মঙ্গলবার, আগস্ট ৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

স্থাপত্যশৈলীতে অনন্য প্রায় দু’শো বছরের প্রাচীন কলারোয়ার চেঁড়াঘাট ছয় গম্বুজ মসজিদ

অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহাসিক নিদর্শন সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চেঁড়াঘাট ছয় গম্বুজ মসজিদ।
উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার দূরে দমদম এলাকার নৌ-খালের কোলঘেঁষে ছায়া-সুনিবিড় পরিবেশে দাঁড়িয়ে আছে চেঁড়াঘাট গ্রামের পৌনে দুইশ বছরের এই ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা। স্থানীয়দের কাছে এটি ‘কায়েম বিশ্বাসের মসজিদ’ নামেও পরিচিত।

মসজিদের নামফলকে উল্লেখ রয়েছে, এর প্রতিষ্ঠাকাল বাংলা ১২৬৯ সন ও ইংরেজি ১৮৬২ সাল।

প্রায় ১৬৪ বছর আগে নির্মিত এ মসজিদটি এ অঞ্চলের মুসলিম স্থাপত্যশৈলীর এক অনন্য নিদর্শন। পাতলা আকৃতির ইট ও চুন-সুরকির গাঁথুনিতে নির্মিত মসজিদটি ১২ শতক জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত। এতে রয়েছে ৭টি দরজা, ১০টি পিলারের ওপর নির্মিত ছাদ, ৬টি গম্বুজ ও ১০টি মিনার। প্রায় ১৫ ফুট উচ্চতার এই মসজিদে একসঙ্গে শতাধিক মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন।

বর্তমানে ঐতিহাসিক এই মসজিদটি সম্প্রতি বর্ধিত করা হয়েছে। নতুন সিঁড়ি নির্মাণ করে সম্প্রসারিত অংশের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে, যা সংরক্ষণেও সহায়ক হবে।

স্থানীয়দের বর্ণনা অনুযায়ী, মসজিদের নির্মাতা কায়েম বিশ্বাস ছিলেন একজন প্রভাবশালী গাঁতিদার। সেসময় ভারতের মুর্শিদাবাদের জমিদার দুর্গাপদ চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর বিরোধের জেরে প্রাণনাশের হুমকি আসে। পরবর্তীতে কৌশলে ক্ষমা প্রার্থনা করলে জমিদার শর্ত দেন যে, একটি মসজিদ নির্মাণ করতে হবে। সেই শর্ত পূরণ করতেই কায়েম বিশ্বাস কলকাতা থেকে নির্মাণ শ্রমিক ও উপকরণ এনে নিজ গ্রাম চেড়াঘাটে এই মসজিদ নির্মাণ করেন।

বিশিষ্ট লেখক ও শিক্ষাবিদ প্রফেসর মো. আবু নসর এর লেখা ‘কলারোয়া উপজেলার ইতিহাস’ গ্রন্থেও এ মসজিদটির নির্মাণ ঘটনার উল্লেখ রয়েছে বলে জানা যায়।

মসজিদ কমিটির সভাপতি খান জাহান আলী ভুট্টো, ওই মসজিদ মহল্লার বাসিন্দা কলারোয়া প্রেসক্লাবের যুগ্ম আহবায়ক এমএ সাজেদসহ কয়েকজন মুসল্লি বলেন, ‘চেড়াঘাট ছয় গম্বুজ মসজিদ শুধু একটি ইবাদতখানা নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্য ও ইতিহাসের অংশ। আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে যতটুকু সম্ভব সংরক্ষণ ও সংস্কারের চেষ্টা করছি। তবে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি আরো টেকসইভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।’

স্থানীয়দের দাবি, প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় দ্রুত সরকারি উদ্যোগে মসজিদটি সংরক্ষণ করা হোক, যাতে কলারোয়ার এই ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা দেশ-বিদেশের দর্শনার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এ নিদর্শন রক্ষা করা জরুরী।

একই রকম সংবাদ সমূহ

২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন শুরু, ৭ শ্রেণির ব্যক্তিকে অযোগ্য ঘোষণা

২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন কার্যক্রম সোমবার (২৭ জুলাই) থেকে শুরু হয়েছে।বিস্তারিত পড়ুন

ওমরাহ ভিসার মেয়াদ ১ বছরে উন্নীত করলো সৌদি আরব

সৌদি আরব তার পর্যটন খাতকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ওমরাহ ভিসার মেয়াদবিস্তারিত পড়ুন

দেশে প্রথম জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতা, বিজয়ীদের জন্য ২ লাখ টাকা পুরস্কার

দেশে প্রথমবারের মতো জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। বর্তমান সরকারেরবিস্তারিত পড়ুন

  • শুরু হলো ২০২৭ সালের হজের প্রাক-নিবন্ধন
  • যতটুকু আমার প্রাপ্য তাও গ্রহণ করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছি : সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা
  • পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৬ কোটি টাকা
  • মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে বাঙালি মুসলমানদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠাচ্ছে ভারত
  • ইসলামে ধর্ষণের শাস্তি, চার সাক্ষীর ধারণা ভুল : ডা. জাকির নায়েকের ভাষ্য
  • মা-বাবাকে ভুলিয়ে দেওয়া ‘সফলতা’ প্রয়োজন নেই : আহমাদুল্লাহ
  • ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর মক্কা-মিনা
  • পবিত্র হজ শুরু, মিনায় যাচ্ছেন হজযাত্রীরা
  • পশ্চিমবঙ্গে কোরবানির সিদ্ধান্তে জটিলতা, খামারিদের ঘরে ঘরে কান্নার রোল
  • বাংলাদেশে ঈদুল আজহা ২৮ মে বৃহস্পতিবার
  • ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি কী কোরবানি দিতে পারবেন?
  • হজে গিয়ে আরও দুই বাংলাদেশির মৃত্যু, মোট মৃতের সংখ্যা ১৪