রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

তালায় প্রত্যন্ত অঞ্চল প্রবল বৃষ্টিতে প্লাবিত, খাদ্য ও পানীয় জলের ব্যাপক সংকট!

সেলিম হায়দার, তালা (সাতক্ষীরা): সাতক্ষীরার তালা উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল টানা চারদিনের প্রবল বৃষ্টিতে প্লাবিত হয়েছে। শত শত মৎস্য ঘের, ফসলী জমি ও বসতবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার মানুষ বাড়ি ঘর ছেড়ে গবাদি পশু নিয়ে রাস্তার উপর খোলা আকাশের নীচে আশ্রয় নিয়েছে। অনেকে গবাদি পশু নিয়ে নিকট আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।

সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, উপজেলার উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রাম তলিয়ে গেছে। এই সব গ্রামের মাছের ঘের, কৃষি ফসল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, খেলার মাঠ পানিতে তলিয়ে গেছে। গ্রামের মধ্যে পানি উঠায় সকল নলকুপ তলিয়ে যাওয়ায় পানীয় জলের ব্যাপক সংকট দেখা দিয়েছে। এসকল গ্রামের মানুষ গবাদিপশু নিয়ে উচুঁ রাস্তার উপর আশ্রয় নিয়েছে। রান্নার ব্যবন্থা না থাকায় প্রায় অভূক্ত অবস্থায় দিন পার করছেন তারা। এতে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে নারী ও শিশুরা। গত ২দিন ধরে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় এনজিওদের সহযোগীতায় এলাকাবাসি ও জনপ্রতিনধিরা সেচ্ছাশ্রমে এসব এলাকার পানি সরানোর কাজ করছেন।

সোমবার সকাল থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল্লাহ আল আমিন, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা ওবায়দুল হক উপজেলা নগরঘাটা, তালা সদর সহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে পানি সরানোর উদ্দ্যোগ গ্রহণ করেছেন। নিজে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন খাস খাল দখলমুক্ত করে পানি নামানোর ব্যবস্থা করছেন।

জালালপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম মফিদুল হক লিটু জানান, তার ইউনিয়নের সবকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এলাকার অধিকাংশ ঘের ও ফসলি জমি ভেসে গেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মসজিদ মন্দির এমনকি মানুষের বাড়িঘরে পানিতে তলিয়ে গেছে।

উপজেলা পানি কমিটির সাধারন সম্পাদক মীর জিল্লুর রহমান জানান, উপজেলার টিআরএম কার্যকর থাকলে এমন জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতো না। অপরিকল্পিত নদী খনন, সংযোগ খাল উন্মুক্ত না থাকা এই উপজেলায় জলাবদ্ধতার মূল কারণ। এখনই যদি পদক্ষেপ না নেয়া হয় তাহলে তালা সহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সকল উপজেলা পানির নীচে তলিয়ে যাবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা খাতুন জানান, উপজেলা ব্যাপী কৃষি ফসলের ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ করছি। এখনো চুড়ন্ত তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা স্নিগ্ধা খা বাবলি জানান, উপজেলায় ৫২০টি মাছের ঘের সম্পূর্ণরুপে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এতে ৮২৭.৪৫ মেঃটঃ মাছ ভেসে গেছে।

উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা ওবায়দুল হক জানান, এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি নিরুপনের জন্য সকল ইউপি ও সরকারী দপ্তরে তথ্য চাওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কাছে আশু সমাধানের জন্য আর্থিক চাহিদা দেয়া হয়েছে। পানি দ্রæত নামানোর জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে বিভিন্ন খাল পরিস্কার করছি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কুমিল্লায় হাসিনার দেশে ফেরার মিছিল, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৮ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

কুমিল্লা নগরে শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার বিষয়টি নিয়ে মিছিল করেছেন নিষিদ্ধবিস্তারিত পড়ুন

পর্যটকশূন্য সাজেক থমথমে, চলছে না যানবাহন

পাহাড়ের বুকজুড়ে মেঘের আনাগোনা, সবুজ পাহাড়ের সারি আর দিগন্তবিস্তৃত প্রাকৃতিক সৌন্দর্য—এসব দেখতেবিস্তারিত পড়ুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব জনগোষ্ঠীকে নিয়ে রাজনীতি করতে চায় বিএনপি: মীর শাহে আলম

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, ধর্ম-বর্ণবিস্তারিত পড়ুন

  • ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি
  • প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে একাধিক সমঝোতা স্মারক সইয়ের আশা
  • বট ও গুপ্ত শুধু জামায়াত-আ.লীগের মধ্যে নয়, আমাদের মধ্যেও আছে: মীর শাহে আলম
  • নতুন পে-স্কেলে শিক্ষকদের বেতন প্রাপ্তির সম্ভাব্য সময় জানাল অর্থ মন্ত্রণালয়
  • এবার পার্বত্য দুই জেলায় সড়ক ও নৌপথ অবরোধের ঘোষণা
  • নিরাপদে খাগড়াছড়ি পৌঁছেছেন সাজেকে আটকেপড়া পর্যটকরা
  • সাজেকে আটকা পড়া পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নিল সেনাবাহিনী
  • দুই ঘণ্টা গোলাগুলির পর নিয়ন্ত্রণে সাজেক, আহত ৬: পুলিশ সুপার
  • আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে: স্পিকার
  • সাড়ে ছয় বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৭,৯৬৩ শিশুর
  • ধর্ম যার যার, পরিচয় আমরা সবাই বাংলাদেশি : প্রধানমন্ত্রী
  • মানিকগঞ্জে ১২ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন খাদ্যমন্ত্রী