বুধবার, অক্টোবর ৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

পায়ুপথে ৬টি স্বর্ণের ডিম!

পায়ুপথে কনডমে ঢুকিয়ে ৬টি স্বর্ণের ডিম নিয়ে দুবাই থেকে আসছিলেন চোরাকারবারিরা। স্বর্ণগুলো গোপন করে নিয়ে এলেও শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। ধরা পড়তে হলে বিমানবন্দর কাস্টমসের কাছে।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সন্দেহজনকভাবে তাদের আটকের পর দুজনকে বাথরুমে নিয়ে তাদের পায়ুপথ থেকে ডিমগুলো জব্দ করা হয়।

কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দার সহকারী কমিশনার সাজেদুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুবাই থেকে আসা বিমানের একটি ফ্লাইট থেকে চার স্বর্ণ চোকারবারিকে আটকের পর দুজনের কাছ ৬টি স্বর্ণের ডিম জব্দ করা হয়। যেগুলোর ভেতরে লিকুইড জাতীয় স্বর্ণ রয়েছে। আমরা সেগুলো উদ্ধার করে আমাদের হেফাজতে নিয়ে আসি।

এর আগে সকাল ৯টার দিকে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাই হতে আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট থেকে প্রায় ৩৪.৩৫১ কেজি ওজনের স্বর্ণের চালান উদ্ধার করা হয়। এসব স্বর্ণের বাজারমূল্য আনুমানিক ৩৪ কোটি টাকা।

সকাল ৯টায় দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে বিশাল এই স্বর্ণের চালান আটক করে বিমানবন্দর কাস্টমস ও গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে।

বিমানবন্দরে দায়িত্বরত গোয়েন্দা সূত্র জানায়, সকাল ৮টা ৫৭ মিনিটে ২৪০ জন যাত্রী নিয়ে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে দুবাই থেকে আসা বিজি-২৪৮ ফ্লাইট। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমানটিতে অভিযান চালায় বিমানবন্দর কাস্টমস ও গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই। অভিযানকালে যাত্রীর সিটের নিচ থেকে ১০ ইঞ্চি মাপের বড় স্কেল আদলের ৪টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। একেকটা স্কেলের ওজন আড়াই কেজির ওপরে। এ ছাড়া বাকি স্বর্ণ বিমানের ভেতরে ও ওয়াশরুমে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল। যেগুলোর মধ্যে ২৮০টি বার ও ৬টি ছিল বল আদলের।

এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে চারজনকে আটক করেছে বিমানবন্দর কাস্টমস। এদের মধ্যে দুজন দুবাই থেকে সিলেট হয়ে ঢাকার যাত্রী ও দুজন সিলেটের।

আটকরা হলেন, মৌলভীবাজার জেলার জুড়ি উপজেলার পশ্চিম বড়ধামাই নোয়াবাজার এলাকার মঈন উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, সিলেটের দক্ষিণ সুরমার ন’ভাগ কামালবাজার এলাকার ইরন মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ সানু মিয়া, হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার চানপুর গ্রামের মনোহর মিয়ার ছেলে মিসফা মিয়া ও একই উপজেলার সিকন্দরপুর এলাকার মো. আসকর মিয়ার ছেলে মো. আখতারুজ্জামান।

তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শুল্ক গোয়েন্দার সহকারী কমিশনার সাজেদুল করিম। এ ছাড়া উদ্ধারকৃত স্বর্ণ বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

পোস্টাল ভোটিং শুরু করতে বাংলাদেশের সহায়তা নেবে নেপাল

নেপালের প্রাদেশিক নির্বাচনে পোস্টাল ভোটিং শুরু করতে বাংলাদেশের আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ভোটিংবিস্তারিত পড়ুন

রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ একনেকে ১৩ প্রকল্পের অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ১৬ হাজার ২০৭ কোটিবিস্তারিত পড়ুন

দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে মুক্তিযোদ্ধাদের নির্ভুল তালিকা করা হবে: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অমুক্তিযোদ্ধাদের অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ এবং ১৯৭১ সালের শহীদ ও বীরাঙ্গনাদের তালিকাবিস্তারিত পড়ুন

  • জামিন পেলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে: গাজী নজরুলের বিষয়ে বিচারক
  • ওসি রাকিবুলের ভাইরাল অডিওর কণ্ঠ নিশ্চিত, তথ্য পাচার নিয়ে তদন্ত: ডিবিপ্রধান
  • দিল্লিতে মোদি-ত্রিবেদীর বৈঠক ঘিরে নানা প্রশ্ন গুঞ্জন, আলোচনায় বাংলাদেশ
  • দুর্গাপূজার ছুটি পাবে না জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান
  • রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে পে-স্কেল কার্যকরের নির্দেশ
  • দুর্গোৎসবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য আওয়ামী লীগ ভারতে বসে ষড়যন্ত্র করছে: রাশেদ খাঁন
  • শিশুদের শৈশব হতে হবে নিরাপদ ও সুরক্ষিত: ডা. জুবাইদা রহমান
  • চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
  • প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান: মাহদী আমিন
  • জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী
  • আগামী বছর চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ৪টি নতুন বই: শিক্ষামন্ত্রী
  • রাষ্ট্রীয় সম্মানি পাবেন ২ লাখ ৫৬ হাজার ধর্মীয় ব্যক্তি