শুক্রবার, আগস্ট ৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

অশনির প্রভাবে বৃষ্টি : মণিরামপুরে মাঠে কেটেরাখা পাকা ধানের সর্বনাশ

ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে সৃষ্টি নিম্নচাপের কারণে সোমবার সকাল ১০টার পর থেকে শুরু হওয়া টানা ৬ ঘন্টার বৃষ্টিতে যশোরের মণিরামপুরের মাঠে মাঠে কেটেরাখা হাজার হাজার বিঘা জমির পাকা বোরো ধান পানির উপর ভাসছে।

ধানচাষিরা বলছেন- আমাদের সকল স্বপ্ন শেষ। বৃষ্টি অবস্থায় মাঠে কাটা ধান সরানো, জালি দেওয়াসহ পলিথিন দিয়ে ঢেঁকে রাখা হয়েছে। কিন্তু ধান ভালো থাকবে কিনা যানিনা।

ঝাঁপা ইউনিয়নের হানুয়ার গ্রামের চাষি রবিউল ইসলাম (৪৫) বলেন- আমাদের হানুয়ার মাঠে কেটেরাখা পাকা ধান এইবার দিয়ে তিনবার ভিজলো। এবার পানির উপর ভাসছে। অনেক ধানের চারা বের হয়ে গেছে। রবিউল ইসলামের বড় চাচা মোজাহার আলী (৬৫) বলেন- ধানের অবস্থা অনেক খারাব। মাঠের পর মাঠ কেটেরাখা পাকা বোরো ধান পানির উপর ভাসছে। হানুয়ার গ্রামের চাষি সামছুর রহমান বলেন- ঈদের পর থেকে মাঠে ধান কাটা, ধান সরানো ও শুকানোর কাজ করেছি। আজকের (সোমবার) বৃষ্টিতে সব কষ্ট মাটি হয়ে গেলো। টানা বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ধান বাঁচানোর চেষ্টা করেছি।

বৃষ্টি পরবর্তি সরেজমিনে দেখাগেছে- মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ এলাকার মোবারকপুর, হানুয়ার ও দোদাড়িয়া মাঠে শত শত কিসান তাদের স্বপ্ন বাঁচানোর খুব চেষ্টা করছে। নারী-পুরুষ এক হয়ে মাঠে নেমেছে সারা বছর খেয়ে বেঁচে থাকার খোরাকি বাঁচানোর জন্য।

চালুয়াহাটি ইউনিয়নের মোবারকপুর মাঠে ধান সরানোর কাজ করছে ইবরাহিম হোসেন (৫০) নামের এক চাষি। কথা হয় তার সাথে। তিনি বলেন- কথা বলার সময় নেই। ঈদের আগের দিন থেকে অনেক বৃষ্টি ছিলো। গত দুই-তিন দিন বৃষ্টি না থাকায় আমরা ধান কেটে মাঠে রেখেছিলাম। কিন্তু বাড়ি আনার আগেই সোমবারের বৃষ্টিতে সব সর্বনাশ হয়ে গেছে।

উপজেলার মোবারকপুর গ্রামের কয়েকজন কৃষক বলেছেন- আমাদের কাটা ধান বৃষ্টিতে ভিজে গেছে। এতে এবার আমাদের বোরো চাষে লোকসানসহ অনেক ক্ষতি হবে।

হানুয়ার গ্রামের চাষি সিরাজুল ইসলাম (৪৫) বলেন- কিসান (শ্রমিক) সংকটের কারণে আমাদের ধান কাটতে দেরি হয়েছে। এজন্য এই বৃষ্টিতে ধরা খেয়েছি। তিনি আরও বলেন- আল্লাহর রহমতে এবার বোরো ধানের বাম্পার থেকে বাম্পার ফলন হয়েছিলো। কিন্তু ধানের বর্তমান যে অবস্থা তাতে খুব চিন্তায় আছি।

সিরাজুল ইসলাম বলেন- বাজারে ধানের দামও ভালো ছিলো। কিন্তু পানিতে ভিজে যাওয়া ধান ভালো দামে বিক্রি করতে পারবো কিনা জানিনা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাগেছে- চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে মণিরামপুর উপজেলা ব্যাপী মোট ২৭ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিলো। জলাবদ্ধতার কারণে অন্তত ৫০০ হেক্টর জমিতে কৃষক ধান চাষ করতে পারেননি চাষিরা। ফলে ২৬ হাজার ৯৬৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে আরও জানাগেছে- আমাদের জানামতে মণিরামপুর উপজেলায় ইতিমধ্যে প্রায় ৬০-৬৫ শতাংশ পাকা ধান কাটা পড়েছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের প্রাক্কালে বুলেটে থেমে যায় ক্রিকেটার রিয়ানের স্বপ্ন

নাসিব হাসান রিয়ান। প্রতিভাবান টগবগে যুবক। অনূর্ধ্ব-১৬ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক।বিস্তারিত পড়ুন

মণিরামপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

যশোরের মণিরামপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধানবিস্তারিত পড়ুন

রাজগঞ্জে হোটেলগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও বিক্রি : ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য

হেলাল উদ্দিন, রাজগঞ্জ : যশোরের মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ বাজারের বিভিন্ন হোটেল ওবিস্তারিত পড়ুন

  • যশোরের রাজগঞ্জের মোবারকপুরে প্রকাশ্যে জুয়ার আসর! মিলছে না প্রতিকার
  • মণিরামপুরের জালঝাড়া বাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির মৃ*ত্যু
  • শিশু আরাফাতের জীবন বাঁচাতে মানবিক সহায়তার আবেদন
  • যশোরের রাজগঞ্জে বাওড় থেকে ভ্যানচালকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার
  • রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে থেমে নেই যশোরের মনিরামপুরের কৃষকদের কর্মযজ্ঞতা
  • ভবদহ অঞ্চলের ফসলি জমি নষ্ট করে অবৈধ মাছের ঘের নির্মাণের অভিযোগ
  • যশোরের মণিরামপুরে পানিবন্দি এলাকা পরিদর্শনে এমপি এনামুল হক
  • মনিরামপুরে ভারী বর্ষণে সড়কে ধস
  • স্মার্টফোনের যুগেও গ্রামের চায়ের দোকানে টিকে আছে আন্তরিকতার আড্ডা
  • মণিরামপুরে স্কুলশিক্ষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
  • রাজগঞ্জের ‘সন্দেশ দাদু’ : সংগ্রাম আর ভালোবাসার এক অনন্য গল্প
  • যশোরের মণিরামপুরের বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গে পড়া সড়ক ও সেতু পরিদর্শনে এমপি এনামুল হক