সোমবার, অক্টোবর ১২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

দৃশ্যত কোনো উপার্জন নেই তবু লন্ডনে বিলাসবহুল জীবনযাপন

তারেক রহমান। তার কোনো উপার্জন নেই। বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন যুক্তরাজ্যের লন্ডনে।

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থানরত একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি তারেক রহমানকে অর্থের জোগান দেওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে নজরদারি শুরু করেছে সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। তারেক রহমান প্রায় ১৪ বছর লন্ডনে অবস্থান করে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন; কিন্তু দৃশ্যত তার কোনো উপার্জন নেই।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা তার অর্থের অন্যতম জোগানদাতা; যাদের অধিকাংশই রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী এবং তারা সিলেট অঞ্চলের বাসিন্দা। গোয়েন্দারা দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতা নিয়ে তাদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যেই গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর বিভিন্ন মাধ্যমে কিছু তথ্য মিলেছে। এছাড়া ঢাকা থেকেও অর্থ পাচারের তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা।

গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তা জানান, ‘লন্ডনে প্রবাসী বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট মালিক ও বাংলাদেশে তাদের আত্মীয়দের বিষয়ে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের নিবিড় নজরদারিতে আনার পাশাপাশি বিশেষভাবে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। যাদের তারেক রহমানকে অর্থ দেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে, বাংলাদেশে ওইসব ব্যক্তি, তাদের আত্মীয়স্বজন এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাংক হিসাব তলব করা হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ফাইনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ), দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরসহ বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতা নেবে গোয়েন্দারা।

গোয়েন্দা তথ্যমতে কিছু সিলেটি ব্যবসায়ী ও তাদের আত্মীয়রা হুন্ডির মাধ্যমে তারেকের কাছে অর্থ পাঠান। তারেক রহমান আদালতে সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তাকে অর্থের জোগান দেওয়া ফৌজদারি অপরাধ। তাই তার অর্থের জোগানদাতা ও পাচারকারীদের পুরো চেইন নিয়ে একাধিক সংস্থা কাজ করছে। এর মাধ্যমে তারেকের কাছে অর্থ প্রেরণকারী পুরো চক্রকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব বলে মনে করছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

অপর একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা সিলেট অঞ্চলের বাসিন্দা লন্ডন প্রবাসী রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীদের কিছু নথিপত্র সংগ্রহ করেছি। এসব প্রবাসীর দেশে থাকা আত্মীয়স্বজনদেরও গোয়েন্দা নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ ছাড়া রাজনৈতিক মতাদর্শ, মনোনয়নের প্রত্যাশাসহ নানা কারণে যারা বাংলাদেশ থেকে তারেক রহমানকে অর্থ দেন তারা অর্থ পাঠানোর মাধ্যম হিসেবে লন্ডন প্রবাসীদের আত্মীয়দের ব্যবহার করেন। এর আগে তারেক রহমানের অন্যতম অর্থদাতা হিসেবে বিএনপির এক নির্বাহী সদস্যের নাম আসে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তাকে জিজ্ঞাসাবাদও করে।
সৌজন্যে: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সাবিস্তারিত পড়ুন

রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু

বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিতবিস্তারিত পড়ুন

পরিপাটি পোশাকের আড়ালে সংকটে ওষুধ বিক্রয় প্রতিনিধিদের জীবন

শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম-হাসপাতাল কিংবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে সকাল হতেই পরিপাটি পোশাকেরবিস্তারিত পড়ুন

  • আরো ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
  • মোটরসাইকেলসহ গাড়ি মালিক-চালকদের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিল বিআরটিএ
  • পরিপাটি পোশাকের আড়ালে সংকটে ওষুধ বিক্রয় প্রতিনিধিদের জীবন
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহীদ জেহাদের পরিবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
  • চারদিনের সফরে ২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
  • রাষ্ট্রের সংকট সমাধানে তরুণদের প্রশ্ন ও মতামত জরুরি: রিজভী
  • বাংলাদেশ অন্য দেশের অংশীদার হতে চায়, নির্ভরশীল নয়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
  • বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্প দেখলেন প্রধানমন্ত্রী, বাস্তবায়নে সহায়তার আশ্বাস
  • বাংলা কিউআরে বছরে ২ লাখ কোটি টাকা বাড়তি রাজস্বের সম্ভাবনা
  • ফোনে সহজেই চালু করুন স্টারলিংকের মোবাইল সেবা
  • রমজানে খাদ্যসংকট হবে না, পর্যাপ্ত মজুতের দাবি খাদ্যমন্ত্রীর
  • উড্ডয়নের পর খুলে পড়ল বিমানের চাকা, ঢাকায় জরুরি অবতরণ