সোমবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কলারোয়ায় মানুষের নদী পারাপারে ভ্যান চালকের ড্রামের সাঁকো

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের কোঠাবাড়ী ও কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের রায়টা বাজার। মাঝখানে বেত্রবতী তথা বেতনা নদী। ওই দুই এলাকার যাতায়াতের একমাত্র পথ নদীর উপর বাঁশের সাঁকো। যুগ যুগ ধরে হাজারো মানুষের একমাত্র সেই বাঁশের সাঁকো আজো আলোর মুখ দেখেনি। সেখানে পাকা সেতু নির্মাণ না হওয়ার কারণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। বাঁশের সাঁকো দিয়ে পার হতে গিয়ে অনেকের আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

বাঁশের সাঁকোটি কয়েক বছর অন্তর অন্তর করতে হয় সংষ্কার। স্থানীয়রা নিজেদের অর্থ আর পরিশ্রম দিয়ে বাঁশের সাঁকো মেরামত করতে গিয়ে হিমশিম খেয়ে যান।

সেই বাঁশের সাঁকো গা ঘেষে এবার মানুষের চলাচলের জন্য নিজ অর্থে প্লাস্টিকের ড্রাম দিয়ে সাঁকো তৈরি করেছেন এক ভ্যান চালক।

জানা গেছে, বাঁশের তৈরী সাঁকো এতোই ছোট যে একজন মানুষ ভাল ভাবে পারাপার হতে পারে না। অনেক দূর থেকে কোন মানুষ বাইসাইকেল নিয়ে আসলে ওই বাঁশের সাঁকো দিয়ে পার হতে পারেন না।

এ বিষয় নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের তেমন কোন পাকা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে ওই এলাকার সাধারণ মানুষেরা জানান।

এর মধ্যে গত ৪ মাস পূর্বে ৫৮ বছর বয়সী শেখ সোবহান আলী নামের এক ভ্যান চালক কোঠাবাড়ী-রায়টা এলাকার মানুষের কথা বিবেচনা করে তার একটি ইঞ্জিন ভ্যান বিক্রয় করে দিয়ে বিক্রয়ের সেই টাকা ও তার কাছে জমানো ২ লাখ টাকা দিয়ে ওই স্থানে ৩২টি ড্রাম দিয়ে একটি ভাসমান সেতু তৈরি করেন। বর্তমানে ওই সেতু দিয়ে মানুষ ভাল ভাবে চলাচল করছেন। বাঁশের সাঁকোর পাশ দিয়ে ড্রামের সেতু সংযুক্ত করা হয়েছে।

ভ্যান চালক শেখ সোবহান আলী জানান, ‘তিনি যশোরের ঝুমঝুমপুর থেকে কলারোয়ায় এসেছেন ৪১ বছর আগে। এখানে এসে রায়টা গ্রামের বিয়ে করেন। তার ২ ছেলে ও ২ মেয়ে। ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। পরবর্তীতে ৩ শতক জমি কিনে একটি বসত বাড়ী নির্মাণ করেন। বর্তমানে ২ মেয়ে মারুফা ও হালিমা খাতুনকে বিয়ে দিয়েছেন। ২ ছেলে ইয়াছিন ও ইমরান মালয়েশিয়ায় কাজ করেন। এখন তিনি আর ভ্যান চালান না।’

তিনি আরো জানান, ‘কোটাবাড়ী ও রায়টার নদীর মাঝে ভাসমান সেতু নির্মাণ করে সেখানে একটি চায়ের দোকান দিয়েছেন। ওই চায়ের দোকান থেকে প্রতিদিন ৪/৫’শ টাকা বেচাকেনা করেন। আর ভাসমান সেতু থেকে মানুষ পারাপারে যে যা দেন সেই যতসামান্য টাকা উত্তোলণ করেন। সেখান থেকেও প্রতিদিন প্রায় ১’শ টাকার মতো আয় করেন। এই টাকা দিয়ে তিনি সংসার চালান।’

তিনি বলেন, ‘নিজে লেখাপড়া না জানলেও তার ছেলে ও মেয়েদের স্কুল ও কলেজে পড়িয়েছেন।’

এদিকে এলাকাবাসী অতিদ্রুত কোঠাবাড়ী-রায়টার ওই স্থানের বেত্রবতী নদীতে একটি পাকা সেতু নির্মাণের জন্য সরকারের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় এমপির উপস্থিতিতে ফাইনাল ম্যাচ পরিত্যক্ত, মাঠে উত্তজেনা!

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় জুলাই অভ্যুত্থান দবিস উপলক্ষে যুব জামায়াতরে উদ্যোগে আয়োজতি ১৪ দলীয়বিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়া শিশু ল্যাবরেটরী স্কুলে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

কলারোয়ায় নজরুল বর্ষ-২০২৬ উপলক্ষে শিশু ল্যাবরেটরী স্কুলে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।বিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়া আলিয়া মাদরাসার শিক্ষক আহসান হাবিব মন্টুর দাফন সম্পন্ন

কলারোয়া আলিয়া কামিল মাদরাসার গণিতের সহকারী শিক্ষক আহসান হাবিব মন্টু ইন্তেকাল করেছেন।বিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ায় প্রবাসীর ঘর নির্মাণে অনিয়ম, জাল চুক্তিপত্রে অতিরিক্ত টাকা দাবি
  • কলারোয়ায় বিএনপি নেতা বাচ্চুর পিতা শেখ আব্দুল আজিজ আর নেই
  • কলারোয়ার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গাছের চারা বিতরণ ও রোপণ
  • ভাষা সৈনিক ও শিক্ষক নেতা শেখ আমানুল্লাহ’র মৃত্যু বার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া
  • কলারোয়ায় বাঁশের ভাসমান সাঁকোয় নদী পারাপার, টেকসই সেতু নির্মাণের দাবি
  • কলারোয়ায় মাদক ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমান আদালতে ৬ মাসের কারাদন্ড
  • কলারোয়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে এক সন্তানের জননীর অবস্থান
  • কলারোয়ায় ‘মা’-ই শ্রেষ্ঠ শিক্ষক শীর্ষক সেমিনার
  • কলারোয়ায় ২৫ পিস ইয়াবাসহ আটক ১
  • কলারোয়ায় যুব জামায়াতের ১৪ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
  • দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি.এম নূর ইসলামের মৃত্যুতে কলারোয়া প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের শোক
  • কলারোয়ায় মোয়াজ্জেম চেয়ারম্যানের বড় ভাই শাহাদাৎ হোসেনের ইন্তেকাল