রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

বিক্রির জন্য ছেলেকে বাজারে তুললেন মা, দাম চাইলেন ১২ হাজার

স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগ নেই। নিজেও নানা রোগে আক্রান্ত। স্বামী ছেড়ে যাওয়ার পর থেকেই থাকেন বাবার সংসারে। সেখানেও নুন আনতে পান্তা ফুরায়। এ অবস্থায় একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বিপাকে পড়েন মা সোনালী চাকমা। অভাবের তাড়নায় নাড়িচেরা ধন সন্তানকে বিক্রির জন্য বাজারে নিয়ে আসেন। দাম হাঁকেন মাত্র ১২ হাজার টাকা।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) খাগড়াছড়ি বাজারে এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। পরে অবশ্য স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধি বিক্রির হাত থেকে বাঁচান ওই শিশুকে। তার হস্তক্ষেপেই মায়ের সঙ্গে ঘরে ফেরে ৬ বছরের রামকৃষ্ণ চাকমা।

সোনালী চাকমা খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ভাইবোনছড়ার পাকোজ্জ্যাছড়ি এলাকার কালাবো চাকমার মেয়ে। স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হওয়ার পর সন্তান নিয়ে পৈত্রিক ভিটায় গোয়াল ঘরের পাশে থাকেন। তার বড় দুই ছেলের একজন বিয়ে করে আলাদা আর মেঝো ছেলে খাগড়াছড়ি সদরে দিনমজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়ি হাটে নিজের ৬ বছরের সন্তান রামকৃষ্ণ চাকমাকে বিক্রি করতে আনেন মা সোনালী চাকমা। সন্তানের বিনিময় তিনি ১২ হাজার টাকা দাবি করেন। বাজারে সবজি বিক্রি করতে আসা একজন তার ছেলেকে ৫ হাজার টাকায় কিনতেও চান। কিন্তু সোনালী চাকমা কম দামে বিক্রি করতে রাজি হননি।

একপর্যায়ে বিষয়টি কয়েকজনের নজরে এলে তারা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানান। পরে কমলছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুনীল জীবন চাকমার হস্তক্ষেপে মা ও ছেলেকে উদ্ধার করে তাদের পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়।

সোনালী চাকমার ভাই ভারতব চাকমা বলেন, দিদি মানসিকভাবে কিছুটা ভারসাম্যহীন। মৃগী রোগী। এ জন্য মাঝেমাঝে এলোমেলো কথা বলেন। বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়ি বাজার থেকে এক চেয়ারম্যান ফোন করে ছেলেকে বিক্রি চেষ্টার কথা জানালে বাবা গিয়ে দিদি ও ভাগিনাকে নিয়ে আসেন।

বিষয়টিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে ভাইবোন ছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ানম্যান সুজন চাকমা জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে ওই মা-ছেলের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি শিশুটিকে একটি সদনে দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

ছেলেকে বিক্রির চেষ্টার কথা স্বীকার করে সোনালী জানান, অভাবের সংসার। স্বামী ছেড়ে চলে গেছে অনেকদিন। ঘরে কোনো খাবার নাই। আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ। ওষুধ কেনার টাকা নাই। কিভাবে বাঁচবো ছেলেকে নিয়ে। তাই ছেলেকে ভালো পরিবারে দিতে চেয়েছিলাম।

ছেলেকে বিক্রি করতে আনার খবরে শুক্রবার (১২ আগস্ট) সোনালী চাকমা ও তার ছেলের খোঁজ নিতে তাদের বাড়িতে ছুটে যান সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য বাসন্তী চাকমা। পরিবারটির জন্য ৬ মাসের খাদ্য সহায়তা ও নগদ কিছু টাকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পে একটি সরকারি ঘরের ব্যবস্থা করে দেবেন বলেও আশ্বাস দেন। তিনি শিশুটিকে কোনো সরকারি শিশু সদনে পাঠানো যায় কিনা তা দেখবেন বলেও জানান।

একই রকম সংবাদ সমূহ

আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তিকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিগত ১৭ বছরে যারা বাংলাদেশে গুম, গণহত্যা ওবিস্তারিত পড়ুন

বিপিএইচসিডিএ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাথে সাতক্ষীরা জেলা কমিটির মতবিনিময় সভা

বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাথে সাতক্ষীরাবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা

সাতক্ষীরা শহরকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে জেলা প্রশাসন ও সাতক্ষীরা পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে “ডেঙ্গুবিস্তারিত পড়ুন

  • প্রাথমিকে নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর বার্তা
  • ফ্যাসিবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা, পুলিশকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • পুলিশের নতুন ইউনিট গঠনের ঘোষণা
  • সময়মতো হামের টিকা না দেওয়ায় বর্তমান সরকারকে খেসারত দিতে হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
  • নৈতিক শিক্ষা ছাড়া পুঁথিগত বিদ্যা অনেক সময় ভয়ংকর হয়ে ওঠে: পানিসম্পদমন্ত্রী
  • জাতিসংঘে ভাষণের মাধ্যমে শান্তির দিশারী রূপে আবির্ভূত হয়েছেন তারেক রহমান
  • সরকারি চাকরিতে মামলা চললে পদোন্নতি নয়, দণ্ড শেষেও দুই বছর অপেক্ষা
  • ইউপি নির্বাচনে রয়েছে যেসব প্রতীক
  • জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হতে পারে: ইসি আনোয়ারুল ইসলাম
  • প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন: মীর শাহে আলম
  • বেহেশতের টিকিট বিক্রেতারা ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
  • ৫১তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, নিয়োগ পাবে ৫০০০ চিকিৎসক