বৃহস্পতিবার, জুন ৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

অগ্নিকাণ্ডের পর যাত্রীসহ লঞ্চ ফেলে পালিয়ে যান স্টাফরা

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ নামের লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের পর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না নৌযানটির মাস্টার, সারেং, সুকানিসহ সব কর্মচারীর। তাঁরা পালিয়ে গেছেন বলে দাবি বেঁচে ফেরা যাত্রীদের। এমনকি লঞ্চের কর্মচারীদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

যাত্রীদের অভিযোগ, আগুন লাগার ১৫ মিনিট পরে নদীর পাড়ে নিয়ে থামান লঞ্চের মাস্টার। কিন্তু যাত্রীদের ঝুঁকিতে ফেলে লঞ্চের মাস্টার, সারেং, সুকানিসহ সব কর্মচারী পালিয়ে যান। ওই সময় কয়েক শ যাত্রী নামতে পারলেও লঞ্চে থেকে যান ঘুমিয়ে থাকা যাত্রীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মেসার্স নেভিগেশন কোম্পানির এমভি অভিযান-১০ লঞ্চটির ধারণক্ষমতা দিনে ৭৬০ জন। তবে রাতে তা কমে হয় ৪২০ জন। এ ছাড়া লঞ্চটির লাইসেন্সের মেয়াদও ছিল ২০২১এর জানুয়ারি পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় লঞ্চটি ২৫ জন কর্মচারীসহ ৩১০ জনের ভয়েস ক্লিয়ারেন্স দিয়ে টার্মিনাল ত্যাগ করে।

বেঁচে যাওয়া যাত্রী বরগুনার ব্যাংক কলোনীর প্রান্ত এবং চরকলোনি এলাকার তুহিন খান জানান, ঘাট থেকে লঞ্চ ছাড়ার সময়ই লোক ভর্তি ছিল। চাঁদপুরে থামালে সেখানে থেকে এত পরিমাণ লোক ওঠে যে তিল ধারণের ঠাঁইও ছিল না। ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া এলাকায় সুগন্ধা নদীতে পৌঁছালে রাত সাড়ে ৩টার দিকে লঞ্চের ইঞ্জিনরুমে আগুন ধরে যায়। এ সময় কেবিন ও ডেকের বেশির ভাগ যাত্রী ঘুমিয়ে ছিল।

তারা বলেন, ‘আগুন লাগার ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর লঞ্চটি একটি চরে ভিড়েছিল। এসময় লঞ্চের কোনো স্টাফকে পাওয়া যায়নি।

তুহিন বলেন, আমি আমার স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে লাফ দিয়ে তীরে নামি। পরে হুড়োহুড়ি করে কয়েক শ মানুষ নামতে পেরেছে। তবে যারা কেবিনে এবং ঘুমিয়ে ছিল তারা নামতে পারেনি। তখন আরো অনেকে লঞ্চ থেকে আমার মত লাফ দিয়ে নেমে যায়। লঞ্চটি যদি তখন সেখানে নোঙর করত সবাই নেমে যেতে পারত।

প্রান্ত বলেন, আমি তৃতীয় তলা থেকে নেমে আসি লঞ্চের কোন স্টাফ বা কেবিন বয়কে দেখিনি। ধারনা করছি তারা লঞ্চ ভেড়ার সাথে সাথে লাফিয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর থেকে লঞ্চের সুপারভাইজার আনোয়ার হোসেনসহ স্টাফদের মুঠোফোন বন্ধ রয়েছে। তবে শুক্রবার বিকেলে মুঠোফোনে লঞ্চটির মালিক হাম জালাল রনির সাথে কথা হয়। এসময় তিনি দাবি করেন, আগুনের ঘটনা পরিকল্পিত নাশকতা। তবে শনিবার দুপুর থেকে তার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা যায়নি। এ পর্যন্ত নিখোঁজদের তালিকায় লঞ্চের স্টাফদের নাম নেই।

বরগুনার জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান জানান, এখনো পর্যন্ত লঞ্চের কোনো স্টাফ বা মালিকের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।কন্টোল রুমের ২৫ জন নিহতদের তালিকায় ও লঞ্চ স্টাফদের নাম নেই।

একই রকম সংবাদ সমূহ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে আ.লীগের উত্থাপিত প্রশ্ন নাকচ জাতিসংঘের

বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যের ওপর পূর্ণ আস্থাবিস্তারিত পড়ুন

ডিএনডি বাঁধ নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) বাঁধবিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩বিস্তারিত পড়ুন

বাড়ছে মেট্রোরেল চলাচলের সময়

যাত্রীদের বাড়তি চাপ ও চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে মেট্রোরেলের চলাচলের সময় ২০ মিনিটবিস্তারিত পড়ুন

  • সংসদ সদস্যদের ‘কার্যপ্রণালি বিধি ওরিয়েন্টেশন’ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
  • পদত্যাগ ইস্যুতে নিজের অবস্থান তুলে ধরলেন দীপেন দেওয়ান
  • জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কাজ কী?
  • এখনও দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চলছে: মির্জা ফখরুল
  • প্রতিটি মানুষের কথা চিন্তা করেই হচ্ছে আগামীর বাজেট: অর্থমন্ত্রী
  • মায়ের প্রতি অবহেলা: শাস্তি পাবেন সেই যুগ্ম সচিব
  • বেতন দ্বিগুণের পথে, নতুন পে-স্কেল নিয়ে জোর প্রস্তুতি
  • বিশ্বকাপ ফুটবলের সম্প্রচার করতে পারে বিটিভি
  • বিদ্যুতের দাম বাড়লো
  • আরেকটা দেশের পরাজিত নেতার কথা আমাদের আলোচনার বিষয় নয়
  • অবশেষে বিশ্বকাপ সম্প্রচার নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য মিললো বড় সুখবর
  • জ্বালানি তেল সাশ্রয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা