সোমবার, আগস্ট ৩, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

৪৮ ঘণ্টায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যত মামলা

গত ৫ আগস্ট দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকেই আলোচনায় আসে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যাসহ নানা অপরাধের বিষয়। এরই মধ্যে মঙ্গলবার শেখ হাসিনাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মুদি দোকানদার আবু সায়েদকে হত্যার অভিযোগে মামলা হয়। তার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আরও ৩টি মামলা দায়ের হয় শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সোহেল রানাকে ছয় মাস তিন দিন গুমের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে বুধবার মামলা করেছেন ভুক্তভোগী নিজেই।

একই দিন দুপুরে শেখ হাসিনার নামে আরও একটি হত্যা মামলা হয়েছে ঢাকার সিএমএম আদালতে। ছাত্র আন্দোলন চলাকালে মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বর এলাকায় ঢাকা মডেল ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ফয়জুল ইসলাম রাজনকে হত্যার দায়ে এ হত্যা মামলাটি দায়ের করা হয়।

এদিন দুপুরে শেখ হাসিনাসহ নয়জন এবং আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে তদন্তের আবেদন করা হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত নবম শ্রেণীর ছাত্র আরিফ আহমেদ সিয়ামের বাবা বুলবুল কবির বুধবার ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় এই আবেদনটি করেছেন।

এ আবেদনে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের সমূলে নির্মূল করার হীন উদ্দেশ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলন প্রতিহত করার জন্য উসকানিমূলক বক্তব্য দেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আওয়ামী-লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূল করার নির্দেশনা দেন।

এতে বলা হয়, শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের এবং অন্য আসামিদের নির্দেশে আওয়ামী-লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ সময় দেশব্যাপী আন্দোলনরত সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের উপর আগ্নেয় এবং দেশীয় অস্ত্রসশ্ত্র নিয়ে হামলা করে। তাদের নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে। এবং কুপিয়ে ও পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংগঠন করে।

১৫ই জুলাই থেকে ৫ই আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশব্যাপী কমপক্ষে ৪৩৯ জন শিক্ষার্থী হত্যা করা হয় বলে এই আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সিয়ামের বাবার করা আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ৫ই অাগস্ট আরিফ আহমেদ সিয়াম সাভারে আন্দোলনরত অবস্থায় পুলিশের গুলিতে আহত হয়। পরে ৭ই অাগস্ট মারা যায় সিয়াম।

আবেদনটিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, শেখ হাসিনাসহ নয় জন আসামির নির্দেশে ও পরিকল্পনায় সারাদেশে ২৮৬ টি মিথ্যা মামলায় সাড়ে চার লাখ আন্দোলনরত ছাত্র-জনতাকে আসামি করা হয়।

এর মধ্যে বারো হাজার আন্দোলনকারীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে রেখে তাদের মারাত্মক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয় বলে আবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সব কার্যক্রমের মাধ্যমে সব আসামি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনানুযায়ী গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংগঠন করেছেন বলে দাবি করায় আবেদনটিতে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

গণতন্ত্র যদি চলে, তবে বাকি কাজগুলো হয়ে যায়: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বাংলাদেশে দীর্ঘবিস্তারিত পড়ুন

বিগত ফ্যাসিবাদের দেখানো পথেই হাঁটছে সরকার: জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ১৭ বছর ধরে বিরোধীবিস্তারিত পড়ুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তিন পার্বত্য জেলায় এনসিপির প্রার্থী থাকবে: নাহিদ ইসলাম

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তিন পার্বত্য জেলার সবকটিতেই জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)বিস্তারিত পড়ুন

  • যত দিন জামায়াতে ইসলামী থাকবে, তত দিন আওয়ামী লীগও থাকবে: ফরহাদ মজহার
  • রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী নির্ধারণের দায়িত্ব তারেক রহমানকে দিলো বিএনপি
  • চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর
  • সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী
  • কোনো নির্দিষ্ট দলের পকেটে গেলে তাদের অপকর্মের দায় সংখ্যালঘুদের নিতে হয়: নাহিদ ইসলাম
  • একাত্তর ও চব্বিশ কোনোটিকেই বিএনপি ছোট করে দেখে না : মির্জা ফখরুল
  • এমপি​ হিসেবে সরোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই: আপিল বিভাগ
  • বিএনপি-এনসিপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি
  • ‘রাত ১২টায় পুকুরপাড়ে দেখা করলে মিলবে ফ্যামিলি কার্ড’ বিএনপি নেতার প্রস্তাব
  • চলতি বছরেই শুরু স্থানীয় সরকার নির্বাচন: তথ্য উপদেষ্টা
  • দেশের সব আন্দোলনে সবচেয়ে বড় অবদান ছিল জবির, অথচ তারা মূল্যায়ন পায়নি
  • আমি দেশে ফিরলে ঢাকা শহর অচল হয়ে যাবে: সাকিব আল হাসান