মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

মনিরামপুরের রাজগঞ্জ অঞ্চলে স্যালো মেশিনের পানি দিয়ে আমন রোপন

মনিরামপুরের রাজগঞ্জ অঞ্চলের চাষীরা আমন আবাদ করার জন্য জমি প্রস্তুত করতে গভীর নলকুপের পানি ব্যবহার করছেন। এই শ্রাবণ মাসেও বৃষ্টির পানির অভাবে চলতি আমন ধান রোপন মৌসুমে রাজগঞ্জ অঞ্চলের কৃষকরা নাজেহাল হয়ে পড়ছেন। আষাঢ়-শ্রাবণ মাসেও প্রয়োজন মতো বৃষ্টি না হওয়ায় ধানের চারা রোপন করতে পারছেন না। তাই বাধ্য হয়ে স্যালো মেশিন থেকে ঘন্টা চুক্তি পানি নিয়ে ধান রোপন করছেন তারা।

রাজগঞ্জ অঞ্চলের মাঠে মাঠে যেয়ে দেখা গেছে, কৃষকরা স্যালো মেশিনে পানি তুলে জমিতে দিচ্ছে। কৃষকরা বলেন, আমন চাষের এই ভর মৌসুমে কাংখিত বৃষ্টির দেখা নেই। যে টুকু বৃষ্টি হচ্ছে, তাতে জমি পাকানো যাচ্ছে না। তাই স্যালো মেশিনের উপর ভরসা করতে হচ্ছে। রাজগঞ্জ অঞ্চলের মাঠে মাঠে এই বর্ষা মৌসুমে গভীর এবং অগভীর নলকুপের সব গুলোই পুরোদমে চলছে।

কৃষি বিভাগ বলছে, বৃষ্টি কম হওয়ায় এই অঞ্চলের চাষীরা স্যালো মেশিনের পানি দিয়ে জমি পাকানোর কাজ করছে। তবে এখনও আমন মৌসুমের সময় আছে। আগামীতে বৃষ্টি হলে নেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

রাজগঞ্জের রোহিতা, খেদাপাড়া, হরিহরনগর, ঝাঁপা, চালুয়াহাটি ও মশ্বিমনগর এই ইউনিয়ন গুলোর মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, মাঠে ধান রোপণের জন্য পর্যাপ্ত পানি নেই। পানির জন্য স্যালো মেশিন চালিয়ে পানি তুলতে হচ্ছে। স্যালো মেশিন মালিকদের নিকট থেকে ১২০-১৬০ টাকা ঘন্টা চুক্তিতে পানি ক্রয় করতে হচ্ছে চাষীদের। ফলে কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
এক দিকে কৃষি পণ্যের দাম কম, তারপরও যদি শুরুতেই পানি ক্রয় করে ধান রোপন করতে হয় তাহলে কৃষকের লোকসানের পরিমাণটা অনেক গুন বৃদ্ধি পাবে বলে হতাশা প্রকাশ করেছেন কয়েকজন কৃষক।

কথা হয় ঝাঁপা ইউনিয়নের হানুয়ার গ্রামের কৃষক শাহাজান কবির সঙ্গে।
তিনি বলেন, কৃষক ধান চাষের মৌসুম পায় তিনটি। বোরো, আউস ও আমন। বোরো ধান চাষ করতে হয় শীতের সময়। তাই বোরো চাষ করতে হয় স্যালো ম্যাশিনের পানি দিয়ে। ফলে খরচ হয় অনেক বেশি। বৃষ্টি না হওয়ার কারণে আউস চাষ এখন আর হয় না। তাই লাভের আশা করতে হয় আমন চাষে। কিন্তু চলতি বছরে আষাঢ়-শ্রাবণ মাসেও কাংখিত বৃষ্টির দেখা নেই। ফলে ধান রোপণে খুব বিপদে আছি।

ঝাঁপা গ্রামের কৃষক আসমত আলীসহ কয়েকজন জানান, যদি পানি কিনে ধান রোপন করতে হয়, তাহলে কৃষকের লোকসানের পরিমাণ অনেক বেশি হবে।

এদিকে উপজেলা কৃষি অফিস বলছে, আকাশের পানি আর স্যালো মেশিনের পানির মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। তবে স্যালো মেশিনের পানি দিয়ে আমনের আবাদ করলে কৃষকের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

বেনাপোল বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম

“সবার আগে বাংলাদেশ” এই চেতনাকে ধারণ করে দেশের প্রতিটি স্থলবন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিবিস্তারিত পড়ুন

কেশবপুরে গভীর রাতে নির্মাণাধীন বাড়ির দেয়াল ভাঙচুর, সিমেন্ট-রড লুটের অভিযোগ

গভীর রাতে নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা চালিয়ে পাকা দেয়াল ভাঙচুর ও বিপুল পরিমাণবিস্তারিত পড়ুন

প্রবাসীর স্ত্রীকে গভীর রাতে ঘরে ঢুকে অশ্লীল আচরণের অভিযোগ

যশোরের শার্শায় গভীর রাতে বসতঘরে প্রবেশ করে এক মালয়েশিয়া প্রবাসীর স্ত্রীকে অশ্লীলবিস্তারিত পড়ুন

  • প্রেসক্লাব যশোরের নবনির্বাচিত কমিটিকে তালা প্রেসক্লাবের শুভেচ্ছা
  • মণিরামপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু : পরিবারকে ৫০ হাজার টাকার সহায়তা
  • যশোরের মাহিদিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নছিমন চালক নিহত
  • যশোরের রাজগঞ্জে ৪৫টি গাঁজা গাছসহ নারী গ্রেফতার
  • বাসি ও ছত্রাক ধরা মিষ্টি-দইয়ে সয়লাব রাজগঞ্জের ভাগ্যকূল মিষ্টান্ন ভান্ডার!
  • প্রতারণা মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ, ফের আদালতে মামলা দায়ের
  • পায়ের ওপর ট্রাক, তিন সন্তান ও বৃদ্ধা মাকে নিয়ে মানবেতর জীবন সাগরের
  • যশোরের রাজগঞ্জে ৫ম শ্রেণির ছাত্রীর মুখের কাছে কাগজ দিয়ে অজ্ঞান, অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ
  • যশোরের রাজগঞ্জে প্রক্রিয়াজাত শিশু খাবারের ছড়াছড়ি, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
  • মণিরামপুরে গরু চুরির হিড়িক, ১০ দিনে অন্তত ৩০ গরু চুরি
  • শার্শার বাগআঁচড়ায় বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষীকী সফল করতে আলোচনা সভা
  • মণিরামপুর ও রাজগঞ্জে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে ‘জেলি পুশ’ চিংড়ি