মঙ্গলবার, আগস্ট ৯, ২০২২

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

করোনা আর বন্যায় ভাইসা গেছে ঈদের আনন্দ

আমাগো ঈদের আনন্দ করোনা রোগ আর বন্যার পানিতে ভাইসা গেছে। কোরবানির ঈদে এক টুকরা মাংস তো দূরের কথা, একটু স্যামাইও জুটে নাই।’ কথাগুলো বলছিলেন, দিনমজুর নুরুল ইসলাম। তাঁর বাড়ি ছিল ভূঞাপুর উপজেলার কোনাবাড়ি চরে। ১০ বছর আগে যমুনায় বাড়িঘর বিলীন হয়ে যায়। তারপর গোবিন্দাসি ইউনিয়নের চিতুলিয়াপাড়া এলাকায় সরকারি জায়গায় ঘর তুলে বসবাস শুরু করেন। নুরুলের সেই ঘরও এখন বন্যার পানিতে থইথই। তাই গোবিন্দাসি-বঙ্গবন্ধু সেতু সড়কে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি।

নুরুল ইসলাম জানান, করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় চার মাস আগে থেকে নিয়মিত কাজ পান না। সঞ্চয় যা ছিল, তা শেষ। এক মাস ধরে বন্যার কারণে এই সড়কের পাশে রয়েছেন। খুব কষ্টে দিন কাটছে তাঁদের। ঈদের আনন্দ বলে কিছু তাঁদের নেই।

শুধু নুরুল ইসলাম নন। তাঁর মতো পাঁচ শতাধিক বন্যাকবলিত মানুষের পরিবার আশ্রয় নিয়েছে গোবিন্দাসি-বঙ্গবন্ধু সেতু সড়কে। ১আগস্ট শনিবার দুপুরে গিয়ে দেখা যায়, আশ্রয় নেওয়া মানুষগুলো কেউ পলিথিন দিয়ে, কেউ টিন দিয়ে ডেরা বানিয়ে বসবাস করছেন। ঈদের আনন্দ নেই মানুষগুলোর মধ্যে।

সড়কের চিতুলিয়াপাড়া এলাকায় আশ্রয় নেওয়া মামুন মিয়া বলেন, ‘এহানে যারা আছে তাগোরে কারও কোরবানি তো দূরের কথা, তিন বেল খাবার সামর্থ্যই নাই।’ কাইঞ্জা শেখ বলেন, এক মাস ধরে অভাব-অনটনে দিন কাটাতে হচ্ছে। তাদের মধ্যে ঈদের দিনেও কোনো আনন্দ নেই।

বিকেল চারটার দিকে সড়কটির কষ্টাপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পলিথিনের ডেরার ভেতর জহুরা বেগম নামের এক নারী রান্না করছেন। ঈদের দিন, মাংস রান্না করছেন কি না, জিজ্ঞাসা করতেই বললেন, ‘ডাইল-ভাত জুটে না, মাংস পামু কনে। গ্রামে থাকলে সমাজের মাংস কিছু পাওন যাইত।’ জহুরা বেগমের সঙ্গে কথা বলার সময় আশপাশের ডেরা থেকে লোকজন এসে ভিড় করতে থাকেন। তাঁরা ভেবেছিলেন, ত্রাণ দেওয়ার জন্য নাম লেখা হচ্ছে। তালিকায় নাম তুলতে ব্যতিব্যস্ত হয়ে ওঠেন সবাই। আসলে তা নয়, বিষয়টি জানতে পেরে সবার মন খারাপ হয়ে যায়।

রেনু বেগম নামের এক নারী বলেন, দিনমজুর স্বামী ও দুই মেয়ে নিয়ে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে এ সড়কে আশ্রয় নিয়েছেন। এর মধ্যে একবার ১০ কেজি চাল পেয়েছিলেন। এখন খেয়ে না-খেয়ে দিন কাটছে। তাই ঈদের দিনও তাঁদের কাছে অন্য দিনের মতোই অভাবের।

ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদ সূত্র জানায়, এই সড়কটিতে গোবিন্দাসি ও নিকরাইল ইউনিয়নের পাঁচ শতাধিক পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। এরা বেশির ভাগই যমুনার ভাঙনে বাড়ি-ঘর ও জমি-জমা হারিয়েছেন। সব হারিয়ে কেউ সড়কের পাশে সরকারি জায়গায় অথবা আশপাশের গ্রামে অন্যের জমি ভাড়া নিয়ে থাকছে।

গোবিন্দাসি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার বলেন, সড়কে আশ্রয় নেওয়া বন্যাকবলিত লোকজনকে স্থানীয় সাংসদ ও ইউপির পক্ষ থেকে একাধিকবার ত্রাণ দেওয়া হয়েছে।
সুত্র প্রথম আলো

একই রকম সংবাদ সমূহ

শ্যামনগরের ভুরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে জেলা পরিষদ’র নারী সদস্য পদপ্রার্থীর মতবিনিময়

শ্যামনগর উপজেলার ভুরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য ও আ.লীগ নেতাকর্মীদের সাথেবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছার জন্মদিন পালিত

কলারোয়া উপজেলায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মদিনবিস্তারিত পড়ুন

তালায় বঙ্গমাতার ৯২তম জন্মদিন পালন

তালায় বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব এঁর ৯২ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনাবিস্তারিত পড়ুন

  • কালিগঞ্জে কোভিড-১৯ প্রতিরোধে টাউনহল মিটিং অনুষ্ঠিত
  • কালিগঞ্জে প্রশাসনের শোক দিবসের প্রস্তুতি সভা সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত
  • কলারোয়ায় আ’লীগের উদ্যোগে বঙ্গমাতার ৯২তম জন্মবার্ষিকী পালিত ও জাতীয় শোক দিবসের প্রস্তুতি সভা
  • ফেসবুক লাইভে পণ্য বিক্রি বন্ধ হচ্ছে!
  • এনআইডি-মোবাইল নম্বর ছাড়া যাত্রী নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ: র‌্যাব
  • বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম কমলে সমন্বয় করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী
  • ঢাকা থেকে বিভিন্ন রুটে ভাড়ার তালিকা প্রকাশ
  • শিল্পকারখানা খোলা থাকবে, সমন্বয় হবে সাপ্তাহিক ছুটি
  • কলারোয়ার অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থী সুজিতের অকাল মৃত্যু
  • মণিরামপুরে অনুমোদন ছাড়া সার বিক্রি, দু’দোকানিকে জরিমানা
  • কলারোয়ার কেঁড়াগাছিতে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ভাদড়া কে হারিয়েছে স্বাগতিকরা
  • কলারোয়ায় বাল্যবিবাহ আয়োজনের অপরাধে এক ব্যক্তিকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারদন্ড