মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৪

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

অভিশ্রুতিই বৃষ্টি, পরিবারকে দেহ হস্তান্তর

অভিশ্রুতি শাস্ত্রী না বৃষ্টি খাতুন, বেইলি রোডের আগুনে নিহত নারী সাংবাদিকের ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিতর্কের সমাপ্তি ঘটেছে।

অভিশ্রুতি শাস্ত্রী নামে পরিচিত বৃষ্টি খাতুনের প্রকৃত পরিচয় জানতে ডিএন-এর নমুনা পরীক্ষা করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক বিভাগ। ঘটনার ১১ দিন পর নিহতের বাবার দাবির সত্যতা মেলায় বৃষ্টির মরদেহ পরিবারকে দেয়া হয়েছে।

সোমবার দুপুরে ওই নারী সাংবাদিকদের মরদেহ হস্তান্তর করা হয় বলে জানিয়েছেন সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর। বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ডিএনএ পরীক্ষার মধ্য দিয়ে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

মরদেহ নিয়ে কুষ্টিয়ার খোকসায় নিজ গ্রামের বাড়িতে বৃষ্টি খাতুনকে দাফন করা হবে বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

গত ২৯ ফেব্রুয়ারি পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়। সেই আগুনে নিহত ওই নারী সাংবাদিক ফেইসবুক ও কর্মস্থলে নিজেকে পরিচয় দিতেন অভিশ্রুতি শাস্ত্রী নামে।

তার মৃত্যুর পর বাবা, ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা এসে দাবি করেছেন, আগুনে নিহত সাংবাদিকের নাম বৃষ্টি খাতুন। তার বাড়ি কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায়।

ঘটনার পর অভিশ্রুতির পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করা হয়েছে বলে তখন জানান রমনা কালীমন্দিরের সভাপতি উৎপল সাহা।

তিনি বলেন, অভিশ্রুতি শাস্ত্রীর পরিচয় নিশ্চিত করতে রমনা থানা ওসি ও ঢাকা জেলা প্রশাসক বরাবর রমনা মন্দির থেকে আবেদন করা হয়েছে।

এই অবস্থার মধ্যে ডিএনএ নমুনা পরীক্ষা করে নিহতের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হতে উদ্যোগ নেয় পুলিশ। গত ১১ দিন বৃষ্টির মরদেহ থাকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের মর্গে।

অবশেষে সেই পরীক্ষায় জানা যায়, অভিশ্রুতি মূলত কুষ্টিয়ার সবুজ শেখ দম্পতির সন্তান বৃষ্টি খাতুন।

অভিশ্রুতি না বৃষ্টি, পরিচয় নিশ্চিতের পর দেহ হস্তান্তরঅভিশ্রুতি না বৃষ্টি, পরিচয় নিশ্চিতের পর দেহ হস্তান্তর বৃষ্টি কাজ করতেন দা রিপোর্ট ডট লাইভ-এ। তার সিভি ও জন্ম সনদেও লেখা অভিশ্রুতি শাস্ত্রী। গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়েই মরদেহ নিতে খোকসা থেকে ছুটে আসেন তার বাবা সাবরুল আলম সবুজ। তিনি বলেন, জন্ম নিবন্ধনসহ সর্বত্র তার নাম বৃষ্টি।

ওই নারী সাংবাদিকের জন্ম নিবন্ধন সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, চাকরির জন্মবৃত্তান্তে বাবা-মায়ের নামে বিভিন্ন রকম তথ্য পাওয়া যায়। স্থায়ী ঠিকানা সব জায়গায় একই।

আর এতেই বৃষ্টির মৃত্যুর পর প্রকৃত পরিচয় নিয়ে তৈরি হয় জটিলতা। তাই তার মরদেহ হস্তান্তর না করে ডিএনএ নমুনা পরীক্ষা করে সিআইডি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাতক্ষীরা জেলা কৃষকলীগের প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন

বাংলাদেশ কৃষকলীগের সাতক্ষীরা জেলা কমিটির প্রচার ও প্রকাশা সম্পাদক এম শহিদুল ইসলামবিস্তারিত পড়ুন

আশাশুনির আনুলিয়ায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচে খুলনা জেলা ১-০ গোলে জয়ী

জি এম আল ফারুক, আশাশুনি: আশাশুনির আনুলিয়ায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।বিস্তারিত পড়ুন

আশাশুনির টেংরাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হাফিজুল আর নেই

জি এম আল ফারুক, আশাশুনি: আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের টেংরাখালী আদর্শ মাধ্যমিকবিস্তারিত পড়ুন

  • নড়াইলের সুলতান মঞ্চ চত্বরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে সুলতান মেলার উদ্বোধন
  • দেবহাটায় ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে ৪ বার গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ
  • কলারোয়ার জয়নগর মদন মোহন মন্দিরে পহেলা বৈশাখ উদযাপন
  • পদত্যাগ করলেন আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিম
  • দীর্ঘ ৫ দিন ছুটি শেষে যশোরের বেনাপোল বন্দরে কর্মব্যস্ততা
  • ঢাবিতে সুযোগ পেয়েও ভর্তি অনিশ্চিত তালার নয়মি সরকার
  • মনিরামপুরে ঈদের দিন পানিতে ডুবে ও সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত-২
  • ৫৪ জেলায় তাপদাহ, তিন বিভাগে বৃষ্টির আভাস
  • কলারোয়া সরকারি কলেজের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠিত
  • কলারোয়া বেত্রবতী হাইস্কুলে নববর্ষ উদযাপন
  • সাতক্ষীরা ডিবি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে নানা আয়োজনে বর্ষবরণ
  • দেবহাটায় নানা আয়োজন বাংলা নববর্ষ পালন
  • error: Content is protected !!