বুধবার, জুন ২৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

আশুরার রোজা এক বছরের গুনাহ মাফের সুযোগ

আশুরা হলো মহররম মাসের ১০ তারিখ, যা ইসলামী বর্ষপঞ্জির প্রথম মাসের একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এই দিনে বহু ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এই দিনেই মহান আল্লাহ নবী মুসা (আ.) ও বনি ইসরাইল জাতিকে ফেরাউনের জুলুম থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন। একই দিনে, নবী নূহ (আ.)-এর নৌকা জুদি পাহাড়ে স্থির হয়েছিল। এসব ঘটনার কারণে ইসলামী শরীয়তে আশুরার দিনটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও গুরুত্ববহ হিসেবে বিবেচিত।

আশুরার রোযার ফজিলত

মহানবী (সা.) বলেন, ‘আমি আল্লাহর নিকট আশা রাখি যে, আশুরার রোযা বিগত এক বছরের গুনাহ মোচন করবে।’ (মুসলিম, হাদিস: ১১৬২)

এটি মহান আল্লাহর বিরাট করুণা যে, মাত্র এক দিনের রোজায় তিনি বান্দার এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেন।

রাসূলুল্লাহ (সা.) আশুরার রোজা রাখার কারণ

ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘নবী (সা.) মদীনায় আগমনের পর দেখলেন, ইহুদিরা আশুরার দিন রোজা রাখে। তিনি তাদের জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমরা এ দিন কেন রোজা রাখ?’ তারা বলল, ‘এই দিনটি একটি মহান দিন, যেদিন আল্লাহ তায়ালা মূসা (আ.) ও তার কওমকে মুক্তি দিয়েছিলেন এবং ফেরাউন ও তার বাহিনীকে ধ্বংস করেছিলেন। কৃতজ্ঞতা স্বরূপ মূসা (আ.) এই দিন রোজা রাখতেন।’ তখন নবী (সা.) বললেন, ‘আমরা মূসার অনুসরণের জন্য তোমাদের চেয়ে বেশি হকদার।
’এরপর তিনি নিজে রোজা রাখলেন এবং সাহাবীদেরও রোযা রাখার নির্দেশ দিলেন।’ (বুখারি, হাদিস: ১৮৬৫)

আশুরার রোজা রাখার সঠিক নিয়ম

হাদিসের ভাষ্য মতে রাসূল (সা.) শুধুমাত্র ১০ মহররমে রোজা রাখতেন না, বরং তিনি বলেন: “এই দিনে ইহুদিরাও রোজা রাখে, তাই তোমরা ইহুদিদের সঙ্গে মিল না রেখে ৯ তারিখও রোজা রাখো।” (মুসলিম, হাদিস: ১১৩৪)

তাই সুন্নত হলো ৯ ও ১০ মহররম দুদিন রোজা রাখা। আর যদি কোনো কারণে কেউ ৯ তারিখ রোজা রাখতে সক্ষম না হন; তাহলে ১০ ও ১১ মহররম এ দুদিনও রোযা রাখতে পারবেন। তবে মনে রাখতে হবে যে, শুধুমাত্র ১০ তারিখ রোজা রাখাও জায়েজ, কিন্তু এটি উত্তম পন্থা নয়।

ইমাম নববি (রহ.) বলেন, আশুরার রোজা ছোট গুনাহগুলো মাফ করে দেয়। বড় গুনাহগুলো ক্ষমার জন্য অবশ্যই তওবা করতে হয়।

শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়াহ (রহ.) বলেন: নামাজ, অজু, রমযানের রোজা, আরাফার রোজা এবং আশুরার রোজা শুধু ছোট গুনাহই মাফ করে।

(আল-ফাতাওয়াল কুবরা: ৫/৩৮২)

আশুরার রোজা রাখা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এটি বিগত বছরের ছোট গুনাহগুলো মাফ করে। আশুরার মাহাত্ম্য হলো, এ দিন আল্লাহ তায়ালা হযরত মূসা (আ.) ও তাঁর কওমকে মুক্তি দিয়েছিলেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে বাঙালি মুসলমানদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠাচ্ছে ভারত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম সীমান্ত দিয়ে বাঙালি মুসলিম জনগোষ্ঠীকে কোনো ধরনের আইনিবিস্তারিত পড়ুন

ইসলামে ধর্ষণের শাস্তি, চার সাক্ষীর ধারণা ভুল : ডা. জাকির নায়েকের ভাষ্য

বাংলাদেশে বর্তমানে ধর্ষণের ঘটনা একটি দুরারোগ্য সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। ইসলামী শরিয়াবিস্তারিত পড়ুন

মা-বাবাকে ভুলিয়ে দেওয়া ‘সফলতা’ প্রয়োজন নেই : আহমাদুল্লাহ

ছেলে বুয়েট শিক্ষক ও যুগ্মসচিব, নিজ ঘরে বৃদ্ধা মায়ের মরদেহে পচন ধরলেওবিস্তারিত পড়ুন

  • ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর মক্কা-মিনা
  • পবিত্র হজ শুরু, মিনায় যাচ্ছেন হজযাত্রীরা
  • পশ্চিমবঙ্গে কোরবানির সিদ্ধান্তে জটিলতা, খামারিদের ঘরে ঘরে কান্নার রোল
  • বাংলাদেশে ঈদুল আজহা ২৮ মে বৃহস্পতিবার
  • ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি কী কোরবানি দিতে পারবেন?
  • হজে গিয়ে আরও দুই বাংলাদেশির মৃত্যু, মোট মৃতের সংখ্যা ১৪
  • জানা গেল ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ
  • হজ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবে ৪ বাংলাদেশির মৃ-ত্যু
  • ভিজিট ভিসায় হজ পালন নিয়ে মক্কায় কঠোর নিয়ম ও জরিমানা-নিষেধাজ্ঞা
  • অনুমতি ছাড়া হজের চেষ্টায় গুনতে হবে যে জরিমানা
  • হজযাত্রীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা উপহার
  • হজ পালনে সৌদি সরকারের নতুন নির্দেশনা