বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

পাইলট হওয়ার স্বপ্ন পূরণ ৭৬ বছর বয়সে!

দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল পাইলট হয়ে আকাশে উড়ার। সেই স্বপ্ন পূরণ হলো ৭৬ বছর বয়সে এসে। তবে অন্যের নয়, নিজের বানানো বিমানের ককপিটে আকাশে উড়লেন তিনি। তাও ভিন্নভাবে। নিজের বাড়ির বেজমেন্টে বসেই বিশ্ব ভ্রমণ সেরে ফেলতে পারেন তিনি। তার নাম মুহাম্মদ মালহাস। তিনি জর্ডানের বাসিন্দা।

এএফপির কাছে নিজের স্বপ্ন পূরণের গল্প শুনিয়েছেন তিনি।

এএফপিকে মুহাম্মদ মালহাস বলেন, ‌‘মানুষ যখন থেকে আকাশে পাখি উড়তে দেখেছে, তখন থেকেই তারা মুক্তভাবে আকাশে উড়ার স্বপ্ন দেখছে।’

কিশোর বেলা থেকেই ঘুড়ি উড়াতে ভীষণ ভালোবাসতেন তিনি। ভাবতেন কীভাবে এক টুকরো কাগজ আকাশের এতো উপরে উড়তে পারে। সেই থেকে তার উড়ার প্রতি ভালোবাসা আর আগ্রহ সৃষ্টি হয়। নিজের বানানোর বোয়িং ৭৩৭-৮০০ বিমানের রেপ্লিকার ককপিটে বসে তিনি এ কথা বলছিলেন।

তিনি আরও বলেন, আমার মনটা আকাশেই পড়ে থাকত। আমার স্বপ্ন ছিল পাইলট হওয়ার। কিন্তু পরিস্থিতির কারণে তা হয়ে উঠেনি।

১৯৬৯ সালে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনায় স্নাতক সম্পন্ন করেন তিনি। এরপর বাবার সঙ্গে পরিবারের প্রতিষ্ঠিত হাসপাতালে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি।

তবে মনের এক কোণে পাইলট হওয়ার স্বপ্ন জিইয়ে রেখেছিলেন তিনি। বিমান চালনা, ও এয়ারক্রাফট ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে বিভিন্ন বইপত্র পড়ে বিষয়টি আয়ত্ত্বে আনেন তিনি।

১৯৭৬ সালে তিনি রয়্যাল জর্ডানিয়ান এয়ার একাডেমিতে যোগ দেন। সেখানে তিনি ছোট পাইপার বিমান উড়ানোর প্রশিক্ষণ নেন। দুই বছর পর তিনি বিমানে উড়ানোর লাইসেন্স পান।

প্রায় এক দশক ধরে তিনি জর্ডানিয়ান গ্লাইডিং ক্লাবের সদস্য ছিলেন। ছুটির দিনগুলোতে বিমানও চালাতেন তিনি।

তবে ২০০৬ সালে তিনি তার কম্পিউটারে ফ্লাইট সফটওয়ার ডাউনলোড করেন।

এ সময় তার শখ অন্য দিকে মোড় দেয়। স্বপ্ন জাগে ঘরে বসেই বিশ্ব ভ্রমণের। স্থানীয় বাজার থেকে বিভিন্ন জিনিস কিনে তৈরি করে বিমানের ককপিট, যা একদম আসল বিমানের ককপিটের মতোই। আর নিজের তৈরি এই ককপিটে সুইচ চেপেই বিশ্বভ্রমণ সেরে ফেলতে পারেন তিনি।

ককপিটের সামনের স্ক্রিনের উপরে আছে মেঘ এবং আকাশ, নীচে আছে নদী, বন এবং মরুভূমির ছবি । এমনকি বাইরের আবহাওয়া কেমন তাও মালহাস বেছে নিতে পারে।

ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ার বন্ধুদের সহায়তায় ককপিটটি বানাতে তার তিন বছর লেগেছে। এতে খরচ পড়েছে প্রায় ছয় হাজার দিনার।

কখনো কখনো মালহাসের স্ত্রীও তার সঙ্গে ককপিটে যোগ দেন। ঘরে বসে বিশ্বভ্রমণের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমি মনে করি ঘরে বসে বিশ্বজুড়ে উড়ার আনন্দ অনুভব করা সত্যিই আশ্চর্যজনক।

সূত্র : এএফপি, এনডিটিভি

একই রকম সংবাদ সমূহ

পবিত্র মক্কা শরিফে ড্রোন হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা

পবিত্র নগরী মক্কা আল-মুকাররমাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার খবরের ঘটনায় তীব্র নিন্দাবিস্তারিত পড়ুন

বাণিজ্যে ভারতকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশীদার এখন যুক্তরাষ্ট্র

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য হ্রাস এবং মার্কিন পণ্যের আমদানি নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার ফলেবিস্তারিত পড়ুন

আয়ারল্যান্ডকে একীভূত করার পক্ষে ট্রাম্প, ক্ষুব্ধ যুক্তরাজ্য

ডাবলিন সফরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়ারল্যান্ডকে একীভূত করার পক্ষে মন্তব্য করেছেন।বিস্তারিত পড়ুন

  • ভারত থেকে নিজের মল-মূত্র সঙ্গে নিয়ে রাশিয়া ফিরবেন পুতিন!
  • ব্রিকসের যৌথ ঘোষণায় ঐকমত্য, সব ধরনের আগ্রাসনের নিন্দা
  • ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিল হুতিরা
  • সাত বছর পর ভারতে যাচ্ছেন শি জিনপিং, কাটল কূটনৈতিক জল্পনা
  • যেসব অভিযোগের ভিত্তিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পদ ছাড়লেন পুতুল
  • হামলার ঘটনায় ইতালিতে মামলা করলেন বাঁধন
  • জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব নিলেন খলিলুর রহমান
  • ইতালিতে বাঁধনের ওপর হামলা-হেনস্তায় জড়িত কয়েকজনের পরিচয় মিলল
  • যুক্তরাষ্ট্রে প্লেন বিধ্বস্ত, অনেকে হতাহত
  • ‘আজও বিশ্বাস হয় না, তুমি নেই’, সালমান শাহ স্মরণে শাবনূর
  • মাত্র ৭৮ কোটি টাকায় বিক্রি হচ্ছে দ্বীপ, সঙ্গে দুর্গ
  • কলকাতায় রাস্তায় রাত কাটাচ্ছেন বাংলাদেশিরা