর্যটকশূন্য সাজেক থমথমে, চলছে না যানবাহন

পাহাড়ের বুকজুড়ে মেঘের আনাগোনা, সবুজ পাহাড়ের সারি আর দিগন্তবিস্তৃত প্রাকৃতিক সৌন্দর্য—এসব দেখতেবিস্তারিত পড়ুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব জনগোষ্ঠীকে নিয়ে রাজনীতি করতে চায় বিএনপি: মীর শাহে আলম

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, ধর্ম-বর্ণবিস্তারিত পড়ুন

ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্থানীয় সরকার, পল্লীবিস্তারিত পড়ুন

  • প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে একাধিক সমঝোতা স্মারক সইয়ের আশা
  • বট ও গুপ্ত শুধু জামায়াত-আ.লীগের মধ্যে নয়, আমাদের মধ্যেও আছে: মীর শাহে আলম
  • নতুন পে-স্কেলে শিক্ষকদের বেতন প্রাপ্তির সম্ভাব্য সময় জানাল অর্থ মন্ত্রণালয়
  • এবার পার্বত্য দুই জেলায় সড়ক ও নৌপথ অবরোধের ঘোষণা
  • নিরাপদে খাগড়াছড়ি পৌঁছেছেন সাজেকে আটকেপড়া পর্যটকরা
  • সাজেকে আটকা পড়া পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নিল সেনাবাহিনী
  • দুই ঘণ্টা গোলাগুলির পর নিয়ন্ত্রণে সাজেক, আহত ৬: পুলিশ সুপার
  • আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে: স্পিকার
  • সাড়ে ছয় বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৭,৯৬৩ শিশুর
  • ধর্ম যার যার, পরিচয় আমরা সবাই বাংলাদেশি : প্রধানমন্ত্রী
  • মানিকগঞ্জে ১২ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন খাদ্যমন্ত্রী
  • চট্টগ্রামের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর