বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

৭০ গুমের অভিযোগ জাতিসংঘ নিজে তদন্ত করে না কেন, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশে গুম নিয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের অভিযোগ প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অহেতুক মিথ্যা অপবাদ দেওয়া কখনো গ্রহণযোগ্য না।

শনিবার ভয়েস অব আমেরিকা সাক্ষাৎকারটি প্রচার করে। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন ভয়েস অব আমেরিকার সাংবাদিক শতরূপা বড়ুয়া।

বাংলাদেশের মানবাধিকার বিষয়ে আরেকটি উদ্বেগের কারণ হচ্ছে গুমের ঘটনা এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন বহুবার এটা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এ বছরের জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদনের বাংলাদেশ অংশে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশ সরকারের কাছে ৮৮টি গুমের অভিযোগের প্রকৃত অবস্থা জানতে চাওয়া হয়েছিল এবং তার জবাবে পাঁচজন আটক ও ১০ জন মুক্ত অবস্থায় আছেন বলে বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে। বাকি ৭০টি ঘটনার কোনো নিষ্পত্তি হয়নি, বলেছে জাতিসংঘ। এই ৭০টি ঘটনার ব্যাপারে আপনারা জাতিসংঘকে কিছু জানাচ্ছেন না কেন বা কবে নাগাদ জানাবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, এ রকম অভিযোগ অনেকে অনেক কিছু দেয় কিন্তু তার কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি। কোনো নাম দিতে পারে না, কোনো কিছুই দিতে পারে না।

শেখ হাসিনা বলেন, অনেক সময় দেখা যায়, বলা হচ্ছে অমুক লোক নাই কিন্তু তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে। সে ঠিকই জীবিত আছে। আবার কেউ অনেক সময় নিজেরাই পালায়। অনেক সময় ধার-কর্য করে নিজেরাই লুকিয়ে পড়ে; সে ধরনের ঘটনাও আছে। প্রত্যেকটা কিন্তু খোঁজ করে বের করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, যেখানে এতগুলো নাম দেওয়া হলো, তার মধ্যে কয়েকটা ঘটনাই পাওয়া গেছে সত্য। সেগুলোর সম্পর্কে ঠিকই রিপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। আর রিপোর্ট দেওয়া হলো না কেন নিজেরা তারা তদন্ত করে দেখুক। নিজেরা তদন্ত করে না কেন, সেটাই তো আমার প্রশ্ন। সেটা করুক।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা হত্যাকারী, খুনী বা বোমা হামলাকারী, গ্রেনেড হামলাকারী অগ্নিসন্ত্রাসী—কই তাদের ব্যাপারে তো কোনো কথা নেই! যখন এই বাংলাদেশে জীবন্ত মানুষ পুড়িয়ে পুড়িয়ে মারতো, সে সময় তো এই মানবাধিকার সংস্থাগুলো তেমন কোনো সোচ্চার হয়নি! তিন হাজার ২২৫ জন মানুষকে পোড়ানো হয়েছে। ৫০০ এর মতো মানুষ শুধু পুড়েই মারা গেছে। তিন হাজার ৮০০ এর উপরে গাড়ি পোড়ানো হয়েছে। তখন এই মানবাধিকারের চেতনাটা ছিল কোথায়? সেটা আমার প্রশ্ন।

তিনি আরও বলেন, যখনই মানুষ খেয়ে পরে একটু ভালো থাকবে, তখনই এ ধরনের প্রশ্ন উঠবে; তো কাদের মানবাধিকার? যারা মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী, মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীর মানবাধিকার নিয়েই তারা চিন্তিত। আমরা যারা আমাদের আপনজন হারিয়েছি, আমাদের মানবাধিকার নেই বা আমার মতো যারা আপনজন হারিয়েছে তাদের মানবাধিকার নেই? সে ব্যাপারে কথা নেই। একটা অদ্ভুত একেকটা রিপোর্ট তৈরি করে দিলেই তো হলো না! সত্যতা যাচাই করে নিক তারা, বের করুক।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ যেটা দিচ্ছে, ঠিক মতোনই দিচ্ছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যেটুকু রিপ্লাই দেওয়ার, আমরা দিয়ে দিচ্ছি। কিন্তু অহেতুক মিথ্যা অপবাদ দেওয়াটা, এটা কখনো গ্রহণযোগ্য না।

একই রকম সংবাদ সমূহ

তরুণদের ২০ লাখ টাকা ঋণ: আবেদন যেভাবে, ফরম পাবেন যেখানে

তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরওবিস্তারিত পড়ুন

বছরে ৫ হাজার তরুণকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হবে: মাহদী আমিন

তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের আওতায় গঠিত স্টার্টআপ তহবিল থেকে প্রতি বছরবিস্তারিত পড়ুন

‘পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের ফের‌তের বিষ‌য়ে ভারত সুনির্দিষ্ট জবাব দেয়‌নি’ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ভারতে পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।বিস্তারিত পড়ুন

  • জেলা পর্যায়েও সাইবার ইউনিট গঠন করবে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ভারত চক্রান্ত করছে: রিজভী
  • জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক হলেন এহসান মাহমুদ
  • দিল্লির হাইকমিশনারের অনুমোদন: আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের জন্য অপেক্ষায় থাকতে বললেন শামা ওবায়েদ
  • পবিত্র মক্কা শরিফে ড্রোন হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা
  • তথ্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
  • একনেকে ৩ মেট্রোরেলসহ ১২ প্রকল্প অনুমোদন
  • পুলিশ ও গণমাধ্যম পরস্পরের বন্ধু: ডিএমপি কমিশনার
  • পুলিশের পূর্ণাঙ্গ সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট করার পরিকল্পনা চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • ৮ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ
  • শহীদ দুই সেনাসদস্যদের পরিবারের পাশে প্রধানমন্ত্রী
  • ইউপি ভোট নিয়ে ইসির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ১৭ সেপ্টেম্বর