শনিবার, আগস্ট ৮, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

শেরপুরে মসজিদের দানের টাকা নয়ছয়, এলাকায় উত্তেজনা

শেরপুর সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের দানের ২৩ লক্ষ টাকার মধ্যে ১০ লক্ষ টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছে ছাইফুল ইসলাম মিন্টু নামে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। মসজিদের দানের টাকা নয়ছয়ের কারণে এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। কোন সুরাহা না এ মাসের প্রথম দিকে চারটি মসজিদ কমিটি ময়মনসিংহ বিভাগীয় পুলিশের ডিআইজি কাছে আবেদন করেছেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে শেরপুর সদর থানার ওসি (তদন্ত) তদন্ত করছেন।

অভিযোগকারীদের মধ্যে একজন ওই অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর সহোদর ভাইও রয়েছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছে সজিবের দেয়া ২৩ লক্ষ টাকার মধ্যে ১৩ লক্ষ টাকা খরচ করে বাকি ১০ লক্ষ টাকা আত্মসাত করেছেন ওই ব্যবসায়ী।
জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর আগে ওই এলাকার খন্দকার পাড়া, মধ্য আলিনা পাড়া, বড়বাড়ি ও পূর্ব আলিনা পাড়া জামে মসজিদের উন্নয়নের জন্য ওই গ্রামের ঢাকার জনৈক ব্যবসায়ী সজিব হোসেন স্থানীয় লোকজন নিয়ে ব্যবসায়ী মো. ছাইফুল ইসলাম মিন্টুকে ২৩ লাখ টাকা অগ্রিম দেন। মিন্টু মসজিদগুলোর কাছেই নকলা শহরের মেসার্স হাজী এন্টারপ্রাইজ এর মালিক।

আবার ওই ব্যবসায়ী মিন্টু ও সজিবের বাড়ী একই গ্রামে। এই দুজনের মধ্যে চুক্তি হয় মসজিদের মালামাল দিয়ে গ্রহীতার স্বাক্ষর নিতে হবে। টাকা দেওয়ার বছরখানেক পরে ব্যবসায়ী মিন্টু সজিবকে জানান ২৩ লাখ টাকা শেষ হয়ে গেছে এবং আরও ৫ লাখ টাকা অতিরিক্ত দিতে হবে। সজিব খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন মিন্টুর দেওয়া মালামালের হিসাবের সাথে মসজিদ কমিটির গ্রহণ করা মালামালের যথেষ্ট গরমিল রয়েছে।

এক পর্যায়ে কমিটিসহ স্থানীয় লোকজন ও ব্যবসায়ী মিন্টুর মধ্যে বেশ উত্তেজনা শুরু হয়। সেই থেকেই চরম বিরোধ চলে আসছে। এখন বিষয়টি ময়মনসিংহ অঞ্চলের ডিআইজি পর্যন্ত গড়িয়েছে। লিখিতভাবে বিচার চেয়েছেন প্রত্যেক মসজিদের কমিটি। তদন্ত ভার পড়েছে সদর থানার ওসির (তদন্ত) উপর।
সম্প্রতি বিরোধ মিটাতে মিন্টুর আরেক ভাই ফরিদুজ্জামান পদক্ষেপ নিয়েও ব্যর্থ হয়েছেন। মসজিদে লাগানো মালামালের সঠিক হিসাব করে সিদ্ধান্ত দিতে চাইলেও মিন্টু মানেননি।

এই বিষয়ে সরেজমিনে মিন্টুর দেয়া সকল ভাউচারে দেখা গেছে কোথাও মালামাল গ্রহণকারীর সাক্ষর নেই। এলাকার প্রতিটি মানুষ মিন্টুর আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে ব্যবসায়ি মিন্টু বলেন, সকল মালামাল তৎকালীন মধ্য আলিনাপাড়া মসজিদের সভাপতি সদ্য প্রয়াত আমার বাবা জয়নাল আবেদীনের মাধ্যমে মালামাল ও টাকা লেনদেন হয়েছে। আমি স্বচ্ছভাবে সকল হিসাব যথা সময়ে বুঝিয়ে দিয়েছি। পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে আমাকে হেয় করতে মিথ্যে অভিযোগ দাঁড় করানো হয়েছে।

এ বিষয়ে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. মনির হোসেন বলেন, বিষয়টির তদন্ত চলছে। দু’পক্ষকে শান্ত থাকার জন্য বলা হয়েছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

চলতি অর্থবছরেই স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেনবিস্তারিত পড়ুন

বিমানবন্দরে ভিআইপি-সিআইপিসহ সবাইকে তল্লাশির নির্দেশ

ভিআইপি ও সিআইপি ব্যক্তিসহ সবার ক্ষেত্রে বিমান চলাচল নিরাপত্তা বিধি সমানভাবে প্রয়োগবিস্তারিত পড়ুন

জীবিত অবস্থায় নিজের চল্লিশা ২ হাজার মানুষকে খাওয়ালেন বৃদ্ধ

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় জীবিত অবস্থায় নিজের চল্লিশার আয়োজন করে এলাকায় আলোচনার জন্মবিস্তারিত পড়ুন

  • ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে বিভ্রান্ত করছে ধর্ম ব্যবসায়ীরা: বিএনপি নেতা ড. মনিরুজ্জামান
  • সাতক্ষীরায় জুলাই শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ তালা উপজেলা বিএনপি’র
  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ
  • গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক জনগণ: প্রধানমন্ত্রী
  • গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের প্রাক্কালে বুলেটে থেমে যায় ক্রিকেটার রিয়ানের স্বপ্ন
  • ভারতে যাওয়ার সময় টাঙ্গাইলের আওয়ামীলীগ নেতা বেনাপোল ইমিগ্রেশনে গ্রেফতার
  • ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
  • সাতক্ষীরায় প্রতিবন্ধী যুবক ও বৃদ্ধা নানির পাশে ডিসি, পেলেন নগদ অর্থ ও টিন
  • সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • সব মোটরযানের জন্য বিআরটিএর কড়া নিষেধাজ্ঞা
  • ভারতের পুশইনে ভারতীয় নারী, ঠায় এখনো কলারোয়ায়