মেঘলা আকাশ, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি; শুক্রবারেও দেখা যেতে পারে
দেশের প্রতিটি বিভাগে আকাশ মেঘলা এবং এসব অঞ্চলের কোথাও কোথাও গুঁড়ি গুড়ি বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
এই অধিদফতর তাদের ওয়েবসাইটে বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ছয়টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার নিয়মিত পূর্বাভাসে এমন তথ্য দিয়েছে।
তাতে আরও বলা হয়েছে, ঢাকা শহরে তাপমাত্রার পরিমাণ সর্বোচ্চ ২০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ১৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে। ময়মনসিংহ সদরে সর্বোচ্চ ১৯.৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা হতে পারে। অন্যদিকে এই শহরের তাপমাত্রা সর্বনিম্ন কমতে পারে ১৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত।
তুলনামূলকভাবে বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম শহরে তাপমাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এখানে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে যথাক্রমে ২৯ ও ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত।
রাজশাহী শহরে সর্বোচ্চ ২০.৬ ও সর্বনিম্ন ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে তাপমাত্রার পরিমাণ। পাশের বিভাগ রংপুরের শহর এলাকায় রাজশাহী সদরের চেয়ে তাপমাত্রা বেশি হতে পারে; সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন যথাক্রমে ২২ ও ১৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে।
সর্বোচ্চ ২৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা হতে পারে খুলনা শহের। বিপরীতে তাপমাত্রা সর্বনিম্ন ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে এই শহরে।
বরিশাল সদরে সর্বোচ্চ ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং সর্বনিম্ন ১৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে। আর সিলেট শহরে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন যথাক্রমে ২১.৭ ও ১৩.৫ ডিগ্রি পর্যন্ত থাকতে পারে তাপমাত্রা।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে আকাশ মেঘলা। যা শুক্রবার পর্যন্ত থাকতে পারে। এরপর আকাশ পরিষ্কার হলেও তাপমাত্রা আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে যেতে পারে। আর ১২ ফেব্রুয়ারির পর আরেকটি শৈত্যপ্রবাহের শঙ্কা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই রাজধানীতে আকাশ মেঘলা ছিল। দুপুরের পর রাজধানীসহ দেশের অনেক জেলায় বৃষ্টি হয়েছে। কোথাও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আবার কোথাও হালকা থেকে মাঝারি। এদিন সূর্য দেখা না যাওয়ায় দিনের তাপমাত্রা কম ছিল। এর পাশাপাশি গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি বাড়িয়ে দিয়েছে শীতের তীব্রতা। এর আগে বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকায় শৈত্যপ্রবাহ কেটে গিয়েছিল।
কলারোয়া নিউজে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। (Unauthorized use of news, image, information, etc published by kalaroa News is punishable by copyright law. Appropriate legal steps will be taken by the management against any person or body that infringes those laws.)