বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

পায়ুপথে ৬টি স্বর্ণের ডিম!

পায়ুপথে কনডমে ঢুকিয়ে ৬টি স্বর্ণের ডিম নিয়ে দুবাই থেকে আসছিলেন চোরাকারবারিরা। স্বর্ণগুলো গোপন করে নিয়ে এলেও শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। ধরা পড়তে হলে বিমানবন্দর কাস্টমসের কাছে।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সন্দেহজনকভাবে তাদের আটকের পর দুজনকে বাথরুমে নিয়ে তাদের পায়ুপথ থেকে ডিমগুলো জব্দ করা হয়।

কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দার সহকারী কমিশনার সাজেদুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুবাই থেকে আসা বিমানের একটি ফ্লাইট থেকে চার স্বর্ণ চোকারবারিকে আটকের পর দুজনের কাছ ৬টি স্বর্ণের ডিম জব্দ করা হয়। যেগুলোর ভেতরে লিকুইড জাতীয় স্বর্ণ রয়েছে। আমরা সেগুলো উদ্ধার করে আমাদের হেফাজতে নিয়ে আসি।

এর আগে সকাল ৯টার দিকে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাই হতে আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট থেকে প্রায় ৩৪.৩৫১ কেজি ওজনের স্বর্ণের চালান উদ্ধার করা হয়। এসব স্বর্ণের বাজারমূল্য আনুমানিক ৩৪ কোটি টাকা।

সকাল ৯টায় দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে বিশাল এই স্বর্ণের চালান আটক করে বিমানবন্দর কাস্টমস ও গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে।

বিমানবন্দরে দায়িত্বরত গোয়েন্দা সূত্র জানায়, সকাল ৮টা ৫৭ মিনিটে ২৪০ জন যাত্রী নিয়ে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে দুবাই থেকে আসা বিজি-২৪৮ ফ্লাইট। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমানটিতে অভিযান চালায় বিমানবন্দর কাস্টমস ও গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই। অভিযানকালে যাত্রীর সিটের নিচ থেকে ১০ ইঞ্চি মাপের বড় স্কেল আদলের ৪টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। একেকটা স্কেলের ওজন আড়াই কেজির ওপরে। এ ছাড়া বাকি স্বর্ণ বিমানের ভেতরে ও ওয়াশরুমে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল। যেগুলোর মধ্যে ২৮০টি বার ও ৬টি ছিল বল আদলের।

এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে চারজনকে আটক করেছে বিমানবন্দর কাস্টমস। এদের মধ্যে দুজন দুবাই থেকে সিলেট হয়ে ঢাকার যাত্রী ও দুজন সিলেটের।

আটকরা হলেন, মৌলভীবাজার জেলার জুড়ি উপজেলার পশ্চিম বড়ধামাই নোয়াবাজার এলাকার মঈন উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, সিলেটের দক্ষিণ সুরমার ন’ভাগ কামালবাজার এলাকার ইরন মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ সানু মিয়া, হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার চানপুর গ্রামের মনোহর মিয়ার ছেলে মিসফা মিয়া ও একই উপজেলার সিকন্দরপুর এলাকার মো. আসকর মিয়ার ছেলে মো. আখতারুজ্জামান।

তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শুল্ক গোয়েন্দার সহকারী কমিশনার সাজেদুল করিম। এ ছাড়া উদ্ধারকৃত স্বর্ণ বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

শিক্ষা খাতে বাংলাদেশ-চীন সংযোগে বাড়বে কর্মসংস্থান ও পেশাগত সম্ভাবনা : মাহ্দী আমিন

শিক্ষা খাতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সংযোগ উভয় দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব, কর্মসংস্থানবিস্তারিত পড়ুন

নেপালকে সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস মোকাবিলায়বিস্তারিত পড়ুন

রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তিনি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালন ও রাষ্ট্রের কল্যাণেবিস্তারিত পড়ুন

  • নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ও জনআস্থা সমুন্নত রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
  • নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক
  • রাষ্ট্রীয় সম্পর্কের পাশাপাশি রাজনীতিতেও সুসম্পর্ক চায় চীন: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
  • সংসদে সরকারদলীয় এমপিদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
  • ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে শিক্ষার্থীরা নজরুলের গান গাইতে গাইতে রাস্তায় নেমেছিল: রুহুল কবির রিজভী
  • ইউপি দিয়ে শুরু হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন
  • বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী পাঠাবে সরকার
  • নেপালে বন্যায় বহু প্রাণহানি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শোক
  • দেশে নতুন কোনো শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হবে না: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
  • প্রধানমন্ত্রী ইসলামের আদর্শকে দেশে প্রতিষ্ঠিত করছেন: মঈন খান
  • বর্তমান সরকারের জন্য একটি ভিত্তি তৈরি করে দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার : সাবেক উপদেষ্টা
  • গত ছয় মাসে দায়েরকৃত ফৌজদারি মামলার প্রায় সব আসামি গ্রেপ্তার করা হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী