মঙ্গলবার, আগস্ট ৯, ২০২২

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কক্সবাজার থেকে সাতক্ষীরা পর্যন্ত হবে সুপার ড্রাইভওয়ে

দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বেড়িবাঁধ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। এ কারণে ঝুঁকিতে আছে উপকূলীয় ২৫ জেলার প্রায় পাঁচ কোটি মানুষ। সেই ঝুঁকি মোকাবেলায় নতুন মেগা প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার। বাঁধ টেকসই করতে নকশায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আর বাঁধ নির্মাণের পর রক্ষণাবেক্ষণের জন্যও নেওয়া হবে নতুন পরিকল্পনা। এজন্য কক্সবাজার থেকে সাতক্ষীরা পর্যন্ত সুপার ড্রাইভওয়ে নির্মাণ করা হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় ১৭ হাজার কিলোমিটার বাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলের পাঁচ হাজার ৭৫৭ কিলোমিটার বাঁধের পুরোটাই ঝুঁকিপূর্ণ। ২০০৯ সালে ঘূর্ণিঝড় আইলার পর গত ডিসেম্বরে উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’। এরপর ২০ মে আঘাত হানে আম্ফান। এসব দুর্যোগ খুলনার কয়রা-পাইকগাছা ও দাকোপ, সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনি এবং বাগেরহাটের মোংলাসহ অন্যান্য উপজেলা লণ্ডভণ্ড করে দেয়।
প্রায় ১৫০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় বিস্তীর্ণ এলাকা। উপকূলের মানুষ শুরু থেকেই বলে আসছে, তাদের ত্রাণের প্রয়োজন নেই; দরকার টেকসই বাঁধ।

মেগা প্রকল্প সম্পর্কে পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে উপকূলীয় এলাকায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণে আট হাজার কোটি টাকার চারটি প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে খুলনার ১৪ নম্বর পোল্ডারে ৯৫৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা, ৩১ নম্বর পোল্ডারে এক হাজার ২০১ কোটি ১২ লাখ টাকা, সাতক্ষীরার ৫ নম্বর পোল্ডারে তিন হাজার ৬৭৪ কোটি তিন লাখ এবং ১৫ নম্বর পোল্ডারে ৯৯৭ কোটি ৭৮ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে এসব প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। শেষ হবে দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে।’

উপমন্ত্রী জানান, ওই চারটি প্রকল্পের বাইরে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণে আরো কয়েকটি প্রকল্প প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে। এ ছাড়া বাঁধ সুরক্ষায় কক্সবাজার থেকে সাতক্ষীরা পর্যন্ত সুপার ড্রাইভওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। শুধু বেড়িবাঁধ নয়, পুরো উপকূলের উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে হাওর উন্নয়ন বোর্ডের মতো উপকূলীয় উন্নয়ন বোর্ড গঠনের বিষয়টি বিবেচনাধীন।

সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের নির্বাহী সদস্য পলাশ আহসান বলেন, বাঁধ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জরুরি তহবিল গঠন এবং বাঁধ ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় সরকারকে সম্পৃক্ত করতে হবে। ওয়াপদা বাঁধের ১০০ মিটারের মধ্যে চিংড়ি বা কাঁকড়ার ঘের তৈরিতে সরকারের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা দ্রুত কার্যকর করতে হবে। নিয়মিত ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে উপকূলের নদ-নদীর পানির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে হবে।
সৌজন্যে: কালের কণ্ঠ

একই রকম সংবাদ সমূহ

এনআইডি-মোবাইল নম্বর ছাড়া যাত্রী নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ: র‌্যাব

টাঙ্গাইলে চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী রতনসহ ডাকাত চক্রেরবিস্তারিত পড়ুন

নারীদের অতিরিক্ত চাওয়া-পাওয়া ও বিলাসিতা ছেড়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহবান প্রধানমন্ত্রীর

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জীবনাদর্শ অনুসরণ করে নারীদের অতিরিক্ত চাওয়া-পাওয়া ওবিস্তারিত পড়ুন

আমরা রাজপথের পুরাতন খেলোয়াড়: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিএনপিকে উদ্দেশ করে বলেছেন, আমরা রাজপথেরবিস্তারিত পড়ুন

  • বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম কমলে সমন্বয় করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী
  • ঢাকা থেকে বিভিন্ন রুটে ভাড়ার তালিকা প্রকাশ
  • মন্ত্রী পদমর্যাদা পাচ্ছেন ঢাকার দুই মেয়র
  • প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
  • ভোটাধিকারের দাবিতে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে আহ্বান সিপিবির
  • হঠাৎ সব ধরনের জ্বালানি তেলের মুল্য বৃদ্ধি
  • শেখ কামাল ক্রীড়া পুরস্কার প্রদান ৯ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও ২ প্রতিষ্ঠানকে
  • বিএনপির হত্যার রাজনীতি প্রতিহত করতে আওয়ামী লীগ প্রস্তুত: কাদের
  • ইউক্রেনের আরও তিন জাহাজ খাদ্যশস্য নিয়ে রওনা দিচ্ছে
  • শেখ কামালের সমাধিতে শ্রদ্ধা আওয়ামী লীগের
  • বাংলাদেশ প্রাণবন্ত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র: স্পিকার
  • ইউরিয়া সারের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি