শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কয়েকশ কোটি টাকা প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িতদের একাউন্টে

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে গ্রেফতারদের ব্যাংক একাউন্টে পাওয়া গেছে কয়েকশ কোটি টাকার লেনদেন, বাড়ি, গাড়ি ও জমির সন্ধান। কয়েকজনের বিরুদ্ধে পাওয়া গেছে মানিলন্ডারিং এর অভিযোগ। সম্প্রতি সিআইডির অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এসব তথ্য। শুধু ব্যক্তি নয়, সংস্থা বা কোনো প্রতিষ্ঠান জড়িত থাকলে সেটিকেও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে সিআইডি।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও ব্যাংকের নিয়োগসহ বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ২০১৭ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে হওয়া সাতটি মামলার তদন্তভার এখন সিআইডির হাতে। যার মধ্যে দু’টি মামলার চার্জশিট দাখিল হলেও বাকিগুলোর তদন্ত চলছে। এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে ৮৩ জনকে। গ্রেফতারদের মধ্যে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ৭০ জন ।

সিআইডির তদন্তে বেরিয়ে আসে, প্রশ্নফাঁসকারীরা তিনটি দলে ভাগ হয়ে কাজ করে। একটি দল পরীক্ষার্থীদের টার্গেট করে মক্কেল বানায়। একটি দল প্রশ্নপত্র সমাধান করে। আরেকটি দল কেন্দ্র ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকে। রাজধানীর তেজগাঁও, মিরপুর এবং যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকার অনেক কেন্দ্রে তারা সক্রিয় ছিল।

সিআইডির প্রধান ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান বলেন, একটা গ্রুপ কেন্দ্র থেকে চেষ্টা করে প্রশ্নগুলো কীভাবে বের করে নিয়ে আসা যায়। আরেকটা গ্রুপ বাইরে বসে সলভ করে। এদের মধ্যে কেউ অংক, কেউ ইংলিশ, কেউ জেনারেল নলেজগুলো সমাধান করে। পরে আরেকটা গ্রুপ সমাধান নিয়ে কেন্দ্রে দিয়ে যায়।

সম্প্রতি রাজশাহীর মোহনপুর থানা এলাকা থেকে মানিক কুমার প্রামাণিক, তার সহযোগী সাদিকুল ইসলাম ও রিপন কুমারকে গ্রেফতার করে সিআইডি।

রাজশাহীতে অগ্রণী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার মানিক প্রশ্নপত্র ফাঁস করে তিন কোটি ৫৫ লাখ টাকা নেয়। রাজশাহীর মোহরপুর ধামিন নওগাঁয় প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ডুপ্লেক্স বাড়ি রয়েছে তার।

সিআইডির প্রধান ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান বলেন, এদের মধ্যে যাদেরকে আটক করা হয়েছে, তাদের প্রত্যেকে আলিশান বাড়ি রয়েছে, বিলাসবহুল গাড়ি, ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা। এছাড়াও যদি কোচিং সেন্টারে জড়িত থাকলে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে ২০১৮ সালের ১৩ অক্টোবর শাহবাগ থানায় মামলায় ৬ জনকে আসামি করা হলেও আরো ১১ জনের সংশ্লিষ্টতা মেলে। ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে মামলায় ২ জনকে আসামি করা হলেও তদন্তে আরেকজনের নাম পাওয়া যায়। কওমি মাদ্রাসা বোর্ড মাস্টার্সের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে অজ্ঞাতদের আসামি করে ২০১৯ সালের ১২ মে মতিঝিল থানায় মামলা হয়। একজনকে গ্রেফতার করা হয়। এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে ২০১৮ সালে মতিঝিল থানায় মামলায় ১ জনকে আসামি করা হলেও তদন্তে আরও আটজনের নাম বেরিয়ে আসে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দ ব্যবহারের ব্যাখ্যা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

একটি অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষকে বোঝাতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দটিবিস্তারিত পড়ুন

অপতথ্য মোকাবিলায় সচেতনতার বিকল্প নেই : জাহেদ উর রহমান

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো অপতথ্য, ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা মোকাবিলায় গণমাধ্যম ওবিস্তারিত পড়ুন

সরকার অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ স্থানীয় নির্বাচন উপহার দেবে : মীর শাহে আলম

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, সরকার শান্তিপূর্ণ, অবাধ, সুষ্ঠু ওবিস্তারিত পড়ুন

  • বাংলাদেশ-চীন চিকিৎসা শিক্ষা অংশীদারিত্ব জোরদারে গুরুত্বারোপ
  • জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫৪৮ ছাত্রীকে বাইসাইকেল দিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
  • নতুন পে-স্কেলে শিক্ষকদের বেতন প্রাপ্তির সম্ভাব্য সময় জানাল অর্থ মন্ত্রণালয়
  • ৭ জানুয়ারি শুরু অমর একুশে বইমেলা
  • ডেঙ্গু পরিস্থিতি দেখতে হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী
  • ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • রাষ্ট্রের সংকট সমাধানে তরুণদের প্রশ্ন ও মতামত জরুরি: রিজভী
  • দেশে মাদক মহামারি আকার ধারণ করছে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
  • বেসরকারি শিক্ষকদের স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই: এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী
  • বেসরকারি শিক্ষকদের জাতীয়করণ আজ হোক বা কাল, হবেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
  • শিক্ষকদের চাকরি জাতীয়করণে মায়ের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবেই প্রধানমন্ত্রী: রিজভী
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবরার ফাহাদের পরিবারের সাক্ষাৎ