বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

দলের প্রয়োজনে ভূমিকা রাখবেন খালেদা জিয়া

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক আপসহীন নাম বেগম খালেদা জিয়া। ১৯৮৪ সাল থেকে তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যাওয়ার পর রাজনীতি থেকে অনেকটা দূরে সরে গিয়েছিলেন তিনি। এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। রাজনীতিতে তার অনুপস্থিতিতে তারই বড় ছেলে তারেক রহমান দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেয়ে দল পরিচালনা করতে থাকেন। এখন পর্যন্ত তারেক রহমানই সেই দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মামলা থেকে খালাস পেয়ে চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। লন্ডনে উন্নত চিকিৎসা শেষে চার মাস পর ৬ মে মঙ্গলবার দেশে ফিরেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন। লিভার সিরোসিস, কিডনি, হৃদরোগসহ নানা জটিলতায় আক্রান্ত সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী শারীরিকভাবে মোটামুটি স্থিতিশীল হওয়ায় দেশে ফিরেছেন। তিনি আগামীতে রাজনীতিতে সক্রিয় হবেন কি না, সেটা নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি রাজনৈতিক অঙ্গনেও একধরনের কৌতূহল রয়েছে।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, দেশে ফিরলেও খালেদা জিয়া দলীয় রাজনীতিতে সরাসরি সক্রিয় হবেন না। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানই আগের মতো দল পরিচালনা করবেন। বয়স ও স্বাস্থ্যগত কারণে রাজপথে না থাকলেও দলের প্রয়োজনে ভূমিকা রাখবেন চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

দলটির অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, বিএনপির অনেক নেতাই ধারণা করছিলেন, চেয়ারপারসন দেশে ফিরে তার গুলশানের অফিসে নিয়মিত বসবেন। তবে সেই সম্ভাবনা একেবারে নাকচ করে দিয়েছেন স্বয়ং তারেক রহমান। সম্প্রতি লন্ডন সফরে যাওয়া জামায়াত নেতাদের সামনে তারেক রহমানের এমন ইচ্ছা প্রকাশ পায় বলে জামায়াতের একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়। তবে বিএনপির নেতারা বলছেন, খালেদা জিয়া বর্তমানে দলের চেয়ারপারসন। সুতরাং তিনি দেশে থাকা মানেই রাজনীতিতে থাকা। তিনি এখন বিএনপির রাজনীতির অভিভাবক।

বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল নেতা জানান, শারীরিকভাবে সুস্থ থাকলে আগামী দিনে প্রয়োজনে দলীয় গুরুত্বপূর্ণ কিছু কর্মসূচিতে খালেদা জিয়ার উপস্থিতি দেখা যেতে পারে। সরাসরি না হলেও সেখানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হতে পারেন। দলটির নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, রাজনীতিতে খালেদা জিয়া আবার সক্রিয় হবেন। দেশে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে তিনি তার ভূমিকা রাখবেন। রাজপথে থেকে না হলেও নিকট অতীতের মতো আগামীতেও দলকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ বা নির্দেশনা দেবেন।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আবদুস সালাম আজাদ বলেন, আমরা আশা করতে পারি, আল্লাহ যদি নেত্রীর স্বাস্থ্য ভালো রাখেন, তিনি গণতন্ত্র ও রাজনীতিতে আবারও নেতৃত্ব দেবেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন, বিদেশে চিকিৎসা শেষে খালেদা জিয়ার আগমনে দেশের গণতন্ত্রে উত্তরণের পথ আরও সুগম হবে। তারা বলছেন, নির্বাচন ছাড়া তো গণতন্ত্র হয় না। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একধরনের শঙ্কা, জটিলতা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে খালেদা জিয়ার উপস্থিতি সংকট উত্তরণে সহায়ক হবে। কারণ, তিনি একজন মোটামুটি সর্বজনগ্রহণযোগ্য ও শ্রদ্ধেয় নেত্রী এবং গণতন্ত্রের জন্য তার দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম রয়েছে। সুতরাং তার আগমনের ফলে জাতীয় নির্বাচনের দাবিটা আরও জোরালো হবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

লাল টেলিফোনে সংরক্ষিত শেখ হাসিনার ফোনালাপ শুনলেন প্রধানমন্ত্রী

উদ্বোধনের পর জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর ঘুরে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরিদর্শনেরবিস্তারিত পড়ুন

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া সাবেক যুগ্ম সচিব গ্রেফতার

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা একটি মামলার (জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট)বিস্তারিত পড়ুন

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির সামনেই হট্টগোল

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে একটি ডকুমেন্টারি (প্রামাণ্যচিত্র) প্রদর্শনকে কেন্দ্রবিস্তারিত পড়ুন

  • গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক জনগণ: প্রধানমন্ত্রী
  • হাসিনাকে অডিও বার্তার সুযোগ দেওয়া ভারতের ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড’: রিজভী
  • পথ হারালে এই জাদুঘরে এসে পথ খুঁজে নেবো: ড. ইউনূস
  • দেশের বারোটা বাজবে আর আমরা আঙুল চুষব, এটা হবে না: জামায়াত আমির
  • জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের জীবন্ত দলিল : সংস্কৃতিমন্ত্রী
  • মঞ্চে ড. ইউনূসের জন্য রাখা হয়নি আসন, পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ব্যবস্থা
  • ‘মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া দল কেন ক্ষমতাচ্যুত হলো, তার উত্তর আওয়ামী লীগকেই খুঁজতে হবে’
  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের প্রাক্কালে বুলেটে থেমে যায় ক্রিকেটার রিয়ানের স্বপ্ন
  • জুলাই আন্দোলন ছিল জনগণের আন্দোলন: প্রধানমন্ত্রী
  • জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব জনগণের, এখন দেশ পুনর্গঠনের সময়: প্রধানমন্ত্রী
  • ভারত-বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে ‘চমৎকার সম্পর্ক’ আরও এগিয়ে নিতে হবে : দীনেশ ত্রিবেদী