সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

মন্ত্রিসভায় প্রায় অর্ধেকই ব্যবসায়ী

নতুন মন্ত্রিসভার ৩৭ সদস্যের মধ্যে ১৬ জনই ব্যবসায়ী। তাদের মধ্যে সাতজন কৃষিকাজকে তাদের অন্যতম আয়ের উৎস হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

অন্য পাঁচজন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী আইনজীবী এবং দুইজন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী কৃষক।

আগের মন্ত্রিসভায় ৪৮ সদস্যের মধ্যে ২২ জন ব্যবসায়ী ছিলেন এবং ২০১৪ সালে গঠিত মন্ত্রিসভায় ৫৭ জনের মধ্যে ২১ জন ব্যবসায়ী ছিলেন।

আগের মন্ত্রিসভার তুলনায় নতুন মন্ত্রিসভায় সংখ্যা কিংবা হারে ব্যবসায়ী কমেছে। তবে তারা এখনো সংখ্যাগরিষ্ঠ।

আগের মন্ত্রিসভার ৪৮ সদস্যের ২২ জন, অর্থাৎ ৪৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ ছিলেন ব্যবসায়ী। আর ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর গঠিত মন্ত্রিসভায় ৫৭ জনের ২১ জন, অর্থাৎ ৩৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ ব্যবসায়ী ছিলেন।

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ করে এসব জানা গেছে।

সাতজন হলফনামায় নিজেদের পরিচয় দিয়েছেন রাজনীতিবিদ। কৃষিকাজকে পেশা হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনজন। এ ছাড়া দুজন শিক্ষক, একজন স্থপতি ও একজন চিকিৎসকও রয়েছেন নতুন মন্ত্রিসভায়।

নতুন মন্ত্রিসভার যেসব সদস্যরা তাদের পেশা হিসেবে ব্যবসাকে উল্লেখ করেছেন, তারা হলেন—স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রহমান, পরিকল্পনামন্ত্রী মো. আবদুস সালাম, প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী, রেলমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন রিমি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিবুর রহমান।

ব্যবসার পাশাপাশি কৃষিকাজের কথা উল্লেখ করেছেন কৃষিমন্ত্রী আবদুস শহীদ, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী উবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরী, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ও নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী কৃষিকাজকে তাদের একমাত্র পেশা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

আইন পেশার কথা উল্লেখ করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, সমাজকল্যাণমন্ত্রী দীপু মনি, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী এবং তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

মন্ত্রিসভার অন্তত তিনজন সদস্য সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা। সেখানে বেশ কয়েকজন চিকিৎসক, সাবেক আমলা, শিক্ষক ও একজন কূটনীতিক রয়েছেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

নভেম্বরের মাঝামাঝি ইউপি ভোটে শুরু স্থানীয় সরকার নির্বাচন

নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনাবিস্তারিত পড়ুন

এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরাও নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন, যদি…

ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্রথম ধাপের নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইনেরবিস্তারিত পড়ুন

২০২৮ সালের আগেই আরেকটি ভাসমান টার্মিনাল চালুর উদ্যোগ: মাহদী আমিন

শিল্প ও ব্যবসা খাতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ২০২৮ সাল শুরুরবিস্তারিত পড়ুন

  • বর্তমান সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করছে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
  • হামের টিকা পেয়েছে এক কোটি ৯৭ লাখের বেশি শিশু
  • শিল্প-কলকারখানায় ‘আগের মতো’ বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
  • বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা কার্যক্রম বাড়ানোর তাগিদ রাষ্ট্রপতি
  • ডিজিটাল হাজিরায় স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি মনিটরিং করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
  • দেশে ফিরেই ‘বড় দল’ আওয়ামী লীগকে লজ্জা শেখালেন বাঁধন
  • মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি : ‘সিন্ডিকেট বদলেছে, কিন্তু কাঠামো বদলায়নি’
  • ডোপ টেস্টে মিলল মাদক, সাময়িক বরখাস্ত এসপি নিজাম
  • ‘জিয়াউর রহমানকে সরাসরি গুলি করে হত্যা করেন কর্নেল মতিউর’
  • গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে হবে: রাষ্ট্রপতি
  • সবার জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে গুরুত্বারোপ ডা. জুবাইদা রহমানের
  • লিফট রেখে সিঁড়ি বেয়ে বৈঠকে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী