বুধবার, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৩

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

আন্দোলনে বাধা নেই, সন্ত্রাস-নৈরাজ্য হলে ছেড়ে দেব না : প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির শাসনামলে আওয়ামী লীগ এবং মহিলা লীগের নেতাকর্মীদের ওপর চরম অত্যাচার চালানো হয়েছিলো বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল আমাদের নেতাকর্মীদের উপর যে অত্যাচার চালানো হয়েছিল তা ভুলবো কীভাবে, এদেশের মানুষ তা কোনোদিন ভুলবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তখন একদিকে বিএনপি, একদিকে জামায়াত অন্যদিকে পুলিশ মিলে নির্যাতন করতো। নারী নেতাকর্মীদের রাস্তায় ফেলে বুট দিয়ে লাথি মেরেছে। কাউকে রেহাই দেয়নি। কিন্তু আমরা তো তা করছি না। তাদের মেয়েরা মিছিল করতে পারছে। তারা সমাবেশ মিছিল সবকিছু করতে পারছে আমরা কোনো বাধা দিচ্ছি না।

‘তবে আন্দোলনের নামে বোমা মারলে, মানুষকে অত্যাচার করলে, সন্ত্রাস-নৈরাজ্য হলে একটাকেও ছাড়ব না।’

শনিবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন মহিলা আওয়ামী লীগের ষষ্ঠ ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০০১ এর নির্বাচনের পর যেভাবে বিএনপি এবং জামায়াতের সন্ত্রাসীরা মেয়েদের ওপর পাশবিক অত্যাচার করেছে, বাংলাদেশে এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে এই অত্যাচারের শিকার না হয়েছে। মা-মেয়েকে একসঙ্গে ধর্ষণ করেছে-গণধর্ষণ করেছে। ছোট্ট ৬ বছরের শিশুও রেহাই পায়নি। ফাহিমা, মহিমা, রুমাসহ কত মেয়ে। ফাতেমা, বেদানা— আমরা তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি, ট্রমা সেন্টারে নিয়ে গিয়েছি। আমরা তাদেরকে বাঁচাতে পারিনি।’

তিনি বলেন, ‘ঠিক পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যেভাবে আত্যাচার করেছিল বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসার পর একইভাবে অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছে এ দেশের মা বোনের ওপর।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৫ আগস্ট একটি কালো দিন। সেদিন জাতির পিতাকে হত্যা করা হয়। একইসঙ্গে আমার মাকে হত্যা করা হয়। মেয়েরা স্বামীর কাছে কত কিছু দাবি করে, কিন্তু আমার মা বাবার কাছে কখনো কিছু চাননি। ঘাতকের দল যখন আমার বাবাকে হত্যা করে, তখন আমার মা বলেছিলেন, আমার স্বামীকে হত্যা করেছ, আমাকেও হত্যা করো।

তিনি আরো বলেন, হানাদার বাহিনী মেয়েদের ধরে ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করেছে। তখন জাতির পিতা সুইজারল্যান্ড থেকে নার্স এনে তাদেরকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। জাতির পিতা সবসময় নারী ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করতেন।

সকাল থেকেই এই সম্মেলনস্থল রঙিন সাজে সাজতে শুরু করে। শাড়িসহ বর্ণিল পোশাক আর নানা সাজে উপস্থিত হতে থাকেন নেতা-কর্মীরা।

সম্মেলন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও আশপাশের এলাকা ব্যানার, প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। শাহবাগ থেকে মৎস্য ভবন, অন্যদিকে শাহবাগ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি হয়ে শাপলা চত্বর পর্যন্ত সাজানো হয়েছে নানাভাবে।

এর আগে ২০১৭ সালের ৪ মার্চ বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের পঞ্চম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পর সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও প্রায় পাঁচ বছর পর এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ে সম্মেলন হয়নি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন : আগের সীমানাই বহাল রাখতে চায় ইসি

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চলতি মাসে ৩০০ আসনের সীমানার খসড়া প্রকাশবিস্তারিত পড়ুন

আর্জেন্টিনার ফুটবল লিগে শ্রদ্ধায় সিক্ত বাংলাদেশ

আর্জেন্টিনার ঘরোয়া ফুটবলে দেখা মিলেছে বাংলাদেশের প্রতি এক অন্যরকম ভালোবাসার। ‘আর্জেন্টাইন প্রিমেরাবিস্তারিত পড়ুন

রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কিছু জানি না, প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে : ওবায়দুল কাদের

দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন সে সম্পর্কে কিছুই জানেন না বলে মন্তব্যবিস্তারিত পড়ুন

  • বেলজিয়ামের রানি কক্সবাজারে
  • এইচএসসির ফল প্রকাশ বুধবার, জানা যাবে যেভাবে
  • ‘খালেদা জিয়া রাজনীতি করবেন না’ এমন মুচলেকা ছিল না : আইনমন্ত্রী
  • তিন ফসলি জমিতে প্রকল্প না নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রিতে জরিমানা ২০ হাজার
  • বাংলাদেশের জনসংখ্যা বেড়ে ১৬ কোটি ৯৭ লাখ
  • রাজধানীর সাতটি ফ্লাইওভার থেকে দেয়াল লিখন ও পোস্টার অপসারণের নির্দেশ হাইকোর্টের
  • আমার মন্তব্য ছিল মির্জা ফখরুলকে নিয়ে, হিরো আলম নয়: ওবায়দুল কাদের
  • ‘মুজিব হানড্রেড সং’র মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • কে হচ্ছেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি, চূড়ান্ত হবে মঙ্গলবার
  • বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো প্রক্রিয়ায় পরিবর্তনের আভাস
  • মার্চের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশে আসবে ভারতের আদানির বিদ্যুৎ : প্রতিমন্ত্রী
  • error: Content is protected !!