বৃহস্পতিবার, জুন ৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

দুই হাত নেই, তাতে কী? থেমে নেই লেখাপড়া

বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে দুহাত হারানো ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র হোসেনের লেখাপড়া থেমে থাকেনি। দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে ডান পা দিয়ে লিখে শিক্ষাজীবন চালিয়ে যাচ্ছে। বড় হয়ে সে চাকরি করতে চায়। এ ছাড়া কৃত্রিম দুটি হাত হলে সে তার নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ নিজেই করতে পারবে এমন আশা ব্যক্ত করেছেন তার পিতামাতা।

জানা যায়, গত ২০১৫ সালে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার চরকচ্ছপিয়া গণস্বাস্থ্য পাঠশালায় প্রথম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত মো. হোসেন (১৩)।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের দোতলা নির্মাণাধীন ভবনে উঠে খেলাধুলা করার একপর্যায়ে নির্মাণাধীন ভবনের পাশে অরক্ষিত বৈদ্যুতিক খুঁটির ১১ হাজার ভোল্টের তারের সঙ্গে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পর্শ হলে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকায় চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলে তার জীবন রক্ষার্থে দুহাত হারাতে হয়। সে বর্তমানে উত্তর চরমানিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।

দুহাত না থাকলেও থেমে নেই তার পড়ালেখা। তার জীবনের লক্ষ্য একটি চাকরি করা। হোসেন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার চরমানিকা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড চার্চ কলোনিতে বসবাসরত দরিদ্র কৃষক শাহাবউদ্দিন ও রহিমা বেগমের ছেলে। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট সে।

হোসেনের মা রহিমা বেগম বলেন, প্রাইমারি স্কুল থেকে পঞ্চম শ্রেণি পাস করলে তাকে যখন হাইস্কুলে ভর্তি করাতে নিয়ে গেলাম। তখন স্কুলের প্রধান শিক্ষক হোসেনকে ভর্তি করতে চাননি। যার হাত নেই, সে লিখবে কীভাবে এই প্রশ্ন করে প্রধান। হোসেন পা দিয়ে লিখে পঞ্চম শ্রেণি পাস করেছে অনুরোধ করলে পরে স্কুলে ভর্তি করান। আমার ছেলে হোসেন খুব মেধাবী এবং বর্তমানে পড়াশোনা করতে আগ্রহী।

তিনি আরও জানান, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নির্মাণাধীন দোতলা ভবনের অরক্ষিত বৈদ্যুতিক তার জড়িয়ে দুহাত হারালেও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষ কোনো খোঁজখবর নেয়নি এবং অদ্যাবধি পর্যন্ত কোনো অনুদান দেয়নি। হোসেনের দুর্ঘটনার পর ভবনের ছাদে ওঠার নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

হোসেন জানায়, বাবা-মা ও শিক্ষকদের অনুপ্রেরণায় আমি পড়াশোনা করতে পারছি।

হোসেনের বাবা শাহাবুউদ্দিন জানান, হোসেনের এ দুর্ঘটনায় আমার প্রায় ৮ থেকে ৯ লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে। বর্তমানে আমি শূন্য, ওরা পাঁচ ভাইবোন অভাবের সংসারে ওদের পড়াশোনা করানোর খরচ জোগাতে অনেক কষ্ট হয়ে যায়। উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে যদি কৃত্রিম হাত লাগানো যেত তা হলে প্রতিভাবান হোসেন ফিরে পেত আগের মতো স্বাভাবিক জীবন। অন্যদিকে সরকারের কাছে সহায়তার জন্য এমনটাই আশা করছে হোসেনের দরিদ্র পরিবার।

উত্তর চরমানিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল আমিন জানান, হোসেন মেধাবী ও প্রতিভাবান। পা দিয়ে লিখলেও অনেকের চেয়ে হাতের লেখা সুন্দর। আমাদের বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক হোসেনের প্রতি আন্তরিক।

একই রকম সংবাদ সমূহ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে আ.লীগের উত্থাপিত প্রশ্ন নাকচ জাতিসংঘের

বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যের ওপর পূর্ণ আস্থাবিস্তারিত পড়ুন

ডিএনডি বাঁধ নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) বাঁধবিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩বিস্তারিত পড়ুন

বাড়ছে মেট্রোরেল চলাচলের সময়

যাত্রীদের বাড়তি চাপ ও চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে মেট্রোরেলের চলাচলের সময় ২০ মিনিটবিস্তারিত পড়ুন

  • সংসদ সদস্যদের ‘কার্যপ্রণালি বিধি ওরিয়েন্টেশন’ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
  • পদত্যাগ ইস্যুতে নিজের অবস্থান তুলে ধরলেন দীপেন দেওয়ান
  • জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কাজ কী?
  • এখনও দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চলছে: মির্জা ফখরুল
  • প্রতিটি মানুষের কথা চিন্তা করেই হচ্ছে আগামীর বাজেট: অর্থমন্ত্রী
  • মায়ের প্রতি অবহেলা: শাস্তি পাবেন সেই যুগ্ম সচিব
  • বেতন দ্বিগুণের পথে, নতুন পে-স্কেল নিয়ে জোর প্রস্তুতি
  • বিশ্বকাপ ফুটবলের সম্প্রচার করতে পারে বিটিভি
  • বিদ্যুতের দাম বাড়লো
  • আরেকটা দেশের পরাজিত নেতার কথা আমাদের আলোচনার বিষয় নয়
  • অবশেষে বিশ্বকাপ সম্প্রচার নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য মিললো বড় সুখবর
  • জ্বালানি তেল সাশ্রয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা