শনিবার, জানুয়ারি ২৩, ২০২১

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

নড়াইলে এতিম শিশুদের নিয়ে খেজুর রসের পিঠা উৎসব

এই শীতকে উপভোগ্য করতে নড়াইলে দেড় শতাধিক এতিম শিশুদের নিয়ে আয়োজন করা হলো আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেজুর রসের পিঠা উৎসব।

এই উৎসবকে ঘিরে মা বাবা হারা এসব এতিম শিশুদের যেন আনন্দের শেষ ছিলো না। নিজেদের হাতে তৈরি পিঠা ভাগাভাগি করে খেয়েছেন তারা। এ যেন এক অন্যরকম অনুভূতি। সম্প্রতি ব্যতিক্রমধর্মী এ আয়োজন করা হয়।

নড়াইল সদর উপজেলার সীমানন্দপুর গ্রামে ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘ আজিজুর রহমান বালিকা সমাজ সেবা এতিমখানা’।

এই এতিমখানায় দুই শতাধিক এতিম শিশুদের বসবাস। সরকারী অনুদানপ্রাপ্ত এতিম সদস্যের সংখ্যা ১৪০ জন। মা বাবা হারা এসব এতিম শিশুদের কষ্ট লাঘবে আয়োজন করা হয় খেজুর রসে ভেজানো পিঠা উৎসব। এই প্রতিষ্ঠানের মেয়েরা নিজেরাই চাউল দিয়ে গুড়া তৈরি করে, খেজুর রস জ¦ালিয়ে পিঠা তৈরি করেছে। সবাই মিলে এক লাইনে বসে তৃপ্তি সহকারে খেয়েছে। এ যেন ভালবাসার একটি বড় পরিবার।

এতিমখানার নিবাসী মদিনা খানম, মাহমুদা খানম, নাঈমা সুলতানা, রূপালী খানম, সুমাইয়া, শান্তা, সাদিয়া, মাসুরা, জাকিয়া, কুলসম, লাবনীসহ একাধিক নিবাসী বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন এলাকার বোনেরা সবাই একসাথে এতিম খানায় বাস করি। আমাদের কারও মা আবার কারও আব্বা নেই। বাড়িতের আর্থিক অবস্থাও ভাল না। আমাদেরকে এই শীতে খেজুর রসের পিঠা খাওয়ানোতে খুব খুশি হয়েছি। অন্যান্য সময়ে বিভিন্ন ফল খাওয়ানো হয়। কিছুদিন আগে আমাদের চিতই পিঠা খাওয়ানো হয়েছিলো। আমরা নিজেরা আতপ চাউল থেকে গুড়া তৈরি করেছি। খেজুর রস জ্বালিয়ে গাড়ো করে তার মধ্যে পিঠা ভিজিয়ে ভিজা পিঠা তৈরি করেছি। আমরা এক লাইনে বসে এক সাথে খেয়েছি। মাঝে মধ্যে অনেক স্যাররা এসে আমাদের মিষ্টি খাওয়ান। আবার ভাত-মাংস খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেন। আমরা সবাই মিলে-মিশে থাকার কারনে মা বাবার কষ্ট ভুলে থাকতে পারি। আমাদের এখানের স্যাররাও আমাদের খুব ভালবাসেন।’

এতিমখানার তত্ত্বাবধায়ক মো. আব্দুল কাদের বলেন, ‘নড়াইল সহ দেশের বিভিন্ন জেলার শিশুরা এই এতিম খানায় বসবাস করে। এখানে দুই শতাধিক মেয়ে রয়েছে। আমরা ১৪০জন এতিম শিশুর জন্য সরকারী অনুদান পেয়ে থাকি। এখানে বসবাসরত শিশুরা আমাদের সন্তান। এদের কারও মা নেই। আবার কারও বাবা নেই। অনেকের বাবা মা কেউ নেই। বাড়ির আর্থিক অবস্থাও ভাল না। তাই তাদের চাহিদা আমরা পূরণ করার চেষ্টা করি। ওরা যাতে কষ্ট না পায় সেজন্যই খেজুর রসের ভিজা পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। কয়েকদিন আগে আগে চিতই পিঠার উৎসব করা হয়। এতে আমার খুব ভাল লাগে। এছাড়া মৌসুম অনুযায়ী ফল খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হয়। এসব নিবাসীরা বয়স ভেদে প্রাথমিক বিদ্যালয়, স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজে অধ্যায়ন করে।’

এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা চন্ডিবরপুর ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান ভূইয়া বলেন, ‘বর্তমান দ্রব্যমুল্যের উর্দ্ধগতির কারনে খরচ বহন করা অনেকটা কঠিন হয়ে পড়েছে। বাকি সব এতিমদের ভরণ-পোষণ বিত্তবানদের সহযোগিতায় চলে। এতিম শিশুদের লালন-পালন ও জীবনমান উন্নয়নে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।’

একই রকম সংবাদ সমূহ

স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে হাসপাতালে রেখে পালিয়েছেন গৃহবধূ

পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর গোপনাঙ্গে ব্লেড চালিয়ে দিয়েছেন এক নারী।বিস্তারিত পড়ুন

পুরো ক্লাসরুমে বসবে সর্বোচ্চ ১৫ শিক্ষার্থী

সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুনরায় খুলতে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পরিচ্ছন্নতারবিস্তারিত পড়ুন

  • বাংলাদেশকে টিকা উপহার দিতে চায় চীনা কোম্পানি
  • হজম শক্তি বাড়ায় টমেটো
  • যেসকল গাছ ঘরে রাখলে দূরে থাকবে মশা
  • ১৪ কেজি গাঁজা মোটরসাইকেলে
  • হেলিকপ্টার রুবেলের স্মার্ট প্রতারণা, শতাধিক পরিবার কাঁদছে
  • ‘ইসলামের আলোকে করণীয়’ কাজে মন না বসলে
  • ফকিরহাটে কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে ইউএনওর মতবিনিময়
  • জিপ পড়ল খাদে, তিনজনের প্রাণ গেল
  • অস্ত্র হাতে গ্রামবাসীকে ধাওয়া, আটক যুবক
  • শ্বশুরের যাবজ্জীবন নীলফামারীতে ধর্ষণ মামলায়
  • ডিএমপিতে বদলি যশোরের পুলিশ সুপারকে
  • শিশুর প্রাণ নিল বেপরোয়া গতির স্কুটার
  • error: Content is protected !!