রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

গৌড়মতি আমে নতুন সম্ভাবনা, মণ ১২ হাজার

দেশের বেশির ভাগ জাতের আমের জোগান যখন শেষ হয়, ঠিক তখনই পাকতে শুরু করে গৌড়মতি। আমটি যেমন রসালো, তেমনি সুস্বাদু। এই নাবি জাতের আম চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাবু আলী নামে এক চাষি। গৌড়মতি আম আট থেকে ১২ হাজার টাকা মণ বিক্রি করছেন তিনি।

কৃষি বিভাগ বলছে, গৌড়মতি আমে অর্থনৈতিকভাবেও দেখা দিয়েছে নতুন সম্ভাবনা। কারণ মৌসুম শেষে বাজারে আসায় দামও বেশি পাওয়া যাচ্ছে।

শুক্রবার (১২ আগস্ট) বিকেলে সদর উপজেলার আমনুরা রোডের জামতলাবাজার এলাকার বাবু আলীর আমিরা এগ্রো ফার্মে গিয়ে দেখা যায়, ২০ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে গৌড়মতি আমের বাগান করেছেন তিনি। বাগানে প্রায় দুই হাজার আমের গাছ রয়েছে। গত ১০ দিন থেকে এই আম দেশের বিভিন্নস্থানে সরবরাহ করছেন তিনি। এরই মধ্যে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার আম বিক্রি করেছেন। আশা করছেন, আরও ১৫ লাখ টাকার আম বিক্রি করবেন।
আমিরা এগ্রো ফার্মের মালিক বাবু আলী বলেন, পাঁচ বছর আগে ৩২ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে বিভিন্ন ফলের বাগান গড়ে তুলেছি। এর পরে তিন বছর আগে ২০ বিঘা জমিতে দুই হাজার গৌড়মতি আমের গাছ লাগিয়েছিলাম। গতবছর থেকেই এ গৌড়মতির গাছে আম আসতে শুরু করেছে। গত বছর প্রায় আট লাখ টাকার আম বিক্রিও করেছি। তবে এবার আশা করছি, ২০ লাখ টাকার বেশি আম বিক্রি করতে পারব। যতদিন যাবে গাছ আরও বড় হবে। আমের ফলনও বাড়বে বলে আশা করছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা এই আম এ জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্নস্থানে সরবরাহ করছি। বর্তমানে গৌড়মতি আম ৮ থেকে ১২ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে।

শাহিদ নামে এক কলেজছাত্র বলেন, কিছুদিন আগে শুনেছি এই বাগানে গৌড়মতি আম পাওয়া যায়। তাই আজকে এক হাজার টাকায় পাঁচ কেজি আম কিনলাম। এই আম খুবই সুস্বাদু।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) রাজিবুর রহমান বলেন, আমটির প্রথম সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল চাঁপাইনবাবগঞ্জে। তাই বাংলার প্রাচীন এই জনপদের নাম থেকে ‘গৌড়’ আর মূল্য বিবেচনায় রত্নের সঙ্গে তুলনা করে ‘মতি’ শব্দের সমন্বয়ে নতুন জাতের এই আমটির ২০১৩ সালে নামকরণ করা হয়েছিল ‘গৌড়মতি’।

তিনি বলেন, এটি একটি নাবি জাতের আম। সারাদেশের আমের জোগান যখন শেষ হয়, তখনই পাকতে শুরু করে এই গৌড়মতি। এই আম অত্যন্ত সুস্বাদু। আর যেহেতু সব আমের শেষে পাকে এই তাই দামও বেশ ভালো পান চাষিরা। এই আম জেলার জন্য একটি নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা।

একই রকম সংবাদ সমূহ

মাঠের ফসল ঘরেই হবে খাঁটি সস-আচার: ভরা মৌসুমে লোকসান ঠেকিয়ে কৃষকের পকেট ভরার সহজ উপায়

ভরা মৌসুমে ফসলের বাম্পার ফলন দেখে কৃষকের চোখে মুখে আনন্দের ঝিলিক উঠলেও,বিস্তারিত পড়ুন

সুষম পুষ্টি ব্যবস্থাপনায় দ্বিগুণ হতে পারে দেশের নারিকেল উৎপাদন

বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি গ্রামীণ বসতবাড়ির আঙিনায় কিংবা বাণিজ্যিক বাগানে নারিকেল গাছ দেখাবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় বার্ষিক পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা বিষয়ে সেমিনার

কলারোয়ায় বার্ষিক পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। ICT কোচিং সেন্টার মঙ্গলবারবিস্তারিত পড়ুন

  • দেশে পর্যাপ্ত সার আছে, দুষ্টু লোকেরা মজুত করায় সংকট: কৃষিমন্ত্রী
  • কলারোয়ায় নিরাপদ মৎস্য চাষ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
  • কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সাতক্ষীরায় পার্টনার কংগ্রেস
  • ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • অক্টোবরের মধ্যে প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান
  • রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে থেমে নেই যশোরের মনিরামপুরের কৃষকদের কর্মযজ্ঞতা
  • কলারোয়ায় মৎস্য চাষিদের মাঝে প্রদর্শনী উপকরণ বিতরণ
  • হারিয়ে যাচ্ছে দেশি খেজুর, নতুন প্রজন্মে নেই আগ্রহ
  • সাতক্ষীরায় বিলুপ্তির পথে ধানের গোলা
  • কলারোয়ায় আগাম জাতের হাইব্রিড মুখিকচুর চাষ
  • শখ থেকে সাফল্য: কলারোয়ায় বাড়ির আঙিনায় আঙুরের ফলন
  • রোদ, গরম আর হঠাৎ ঝড়: কেন এতো অস্থির দেশের আবহাওয়া?