বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কলারোয়ায় মানুষের নদী পারাপারে ভ্যান চালকের ড্রামের সাঁকো

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের কোঠাবাড়ী ও কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের রায়টা বাজার। মাঝখানে বেত্রবতী তথা বেতনা নদী। ওই দুই এলাকার যাতায়াতের একমাত্র পথ নদীর উপর বাঁশের সাঁকো। যুগ যুগ ধরে হাজারো মানুষের একমাত্র সেই বাঁশের সাঁকো আজো আলোর মুখ দেখেনি। সেখানে পাকা সেতু নির্মাণ না হওয়ার কারণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। বাঁশের সাঁকো দিয়ে পার হতে গিয়ে অনেকের আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

বাঁশের সাঁকোটি কয়েক বছর অন্তর অন্তর করতে হয় সংষ্কার। স্থানীয়রা নিজেদের অর্থ আর পরিশ্রম দিয়ে বাঁশের সাঁকো মেরামত করতে গিয়ে হিমশিম খেয়ে যান।

সেই বাঁশের সাঁকো গা ঘেষে এবার মানুষের চলাচলের জন্য নিজ অর্থে প্লাস্টিকের ড্রাম দিয়ে সাঁকো তৈরি করেছেন এক ভ্যান চালক।

জানা গেছে, বাঁশের তৈরী সাঁকো এতোই ছোট যে একজন মানুষ ভাল ভাবে পারাপার হতে পারে না। অনেক দূর থেকে কোন মানুষ বাইসাইকেল নিয়ে আসলে ওই বাঁশের সাঁকো দিয়ে পার হতে পারেন না।

এ বিষয় নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের তেমন কোন পাকা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে ওই এলাকার সাধারণ মানুষেরা জানান।

এর মধ্যে গত ৪ মাস পূর্বে ৫৮ বছর বয়সী শেখ সোবহান আলী নামের এক ভ্যান চালক কোঠাবাড়ী-রায়টা এলাকার মানুষের কথা বিবেচনা করে তার একটি ইঞ্জিন ভ্যান বিক্রয় করে দিয়ে বিক্রয়ের সেই টাকা ও তার কাছে জমানো ২ লাখ টাকা দিয়ে ওই স্থানে ৩২টি ড্রাম দিয়ে একটি ভাসমান সেতু তৈরি করেন। বর্তমানে ওই সেতু দিয়ে মানুষ ভাল ভাবে চলাচল করছেন। বাঁশের সাঁকোর পাশ দিয়ে ড্রামের সেতু সংযুক্ত করা হয়েছে।

ভ্যান চালক শেখ সোবহান আলী জানান, ‘তিনি যশোরের ঝুমঝুমপুর থেকে কলারোয়ায় এসেছেন ৪১ বছর আগে। এখানে এসে রায়টা গ্রামের বিয়ে করেন। তার ২ ছেলে ও ২ মেয়ে। ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। পরবর্তীতে ৩ শতক জমি কিনে একটি বসত বাড়ী নির্মাণ করেন। বর্তমানে ২ মেয়ে মারুফা ও হালিমা খাতুনকে বিয়ে দিয়েছেন। ২ ছেলে ইয়াছিন ও ইমরান মালয়েশিয়ায় কাজ করেন। এখন তিনি আর ভ্যান চালান না।’

তিনি আরো জানান, ‘কোটাবাড়ী ও রায়টার নদীর মাঝে ভাসমান সেতু নির্মাণ করে সেখানে একটি চায়ের দোকান দিয়েছেন। ওই চায়ের দোকান থেকে প্রতিদিন ৪/৫’শ টাকা বেচাকেনা করেন। আর ভাসমান সেতু থেকে মানুষ পারাপারে যে যা দেন সেই যতসামান্য টাকা উত্তোলণ করেন। সেখান থেকেও প্রতিদিন প্রায় ১’শ টাকার মতো আয় করেন। এই টাকা দিয়ে তিনি সংসার চালান।’

তিনি বলেন, ‘নিজে লেখাপড়া না জানলেও তার ছেলে ও মেয়েদের স্কুল ও কলেজে পড়িয়েছেন।’

এদিকে এলাকাবাসী অতিদ্রুত কোঠাবাড়ী-রায়টার ওই স্থানের বেত্রবতী নদীতে একটি পাকা সেতু নির্মাণের জন্য সরকারের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে অসহায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ

কলারোয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে অসহায়, দরিদ্র ও দুস্থ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মাঝে শাড়িবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ার চন্দনপুরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা দিলেন বিএনপি নেতা মন্টু

মেহেদী হাসান শিমুল: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ৭নম্বর চন্দনপুর ইউনিয়নের দুটি দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শনবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ার কাজীরহাট কলেজের ভর্তি অনুমোদন দিয়েছিলেন তৎকালীন কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর আবু নসর

সাতক্ষীরার কলারোয়ার কাজিরহাট কলেজে হঠাৎ যশোর শিক্ষা বোর্ডের সাবেক কলেজ পরিদর্শক অবসরপ্রাপ্তবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জমি পরিদর্শন
  • নবগঠিত সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলকে স্বাগত জানিয়ে কলারোয়া উপজেলা ছাত্রদল এর সভাপতি প্রার্থী মোঃ আবির হোসেন এর নেতৃত্বে শুভেচ্ছা মিছিল
  • কলারোয়ায় মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন।। সভাপতি-সালাম, সম্পাদক বাকী বিল্লাহ, সাংগঠনিক আলিম
  • কলারোয়ায় সুপেয় পানির পয়েন্ট উদ্বোধন ও ডিজিটাল পানির বিলিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত”
  • কলারোয়ায় যুবদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল কাদের বাচ্চুর সংবাদ সম্মেলন
  • ফেসবুকে অপপ্রচারের প্রতিবাদে কলারোয়ায় যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন
  • শার্শা থেকে কলারোয়া সীমান্তে মাদক নেটওয়ার্কের বিস্তার, আলোচনায় আমজাদ
  • কলারোয়ায় জামায়াতের লিডারশিপ ট্রেনিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
  • কলারোয়ার কেঁড়াগাছি ফুটবল টুর্নামেন্টে মুকুন্দপুর চ্যাম্পিয়ন
  • কলারোয়ায় সোনালী আঁশের পাশাপাশি পাটকাঠিতে বাড়তি আয়ের স্বপ্ন কৃষকের
  • কলারোয়ায় এবার সাদা তিলের তৈরি দুর্গা প্রতিমা
  • কলারোয়ায় মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি গঠনে সার্চ কমিটির সভা