শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

তালায় ৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি, বিশুদ্ধ পানির সংকট চরমে

সেলিম হায়দার: যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার আলাদিপুর এলাকার উজান পানির প্রবাহে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে শিরাশুনি গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সংকট, বেড়েছে পানিবাহিত রোগ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি। কর্মহীন হয়ে পড়েছেন শত শত পরিবার।

শুক্রবার (১ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কেশবপুর এলাকার উজান পানি প্রবাহিত হয়ে তালার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের শিরাশুনি গ্রামে প্রবেশ করছে। গ্রামের অধিকাংশ ঘরবাড়ি জলমগ্ন। রাস্তাঘাট, কৃষি জমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সবই পানির নিচে। এতে নারী-পুরুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

শিরাশুনি গ্রামের গুলশানা আরা খাতুন বলেন, অতিবৃষ্টির সঙ্গে উজান পানি মিলিয়ে হঠাৎ করেই আমাদের গ্রাম প্লাবিত হয়ে গেছে। রান্নাবান্না, কৃষিকাজ, শিশুদের পড়াশোনা—সব কিছুতেই ভোগান্তি। একই গ্রামের মজিবার রহমান শেখ বলেন, গত তিন বছর ধরে এই পানি আমাদের স্বাভাবিক জীবন ধ্বংস করে দিয়েছে। সাংবাদিক, এনজিওরা আসেন, কথা বলেন, কিন্তু সমাধান কিছুই হয় না। কৃষিকাজ বন্ধ, কাজ নেই, ঘর থেকেও বের হতে পারি না। স্থানীয় নারী ময়না বেগম বলেন, আমাদের বাড়িতে কোমর সমান পানি। কেউ মারা গেলে কবরস্থানে নেওয়াও সম্ভব হবে না। বিশুদ্ধ পানির অভাবে অনেকেই চুলকানি ও অন্যান্য পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

তালা উপজেলা পানি কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর জিল্লুর রহমান জানান, গত বছর পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে জলাবদ্ধতা নিরসনের পরিকল্পনা হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। কেশবপুরের নরনিয়া খাল দিয়ে পানি না ছাড়ায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।

তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম এম আবুল কালাম আজাদ বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইতোমধ্যে এলাকা পরিদর্শন করেছেন। পানির গতি বাড়াতে বিভিন্ন খালের মুখে থাকা নেটপাটা ও প্রতিবন্ধকতা অপসারণ করা হয়েছে। তবে কেশবপুরের উজান পানি না সরালে আশপাশের আরও ১০টি গ্রাম স্থায়ী জলাবদ্ধতায় পড়বে।
তিনি আরও বলেন, নোয়াপাড়া খাল দিয়ে কিছুটা পানি সরানো গেলেও নরনিয়া খাল ও ভদ্রা নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি নিষ্কাশনে বড় বাধা সৃষ্টি হয়েছে। কেশবপুর ও মনিরামপুরের পানি ভদ্রায় না পড়ে আমাদের এলাকায় পড়ে জলাবদ্ধতার কারণ হচ্ছে। ভদ্রা নদী খনন করলেই স্থায়ী সমাধান সম্ভব।

তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপা রাণী সরকার বলেন, উপজেলার অন্যতম প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা। ইতোমধ্যে কয়েকটি খালের প্রতিবন্ধকতা অপসারণ করা হয়েছে। আমি নিজেও একাধিকবার এলাকা পরিদর্শন করেছি। আজ বিকেলেও শিরাশুনি এলাকায় গিয়ে বাস্তব পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেছি। দ্রুত পানি অপসারণে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। সকলকে সঙ্গে নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাংবাদিকদের নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট, তালা প্রেসক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ

সাংবাদিকদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেবিস্তারিত পড়ুন

তালায় ৩দিনে ৭০ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিব

সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় তিন দিনে ৭০টি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদেরবিস্তারিত পড়ুন

তালার ধানদিয়া ইউনিয়নে নির্বাচনী গণসংযোগে আসাদুজ্জামান আসাদ

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ১নং ধানদিয়া ইউনিয়নেবিস্তারিত পড়ুন

  • তালায় দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সদর ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী রেজা
  • তালায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শাড়ি ও নগদ অর্থ বিতরণ
  • তালার খলিলনগরে বিভিন্ন দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ জিল্লুর রহমান
  • তালায় মণ্ডপেমণ্ডপে দুর্গোৎসব, মন্দির কমিটির সাথে মতবিনিময়ে জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিব
  • তালায় বাল্যবিবাহের আয়োজন বন্ধ, নেওয়া হলো মুচলেকা
  • নবগঠিত সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলকে স্বাগত জানিয়ে কলারোয়া উপজেলা ছাত্রদল এর সভাপতি প্রার্থী মোঃ আবির হোসেন এর নেতৃত্বে শুভেচ্ছা মিছিল
  • তালায় উত্তরণের প্রকল্প অবহিতকরণ কর্মশালা
  • তালায় “দৈনিক রানার” পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
  • পাটকেলঘাটার ব্যবসায়ী কেশব সাধুর পিতার মৃত্যু, তালা প্রেসক্লাবের শোক
  • তালায় জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত
  • তালায় ‘সমতা ফোরাম’ সিএসও হাবের ত্রৈমাসিক সভা
  • তালার ধানদিয়া ইউনিয়নে ২লক্ষ টাকা মূল্যের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ