বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না মানুষের চলাচল

দিন দিন করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজধানীর সঙ্গে সারা দেশের সব ধরনের পরিবহন যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

তবে যাত্রীবাহী পরিবহন ঢাকায় প্রবেশ ও বের হতে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও জেলার সীমান্ত পর্যন্ত বাসগুলো যাত্রী নামিয়ে দেয়ায় হেঁটে বা বিকল্প উপায়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন সবাই। করোনা সংক্রমণ ভয়ের চেয়ে নিজেদের প্রয়োজনকেই সামনে আনছেন বেশিরভাগ মানুষ।

এদিকে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস ও মিনিবাসে করেও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামনেই দূরের যাতায়াত চলছে। উপায় না পেয়ে কয়েকগুণ বাড়তি ভাড়ায় এসব যানবাহনে গন্তব্যে যাচ্ছে যাত্রীরা।

শুক্রবার (২৫ জুন) ছুটির দিন সরকারের বিধি নিষেধ উপেক্ষা করে রাজধানীর গাবতলী-আমিনবাজার এলাকায় দলে দলে মানুষকে ঢাকা ছাড়তে এবং ঢাকায় প্রবেশ করতে দেখা যায়।

সংক্রমণ রোধে রাজধানীর সাথে গণপরিবহনের চলাচলে নিয়ন্ত্রণ করার কারণে এরকম অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তাই বিভিন্ন প্রয়োজনে এবং গন্তব্যে মানুষ এভাবেই বিকল্প উপায়ে চলাচল করছেন। অনেক সচেতন মানুষ জানান সর্বাত্মক লকডাউন ছাড়া এভাবে মানুষ চলাচলে করোনা সংক্রমণ বাড়ার সম্ভাবনাই বেশি।

সরজমিনে দেখা যায় সাভার বা বিভিন্ন জেলা থেকে বাস এসে আমিন বাজারে যাত্রী নামিয়ে ইউটার্ন করে ঢাকার যাত্রী নিয়ে আবার ফিরে যাচ্ছে সেইসব জেলায়। সেই সাথে গাবতলীতে যাত্রী নামিয়ে ইউটার্ন নিয়ে ঢাকার বাইরে থেকে আসা যাত্রী নিয়ে বাসগুলো ছুটছে গন্তব্যে যাচ্ছে।

এদিকে ব্রিজের ওপরে মাইক্রো ও ট্যাক্সিক্যাব দাঁড় করিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যের জন্য যাত্রী তুলতে দেখা গেছে চালকদের। এসব মাইক্রো আর ট্যাক্সি যাচ্ছে ঢাকার আশেপাশের ও দিনাজপুর-রংপুরের মতো লকডাউন ঘোষিত এলাকায়।

ঢাকা ছাড়ার ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি বিপদে ও ভোগান্তিতে পড়েছেন উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকার আশেপাশের জেলাগুলোতে দিন মজুর আর রিকশা চালানোর কাজে আসা শ্রমিকরা।

রিকশাচালক তাহের বলেন, জয়পুরহাট থেকে নারায়ণগঞ্জে রিকশা চালানোর জন্য আসছিলাম মাস খানেক আগে। কিন্তু এখন লকডাউন সেজন্য বাড়ি যাচ্ছি। পরে যদি যাইতে না পারি। বাড়িতে যাইতে পারলে ওখানে তাও কিছু কাজ যোগার করতে পারবো। পরিবারকে না খায়ে থাকা লাগবে না। এখন হাটতিছি দেখি সামনে দেখি কোনো বাস ট্রাকে উঠতে পারলে চলে যাবো।

রংপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে আসা সোহেল জানান, দীর্ঘ কয়েক ঘন্টা জার্নি করে গাবতলি এসে পৌঁছেছেন। গন্তব্য মুনসিগঞ্জ।

দীর্ঘ ভ্রমণের ধকল আর ভোগান্তিতে ক্লান্ত সোহেল তখনও পরিবহনের খোঁজে এদিক সেদিক ছুটছে। এই নানামুখী ভোগান্তীর শেষ কোথায় তার জানা নেই।

গাবতলী পুলিশ চেকপোস্টে দায়ীত্বরত দারুস সালাম থানার উপ-পরিদর্শক নাজমুল ইসলাম বলেন, যেসব পরিবহন ঢাকার বাইরে যাচ্ছে ও প্রবেশ করছে আমরা চালেকদের জিজ্ঞাসা করছি। কিন্তু হাসপাতাল, রোগী বা চাকরির মতো বিষয়গুলোর কথা বলে প্রবেশ ও বের হচ্ছেন। তবুও আমরা এসব যাত্রীদের লকডাউন চলছে এমন এলাকায় যেতে নিরুৎসাহিত করছি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাড়ে ছয় বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৭,৯৬৩ শিশুর

২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাড়ে ছয় বছরে সারা দেশেবিস্তারিত পড়ুন

ধর্ম যার যার, পরিচয় আমরা সবাই বাংলাদেশি : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা যে যেই ধর্মেরই হই না কেন, ধর্মবিস্তারিত পড়ুন

মানিকগঞ্জে ১২ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন খাদ্যমন্ত্রী

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ১২টি দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয়বিস্তারিত পড়ুন

  • চট্টগ্রামের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর
  • নাটোরে পণ্য কিনতে গিয়ে সড়কে প্রাণ গেল শরীয়তপুরের পাঁচ ব্যবসায়ীর
  • ইশরাকের হাতে অস্ত্রটা না থাকলে ভালো হতো, কাজকে নেগেটিভ বলার সুযোগ নেই: জামায়াত আমির
  • রাজশাহীতে আখচাষীদের ১২ কোটি টাকা প্রণোদনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
  • যশোরের রাজগঞ্জে বিষপানের পর বাঁওড়ে ঝাঁপ, যুবকের মৃত্যু
  • সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড : নজরুল-সুইটির সম্পর্ক নিয়ে যা জানালো পরিবার
  • কক্সবাজারের রিসোর্টে আগুন, দুই মেয়েসহ যশোরের দম্পতির মৃত্যু
  • মোটরসাইকেল চালকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা
  • জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী
  • ৭ জানুয়ারি শুরু অমর একুশে বইমেলা
  • সেনাসদস্যদের জন্য ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পেনশন’ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন: প্রধানমন্ত্রী
  • বর্জ্যের পাহাড়কে সবুজে বদলে দেওয়ার উদ্যোগ: ডিসি ফরিদার প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী