শুক্রবার, আগস্ট ৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কিশোরগঞ্জে ১ম শ্রেণির ছাত্রীর বয়স ১০৭ বছর!

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীর ১০৭ বছর বয়স নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলার মঙ্গলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোছা. অনিকা জাহান সেতু। তার প্রকৃত বয়স সাড়ে সাত বছর। কিন্তু জন্ম সনদপত্র অনুযায়ী তার বয়স এখন ১০৭ বছর ছয় মাস। এ নিয়ে তার পরিবারের মাঝে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় এ নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সেতুর বাড়ি পাকুন্দিয়া পৌর এলাকার সৈয়দগাঁও গ্রামে। তার বাবার নাম মো. ওয়াসিম। সে একই এলাকার মঙ্গলবাড়িয়া গ্রামের নানার বাড়িতে থেকে পড়ালেখা করছে।

সেতু ২০১৪ সালের ২৪ মে জন্মগ্রহণ করে। সেই অনুযায়ী তার ইপিআই টিকাদান কার্ডেও জন্ম তারিখ লেখা আছে ২৪ মে ২০১৪। কিন্তু পৌরসভা থেকে সেতুর জন্মের যে সনদপত্র দেওয়া হয়েছে, তাতে সেতুর জন্ম তারিখ লেখা হয়েছে ২৪ মে ১৯১৪। সেই হিসাবে জন্মের সনদপত্রে সেতুর বয়স ১০০ বছর বেশি লেখা হয়েছে। অর্থাৎ জন্মের সনদপত্র অনুযায়ী সাড়ে সাত বছরের সেতুর বয়স বর্তমানে ১০৭ বছর ছয় মাস হয়েছে।

সেতুর নানা মো. আমিনুল ইসলাম জানান, সেতুর জন্মের সদনপত্র নম্বর-১৯১৪৪৮২৪২০৯০২….।

প্রায় তিন মাস আগে উপবৃত্তির টাকা পেতে আবেদন করার জন্য সেতুর জন্মের সনদপত্র আনতে বলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। বাড়ি গিয়ে বিষয়টি তার নানাকে বলে সেতু। পরে জন্মের সনদপত্র আনতে তার নানা পাকুন্দিয়া পৌরসভা কার্যালয়ে যান। সেখান থেকে জন্মের সনদপত্র এনে প্রধান শিক্ষকের হাতে তুলে দেন তার নানা।

জন্মের সনদপত্রটি দেখে প্রধান শিক্ষককের চোক চড়কগাছ।

তিনি জানান, এতে তো সেতুর বয়স ১০০ বছর বেশি লেখা হয়েছে।

বিষয়টি সংশোধনের জন্য পৌরসভা কার্যালয়ে যোগাযোগ করেন তিনি। সেখান থেকে জানানো হয়, বয়স সংশোধন করতে হলে আদালতে মামলা করতে হবে। এরপর সংশোধনের জন্য পৌরসভায় আবেদন করতে হবে।

আমিনুল ইসলাম আরও জানান, তিনি গরিব ও অভাবী মানুষ। আদালত তিনি চেনেন না। এখন কী করে তিনি মেয়েটির বয়স সংশোধন করবেন- এ নিয়ে তিনি হতাশায় ভুগছেন।

মঙ্গলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলমাছ উদ্দিন বলেন, পৌরসভা কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাই এ ভুলটি করেছেন। তাদের এ ভুলের কারণে একটি পরিবার এমন অবর্ণনীয় হয়রানিতে পড়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।

তিনি জানান, সেতুর ইপিআই টিকাদান কার্ডে তার যে জন্ম তারিখ লেখা আছে, ওই জন্মতারিখ ঠিক রেখেই ভর্তি রেজিস্ট্রারে সেতুর জন্মতারিখ লেখা হয়েছে।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে পাকুন্দিয়া পৌরসভা কার্যালয়ের সচিব সৈয়দ শফিকুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, সনদপত্র টাইপ করার সময় হয়তো ২০১৪ এর জায়গায় ভুলবশত ১৯১৪ লেখা হয়ে থাকতে পারে। তবে যেভাবেই হোক এটি কোনো ছোটখাটো ভুল নয়। এটি একটি বড় ধরনের ভুল হয়েছে। অতি দ্রুত বিষয়টি কীভাবে সংশোধন করা যায় তা ইউএনওর সঙ্গে পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

চলতি অর্থবছরেই স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেনবিস্তারিত পড়ুন

বিমানবন্দরে ভিআইপি-সিআইপিসহ সবাইকে তল্লাশির নির্দেশ

ভিআইপি ও সিআইপি ব্যক্তিসহ সবার ক্ষেত্রে বিমান চলাচল নিরাপত্তা বিধি সমানভাবে প্রয়োগবিস্তারিত পড়ুন

জীবিত অবস্থায় নিজের চল্লিশা ২ হাজার মানুষকে খাওয়ালেন বৃদ্ধ

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় জীবিত অবস্থায় নিজের চল্লিশার আয়োজন করে এলাকায় আলোচনার জন্মবিস্তারিত পড়ুন

  • ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে বিভ্রান্ত করছে ধর্ম ব্যবসায়ীরা: বিএনপি নেতা ড. মনিরুজ্জামান
  • সাতক্ষীরায় জুলাই শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ তালা উপজেলা বিএনপি’র
  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ
  • গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক জনগণ: প্রধানমন্ত্রী
  • গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের প্রাক্কালে বুলেটে থেমে যায় ক্রিকেটার রিয়ানের স্বপ্ন
  • ভারতে যাওয়ার সময় টাঙ্গাইলের আওয়ামীলীগ নেতা বেনাপোল ইমিগ্রেশনে গ্রেফতার
  • ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
  • সাতক্ষীরায় প্রতিবন্ধী যুবক ও বৃদ্ধা নানির পাশে ডিসি, পেলেন নগদ অর্থ ও টিন
  • সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • সব মোটরযানের জন্য বিআরটিএর কড়া নিষেধাজ্ঞা
  • ভারতের পুশইনে ভারতীয় নারী, ঠায় এখনো কলারোয়ায়