সোমবার, আগস্ট ২৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টার আলোচনায় সংসদের খরচ ৮২ কোটি টাকা!

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের দেওয়া ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। দীর্ঘ এই আলোচনায় সংসদের খরচ হতে পারে ৮১ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এই খরচে সংসদ সদস্যদের পারিশ্রমিক, কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা, বিল-ভাড়া, বিদ্যুৎ, পানি, নিরাপত্তা ও অন্যান্য পরিচালন‌ ব্যয় অন্তর্ভুক্ত থাকে।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) রিপোর্ট অনুযায়ী, ১১তম সংসদের প্রথম ২২ অধিবেশনের (জানুয়ারি ২০১৯ থেকে এপ্রিল ২০২৩ পর্যন্ত) পর্যালোচনায় দেখা যায়, সংসদীয় কার্যক্রমে প্রতি মিনিটে ব্যয় হয় গড়ে ২ লাখ ৭২ হাজার ৩৬৪ টাকা। দ্বাদশ সংসদের খরচের পরিসংখ্যান জানা যায়নি।

একাদশ জাতীয় সংসদের পরিসংখ্যান ধরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনায় রাষ্ট্রের মোট ব্যয় হবে ৮১ কোটি ৭০ লাখ ৯২ হাজার টাকা।

একেকজন সংসদ সদস্য ১২ মিনিট করে বক্তব্য রাখলে সর্বোচ্চ প্রায় ১২০০ শব্দ উচ্চারণ করতে পারবেন। সংশ্লিষ্টরা প্রশ্ন তুলেছেন, যে ভাষণ নিয়ে সংসদে আপত্তির ঝড় উঠেছে, তার ওপর এত দীর্ঘ আলোচনা ও ব্যয় কতটুকু যৌক্তিক।

বিরোধী দলের প্রতিক্রিয়া

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতি বিগত দিনে ফ্যাসিস্টদের দোসর ছিলেন। তাই উদ্বোধনী অধিবেশনে তার ভাষণের সময় আমরা প্রতিবাদ জানিয়েছি। কার্য উপদেষ্টা বৈঠকে তার ভাষণের ওপর আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আমরা মনে করি, রেওয়াজের দোহাই দিয়ে ফ্যাসিস্টকে নরমালাইজ করার অপচেষ্টা চলছে।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতির ভাষণকে ধন্যবাদ দেওয়ার কিছু নেই। আলোচনায় অংশ নিলেও আমরা ফ্যাসিবাদের সব অপকর্ম তুলে ধরব।

আইনি প্রেক্ষাপট

সংবিধানের ৭৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বছরের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সাধারণ আলোচনা ও ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা আলোচনায় অংশ নেন, যেখানে সাধারণত সরকারের নীতি, কর্মপরিকল্পনা ও বিভিন্ন খাতের সাফল্য-ব্যর্থতা তুলে ধরা হয়।

উল্লেখ্য, ১২ মার্চ উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দিতে দাঁড়ালে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা তাকে ‘জুলাইয়ের গাদ্দার’ আখ্যা দিয়ে প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দেন। রাষ্ট্রপতি বক্তব্য শুরু করলে বিরোধী সদস্যরা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন ও স্লোগান দিতে দিতে কক্ষ ত্যাগ করেন। হট্টগোলের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি তার ভাষণ শেষ করেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

রাজধানীর আরও ৫০টি ট্রাফিক সিগনাল পয়েন্টে বসছে এআই ক্যামেরা

রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ঢাকার ১৩টি পয়েন্টে বসানো হয় সেমি অটোমেটেডবিস্তারিত পড়ুন

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হুমায়ুন কবির ও শামা ওবায়েদের দায়িত্ব বণ্টন

হুমায়ুন কবির ও শামা ওবায়েদের মধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়াবিস্তারিত পড়ুন

গুম-খুন-নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি-পরিবারের জন্য হচ্ছে অধিদপ্তর

গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কল্যাণ,বিস্তারিত পড়ুন

  • বঙ্গভবনে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু
  • স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে একসঙ্গে কাজ করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর আহ্বান
  • স্থানীয় সরকার নির্বাচন সাংবিধানিক নিয়ম মেনেই হবে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
  • ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে প্রথমবার নয়াপল্টনে রিজভী
  • দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা: এলজিআরডি মন্ত্রী
  • রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • সংবাদ মাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয়, সহযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে নিতে চাই : আন্দালিভ রহমান
  • বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার প্রদান
  • এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির আবেদন শুরু, মানতে হবে ১৪ দফা নির্দেশনা
  • শাহজালালে ৭ কেজি কুশ জব্দ, গ্রেফতার ভারতীয় নাগরিক
  • ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম গড়তে পাইলট প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • জহির উদ্দিন স্বপনের পদত্যাগ, হলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা