বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

শার্শায় প্রশাসনের নাকের ডগায় নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বেকারি খাদ্য

যশোরের শার্শায় প্রশাসনের নাকের ডগায় নোংরা পরিবেশে বেকারি কারখানাতে তৈরি করা হচ্ছে বেকারী খাদ্য সামগ্রী। অথচ প্রশাসনের নিরব ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ ও প্রশ্ন তুলছেন সচেতন মহল।

অভিযোগের তথ্য-অনুসন্ধানে দেখা যায়, যশোরের শার্শা উপজেলা সদর বাজারের কামারবাড়ি মোড় এলাকায় স’ মিলের পাশে প্রায় প্রশাসনের নাকের ডগায় নুর মদিনা নামক বেকারি ও নিজামপুর ইউনিয়নের গোড়পাড়া বাজার সংলগ্ন নিমতলার মোড়ের রোডের একটু ভিতরে সাঈদ ফুড নামক সহ দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিকেরা কোন প্রকার সরকারি নিয়ম নীতি ছাড়াই যত্রতত্র ভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন বেকারীর ব্যবসা। বেকারী দু’টির কারখানাতে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরী হচ্ছে বিভিন্ন প্রকার বেকারী খাদ্যপণ্য। উৎপাদিত খাদ্যপন‍্যের মান প্রণয়ন এবং গুণগতমান ও পরিমাপ নিশ্চিত করণ কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বেকারী মালিকরা চালিয়ে যাচ্ছেন অবাধে তাদের এ অবৈধ ব্যবসা।

উৎপাদিত খাবারে দেশের মান নিয়ন্ত্রণকারী একমাত্র প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই) এর অনুমোদনসহ নেই উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখ।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, বেকারী খাবার তৈরী করতে ক্ষতিকারক কেমিক্যাল, রং, ও নিন্মমানের পাম তেল ব্যবহার করা হচ্ছে। শ্রমিকরা বিশেষ পোশাক ছাড়া খালি পায়ে খাবার তৈরী করছে। নোংরা ও অপরিষ্কার কড়াই গুলোতে আটা ময়দা প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছে। ডালডা দিয়ে তৈরী করা ক্রিম রাখা পাত্রগুলোতে ঢাকনা নাই, ঝাকে ঝাকে মাছি ভনভন করছে। উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ন তারিখ ছাড়াই বাহিরে মোড়কে বনরুটি, পাউরুটি, কেক, বিস্কুটসহ বিভিন্ন ধরনের বেকারী খাবার উৎপাদন ও বাজারজাত করা হচ্ছে।

বেকারি মালিকেরা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে পণ্য তৈরি করে বাজারজাত করছে এমনও সচিত্র অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন চায়ের স্টলে গিয়ে দেখা যায়, একাধিক পলি প্যাকে ঝুঁলছে পাউরুটি, ক্রীম রোল, কেক সহ অন্যান্য বেকারী খাবার। মোড়কের গায়ে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণ বা কত তারিখে উৎপাদন হয়েছে বা মেয়াদ কবে শেষ হবে তার কোনো উল্লেখ নেই।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ভেজাল কেমিক্যাল ও নিন্মমানের উপকরণ দিয়ে তৈরী করা এসব খাবার স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্বক ঝুঁকি।

জিজ্ঞাসাবাদে সাঈদ ফুড এর মালিক মোঃ জুলফিকার হোসেন জানান, প্রতি মাসে স্যানিটারি অফিসার একবার এসে ঘুরে চলে যায়। অন্যদিকে চা দোকানদাররা বলেন, আমরা গরীব মানুষ চা-পান বিক্রি করে সংসার চালাই। উৎপাদনের তারিখ দেখার সময় নাই।

এমতাবস্থায় শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভোক্তা অধিকার দপ্তরের স্যানিটারী ইন্সেপেক্টরসহ ঊর্ধ্বতন প্রশাসনের নিকট নোংরা বেকারী-কারখানা দু’টিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সচেতন মহল দাবী জানিয়েছেন।

এবিষয়ে শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নারায়ণ চন্দ্র পাল ও সহকারী (ভূমি) কমিশনার ফারজানা ইসলামকে অবহিত করলে তাঁরা জানান, খুব দ্রুতই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

অবশেষে প্রাথমিকে ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষকের নিয়োগ চূড়ান্ত, যোগদান ১ অক্টোবর

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জনবিস্তারিত পড়ুন

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যার সময় বাসায় খাচ্ছিলেন এমপি গাজী নজরুল

রাজধানীর ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাট থেকে দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত লাশবিস্তারিত পড়ুন

বসিয়েছিলেন ২০টি সিসিটিভি ক্যামেরা, ঘুমাতেন কবুতরের ঘরে, তবু শেষরক্ষা হয়নি

গ্রেপ্তার এড়াতে পুলিশের ওপর নজরদারি করার জন্য গ্রামের প্রধান সড়ক থেকে নিজবিস্তারিত পড়ুন

  • শ্যামনগরের পদ্মপুকুর-গাবুরায় সড়ক নির্মাণে ২৩ কোটি ২৫ টাকা অনুমোদন
  • আমার দুধের সন্তানকে অপরাধী বানাতে চাইলে মেনে নেব না: অপ্রতিমের মা
  • সরকার পাঁচ বছর থাকবে, এটা মেনে রাজনীতি করা উচিত: তথ্য উপদেষ্টা
  • অতিরিক্ত ভাড়া নিলে রুট পারমিট বাতিল: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী
  • কিলোমিটারপ্রতি যত বাড়লো বাসভাড়া
  • রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন গাজী নজরুলের স্ত্রী : দাবি পুলিশের
  • একযোগে পুলিশের ৩১ কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন
  • বাস্তবসম্মত ও কর্মমুখী শিক্ষায় বিশেষ জোর দিতে হবে: রাষ্ট্রপতি
  • প্রভিডেন্ট ফান্ড নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর
  • কর্মস্থলে অনুপস্থিত, ৬ পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত
  • বেনাপোল বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম
  • এমপি গাজী নজরুল ৪ দিনের ও প্রথম স্ত্রী এক দিনের রিমান্ডে