শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

আয়ারল্যান্ডকে একীভূত করার পক্ষে ট্রাম্প, ক্ষুব্ধ যুক্তরাজ্য

ডাবলিন সফরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়ারল্যান্ডকে একীভূত করার পক্ষে মন্তব্য করেছেন। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিনের সঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, আয়ারল্যান্ড যদি এক হয়ে যায়, সেটা হবে চমৎকার একটা বিষয়।

ট্রাম্প বলেন, আমি কোনো ঝামেলা তৈরি করতে চাই না। কিন্তু আপনাদের বলছি, আমি আয়ারল্যান্ডকে একীভূত দেখতে চাই। একদিন না একদিন এটা হবেই… আমার মনে হয়, এটা খুবই সুন্দর একটা ব্যাপার হবে।

প্রধানমন্ত্রী মার্টিন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ট্রাম্পের কথা শুনেও তিনি নীরব থাকেন।

লন্ডনে অবশ্য এ মন্তব্য ভালো লাগেনি। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের মুখপাত্র জানিয়েছেন, আয়ারল্যান্ড একীভূত হওয়ার প্রশ্নে বার্নহামের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

এর আগে বুধবার পার্লামেন্টে উত্তর আয়ারল্যান্ডে গণভোটের সম্ভাবনা নিয়ে বার্নহাম বলেছিলেন, এমন কোনো তথ্য তার কাছে নেই যেখানে দেখা যায়, সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ আরও একটা গণভোট চায়। পরিস্থিতি না বদলালে কোনো গণভোট হবে না।

১৯৯৮ সালের গুড ফ্রাইডে চুক্তি অনুযায়ী উত্তর আয়ারল্যান্ড যুক্তরাজ্য থেকে বেরিয়ে যাবে কি না, সেই সিদ্ধান্তের গণভোট ডাকার ক্ষমতা ব্রিটিশ সরকারের হাতেই রয়েছে। ওই চুক্তির মাধ্যমেই ‘দ্য ট্রাবলস’ নামের প্রায় তিন দশকের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটেছিল।

উত্তর আয়ারল্যান্ডের প্রধান ইউনিয়নিস্ট দল ডিইউপির নেতা গ্যাভিন রবিনসন স্পষ্ট করে বলেছেন, উত্তর আয়ারল্যান্ডের ভবিষ্যৎ ট্রাম্প ঠিক করবেন না। সেখানকার জনগণই ঠিক করবে। তিনি যোগ করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেও জানেন নির্বাচন কতটা গুরুত্বপূর্ণ। লন্ডন, ডাবলিন বা ওয়াশিংটনের কোনো কথার ওপর নির্ভর করে এ সিদ্ধান্ত হবে না।

জনমত জরিপগুলোতে এখনো অধিকাংশ মানুষ যুক্তরাজ্যের সঙ্গে থাকার পক্ষে থাকলেও ব্যবধান কমছে। বিশেষ করে ব্রিটেনের ইইউ ত্যাগের পর একীভূত আয়ারল্যান্ডের আলোচনা আবার জোরালো হয়েছে।

সফরে ট্রাম্প আয়ারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ক্যাথরিন কনলির সঙ্গেও দেখা করেন। ২০১৯ সালে ট্রাম্প যখন আয়ারল্যান্ডে এসেছিলেন, তখন শ্যানন বিমানবন্দরে কনলি তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছিলেন। এবারও ট্রাম্পের সফরকে ঘিরে ডাবলিনে যুদ্ধবিরোধী ও ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে। অনেকে মার্কিন সামরিক নীতি, আয়ারল্যান্ডের নিরপেক্ষতা এবং গাজায় ইসরাইলের প্রতি ট্রাম্পের সমর্থন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সফরের নিরাপত্তায় বিপুল অর্থ ব্যয় নিয়েও সমালোচনা হয়েছে।

সূত্র: আলজাজিরা

একই রকম সংবাদ সমূহ

সৌদি আরবে হামলার তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের

সৌদি আরবে একাধিক হুথি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। এসব হামলার মধ্যেবিস্তারিত পড়ুন

বাণিজ্য কূটনীতির লক্ষ্য নিয়ে ভারতে পৌঁছেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও

এশিয়া সফরের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার ভারতে পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। এবিস্তারিত পড়ুন

উত্তাল ফ্রান্স, বিভিন্ন শহরে ‘কারফিউ’ জারি

চলমান দাঙ্গা ও লুটপাটের ঘটনার পর রাজধানী প্যারিসের কেন্দ্রীয় অংশসহ বিভিন্ন শহরেবিস্তারিত পড়ুন

  • দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
  • সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড : নজরুল-সুইটির সম্পর্ক নিয়ে যা জানালো পরিবার
  • আগামী ১ এপ্রিল থেকে জাপানে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু
  • বিশ্বে বছরে নষ্ট হয় ১০৫ কোটি টন খাবার, সবচেয়ে বেশি খাবার নষ্ট করে মালদ্বীপ
  • ড. ইউনূসকে ‘হিলারি ক্লিনটন অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান, দাঁড়িয়ে সম্মান জানালেন ৪০০ অতিথি
  • পাকিস্তানের করাচিতে জরুরি অবস্থা ও গভর্নর শাসন জারি
  • কলারোয়ায় সুপেয় পানির পয়েন্ট উদ্বোধন ও ডিজিটাল পানির বিলিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত”
  • অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন মাইকেল উডফোর্ড ও রবার্ট হল
  • রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা, আহত ৪ বাংলাদেশি আইসিইউতে
  • সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলার কঠোর নিন্দা জানাল বাংলাদেশ
  • নিদালের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করবে যুক্তরাষ্ট্র, কেন এমন সিদ্ধান্ত?
  • গাজাবাসীদের পক্ষে লড়াই করা শান্তিতে নোবেলজয়ী কে এই নাভি পিল্লাই