শুক্রবার, জুলাই ১৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ড. ইউনূসের ‘সমঝোতার রূপরেখা’ ভাষণে সন্তুষ্ট নয় কোনো দল

জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভাষণে প্রতিফলিত হয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রধান প্রধান দাবি ও অবস্থান। তবে তিনি এমনভাবে ভারসাম্য রক্ষা করেছেন যে, কোনো পক্ষই পুরোপুরি অসন্তুষ্ট নয়-আবার পুরোপুরি সন্তুষ্টও নয়।

ভাষণে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ বাস্তবায়নের ঘোষণা। এই সনদকে কেন্দ্র করেই সাম্প্রতিক রাজনৈতিক আলোচনার মূল বিষয়বস্তু গড়ে উঠেছিল। বিএনপি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, গণফোরাম ও নাগরিক ঐক্য শুরু থেকেই দাবি করে আসছিল যে, সনদে বর্ণিত গণভোট জাতীয় নির্বাচনের দিনই অনুষ্ঠিত হোক। প্রধান উপদেষ্টা তাঁর ভাষণে সেই দাবিই কার্যত মেনে নিয়েছেন। ফলে এই অংশে বিরোধী জোটের অবস্থান ভাষণে স্পষ্ট প্রতিফলন পেয়েছে।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীসহ কয়েকটি ইসলামি দল নির্বাচনপূর্ব গণভোটের প্রস্তাব দিয়েছিল। সেই দাবিটি ভাষণে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে প্রধান উপদেষ্টা গণভোটের আগে সংলাপ ও গণশুনানির মাধ্যমে জনগণের মতামত নেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেটি এসব দলের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করেছে।

আওয়ামী লীগের দাবির জায়গা ছিল অন্যখানে। দলটি চাইছিল, সংবিধান সংস্কারের আলোচনায় যুদ্ধাপরাধ ও রাষ্ট্রবিরোধী সংগঠনবিষয়ক ধারা যেন অক্ষুণ্ন থাকে। ভাষণে ড. ইউনূস সেই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, সংবিধান সংস্কার পরিষদ এসব মৌলিক ধারা অক্ষুণ্ন রাখবে। ফলে আওয়ামী লীগের উদ্বেগ কিছুটা প্রশমিত হয়েছে।

বাম দলগুলো শুরু থেকেই সংসদীয় ব্যবস্থায় ‘দ্বিকক্ষবিশিষ্ট কাঠামো’ গঠনের প্রস্তাব দিচ্ছিল, যাতে সাধারণ জনগণের প্রতিনিধিত্ব আরও বিস্তৃত হয়। প্রধান উপদেষ্টা ভাষণে বলেছেন, গণভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ভোটের অনুপাতে ১০০ আসনের উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে। এ অংশে বামদের দীর্ঘদিনের প্রস্তাব সরাসরি প্রতিফলিত হয়েছে।

ভাষণে নাগরিক সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের বিষয়েও আলাদা বার্তা ছিল। শিক্ষা, স্বচ্ছতা ও স্থানীয় প্রশাসনে বিকেন্দ্রীকরণের প্রসঙ্গ এনে তিনি তরুণ ভোটারদের উদ্দেশে আশার ইঙ্গিত দিয়েছেন। সুশীল সমাজের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল ‘জনসম্পৃক্ত সংস্কার কমিশন’-প্রধান উপদেষ্টার প্রস্তাবিত সংবিধান সংস্কার পরিষদে সে ধারণার প্রতিধ্বনি শোনা গেছে।

সবমিলিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ ছিল এক ধরনের ভারসাম্যের প্রয়াস। কেউ পুরোপুরি জয়ী নয়, আবার কেউ পুরোপুরি বাদও পড়েনি। বিএনপি পেয়েছে গণভোটের তারিখ, আওয়ামী লীগ পেয়েছে সংবিধানের মূল ধারাগুলোর নিশ্চয়তা, বামরা পেয়েছে উচ্চকক্ষের প্রতিশ্রুতি, ইসলামি দলগুলো পেয়েছে আলোচনায় অংশ নেওয়ার দরজা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ভাষণ মূলত এক ধরনের ‘সমঝোতার রূপরেখা’। এতে প্রধান উপদেষ্টা দেখাতে চেয়েছেন-রাষ্ট্র পরিচালনায় কারও একক মালিকানা নেই, সবাইকেই জায়গা দিতে হবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন, কাউন্সিল ও সাংগঠনিক প্রস্তুতিতে বিএনপির জোর

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে সাংগঠনিক প্রস্তুতি জোরদার, জাতীয় কাউন্সিল আয়োজন, মেয়াদোত্তীর্ণবিস্তারিত পড়ুন

জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার, ভাষাসৈনিক ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ীবিস্তারিত পড়ুন

আমাদের কঠিন সময়ে পরম সহানুভূতিশীল ছিলেন জমির উদ্দিন: জামায়াত আমির

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারবিস্তারিত পড়ুন

  • সাবেক রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার জমির উদ্দিন মারা গেছেন
  • ‘শেখ হাসিনা, আপনি এখনই দেশে ফিরে আসুন’
  • কলারোয়ায় জামায়াতের দিনব্যাপী মহিলা শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত
  • ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করবো: রয়টার্সের সাক্ষাৎকারে হাসিনা
  • শেখ হাসিনাকে ফেরানোর চেষ্টায় কূটনৈতিক ঘাটতি নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
  • আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী
  • হাইকোর্টের রায়: সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা
  • আমি প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু নই, বিএনপির সাধারণ কর্মী: শাহে আলম
  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাজে সমর্থন দেশের ৭৫.৩ শতাংশ মানুষের : দ্য ডেল্টাগ্রামের জরিপ
  • আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড: আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকার আহ্বান উপদেষ্টার
  • খামেনির শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে খাবার বিতরণ করলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
  • ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের উদ্যোগ : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী