শনিবার, আগস্ট ১৩, ২০২২

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

৩ যুগ পর হারানো তালার একলিমার সন্ধান মিলল পাকিস্তানে

একলিমা বেগম (৬৫) সাতক্ষীরার তালা উপজেলার গঙ্গারামপুর গ্রামের মৃত ইসমাইল শেখের মেয়ে ও তিন সন্তানের জননী। স্বামীর মৃত্যুর পর মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন তিনি।

১৯৮১ সালের কোনো এক দিন হারিয়ে যান একলিমা বেগম। পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পাননি। অবশেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের কল্যাণে সন্ধান মিলছে তার। বর্তমানে তিনি পাকিস্তানে অবস্থান করছেন।

দীর্ঘ ৪১ বছর পর পাকিস্তানের শিয়ালকোটের দিলওয়ালীতে খোঁজ মিলেছে তার। কিভাবে তিনি সেখানে পৌঁছালেন সেটি বলতে পারছেন না তিনিসহ কেউই।
একলিমা শুধু মনে করতে পারছেন, তার বাবা-মাসহ ভাই ও তালার গঙ্গারামপুর গ্রামের নামটি।

পাকিস্তানের শিয়ালকোটের দিলওয়ালীতে পরিবারের সঙ্গে অবস্থানরত একলিমা মৃত্যুর আগে অত্যন্ত একবার নিজ মাতৃভূমিতে আসার ইচ্ছা পোষণ করেন। সেখানে তার পরিবারের সদস্যরা সেটি ভিডিও করে ফেসবুকে যশোরের একটি গ্রুপে পোস্ট করেন।

তাদের করা ভিডিওটি চোখে পড়ে একলিমা বেগমের বড় ভাই মৃত মকবুল শেখের ছেলে মো. জাকির শেখের। ভিডিওতে একলিমার বলা নামগুলো তার দাদা-বাবা ও চাচাদের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় তিনি বিষয়টি বাড়িতে আলোচনা করেন। ভিডিও দেখিয়ে নিশ্চিত হন, ভিডিওর একলিমা বেগমই তার হারিয়ে যাওয়া ফুফু। এরপর তারা পারিবারিকভাবেই ভিডিও কলে যোগাযোগ করেন একলিমার সঙ্গে।

একলিমা বেগমের ছোট ভাই ইব্রাহিম শেখ জানান, সেসময় আমাদের অনেক অভাব ছিল। তার স্বামী মারা গেলে সে যেন প্রায় পাগল হয়ে গিয়েছিল। পরে কীভাবে যে পাকিস্তানে চলে যায়, তা আমরা কেউই জানি না। কয়েকদিন আগে তার খোঁজ পেয়েছি। আমরা চাই সে ফিরে আসুক।

একলিমা বেগমের বড় ভাই মৃত মকবুল শেখের ছেলে জাকির শেখ বলেন, কিছু দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে ফুফু একলিমার খোঁজ পাই। তারপর থেকে তার সঙ্গে বাড়ির সবার নিয়মিত কথা হচ্ছে। তিনি আমাদের এখানে আসতে চান। এজন্য তাদের কাছে ইনভাইটেশন লেটার পাঠানো হয়েছে। এখন বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দূতাবাস সহযোগিতা করলে তিনি আসতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, ফুফুর সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, তিনি পাকিস্তানের একটি শেল্টার হোমে ছিলেন। সেখানে মুহাম্মদ সিদ্দিক নামে একজনের সঙ্গে তার পরিচয় হয় এবং পরে তারা বিয়ে করেন। মুহাম্মদ সিদ্দিক কয়েক বছর আগে মারা গিয়েছেন। সেখানে তাদের পরিবারে দুটি ছেলে এবং দুটি মেয়ে রয়েছে। আমরা চাই তারা এখানে বেড়াতে আসার সুযোগ পাক। এজন্য আমরা সব ধরনের চেষ্টা চালাচ্ছি।

একলিমা বেগমের প্রথম ঘরে এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। মেয়েদের বিয়ে হয়ে গেছে। ছেলে হেকমত আলী কাজ করেন ঢাকার একটি কারখানায়।
তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস বলেন, এটা খুব ভালো খবর, একলিমাকে দেশে আসার বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

ইউক্রেন শীতের আগেই যুদ্ধ শেষ করার কৌশল নিয়েছে

ইউক্রেন শীতের মৌসুম আসার আগেই রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধ শেষ করার কৌশলবিস্তারিত পড়ুন

তিন দশক আগে ধর্ষণের শিকারে সন্তান জন্ম, সেই সন্তানের অনুপ্রেরণায় বিচার চেয়ে আদালতে মা!

তিন দশক আগে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন এক ভারতীয় নারী। প্রতিবেশী দুই ভাইবিস্তারিত পড়ুন

‘মোটা’ বলায় ইকোনমিস্ট পত্রিকার বিরুদ্ধে অভিনেত্রীর মামলা

পুরুষদের তুলনায় নারীদের ‘মোটা’ হওয়া নিয়ে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করে যুক্তরাজ্যের ইকোনমিস্টবিস্তারিত পড়ুন

  • নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে বিশ্বে বাংলাদেশ রোল মডেল: স্পিকার
  • নরেন্দ্র মোদীর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় আড়াই কোটি, তবু বললেন ‘আমি গরিব মানুষ’
  • ইমরান খানের বাড়ির সামনে পুলিশি পাহারা, ঘনিষ্ঠ সহযোগী গ্রেফতার
  • আত্মঘাতী হামলায় ৪ সেনা নিহত হয়েছে পাকিস্তানের
  • এক আংটিতে ২৪ হাজার ৬৭৯ হীরা, বিশ্ব রেকর্ড
  • আকাশে ভেসে বেড়াবে বিলাসবহুল হোটেল? (ভিডিও)
  • মরা মশায় চোর শনাক্ত
  • ৩৯ বার ব্যর্থ, ৪০তম চেষ্টায় গুগলে চাকরি!
  • করোনা: বিশ্বজুড়ে দৈনিক মৃত্যু বেড়েছে
  • ট্রাম্পের বাড়িতে এফবিআইয়ের হানা
  • গাজায় হামলা বন্ধে ব্যবস্থা নিন, বিশ্ববাসীকে আহ্বান বাংলাদেশের
  • ১০ কোটি বছর আগের ডাইনোসরের পায়ের ছাপের সন্ধান