সোমবার, আগস্ট ৩১, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

আশা-নিরাশার দোলাচলে মৃৎশিল্পীরা

করোনার সংক্রমণ ও তার জেরে তৈরি পরিস্থিতিতে দুর্গাপুজোর আকাশেও মেঘ জমেছে। ইতিমধ্যেই বড় পুজো কমিটিগুলি নিজেদের বাজেট কমিয়েছে। দুর্গাপুরের কুমোরপাড়ার অনেক শিল্পীর হাতের পাঁচ বলতে ছোট মাপের পুজো।

খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে, যে সব শিল্পীরা বাড়ির, আবাসনের পুজো, পাড়ার ক্লাবের ছোট পুজোর প্রতিমা তৈরি করে থাকেন তাঁরা কিছু কিছু প্রতিমার অর্ডার পেয়েছেন। তাঁদের প্রতিমা ছোট ও গতানুগতিক। রথের পর থেকেই বরাত পেতে শুরু করেছেন, বলে জানালেন শিল্পীরা। তবে আয় মূলত নির্ভর করে বড় পুজোর প্রতিমা গড়ার উপরে। সে ক্ষেত্রে আশার আলো আপাতত তেমন দেখতে পাচ্ছেন না তাঁরা। কারণ, এ বছর ‘থিম’ পুজো বা বড় পুজো তেমন হবে না বলে মনে করছেন তাঁরা। শিল্পীরা জানান, এখনও পর্যন্ত বড় পুজোর প্রতিমার বরাত এসেছে মাত্র কুড়ি শতাংশের মতো। সেগুলিরও বাজেট অন্য বারের ভগ্নাংশ মাত্র। সব মিলিয়ে প্রতিমা গড়ে আয় তেমন হবে না বলেই মনে করছেন শিল্পীরা।

দুর্গাপুরের বহু বড় পুজোর প্রতিমা তৈরি করে থাকেন বেনাচিতির জেকে পাল গলির মৃৎশিল্পী অরুণ পাল। তিনি জানালেন, রথের পর থেকে এখনও পর্যন্ত তাঁর কাছে সাতটি দুর্গা প্রতিমার অর্ডার এসেছে। বললেন, ‘‘অন্য বছর এই সময়ে ২৫-২৬টির অর্ডার চলে আসে। পুজো কমিটির সঙ্গে কথা বলে ‘থিম’ ও চাহিদা অনুযায়ী প্রতিমা তৈরি করে থাকি। তাই অর্ডার না পেলে, আগাম প্রতিমা বানিয়ে রাখতে পারি না। মাত্র সাতটি প্রতিমা বানিয়ে লাভ হবে না।’’ তিনি জানালেন, এখনও পর্যন্ত গণেশ প্রতিমার কোনও বরাত পাননি। অথচ অন্য বছর এই সময়ে আট-ন’টি গণেশ প্রতিমারও বরাত পান।

তুলনায় ছোট শিল্পীরা কিছুটা আশায় রয়েছেন। প্রথমত, তাঁরা ছোট ক্লাব বা পারিবারিক পুজোর প্রতিমা বানিয়ে থাকেন। অর্ডার না পেলেও প্রতিমা বানিয়ে রাখেন তাঁরা। পুজোর আগে ক্রেতারা দরাদরি করে প্রতিমা কিনে নিয়ে যান। এই পরিস্থিতিতেও পারিবারিক পুজোগুলি যে হবে, সে বিষয়ে প্রায় নিশ্চিত শিল্পীরা। যেমন, গ্যামনব্রিজ এলাকার শিল্পী ভূপেন দে জানান, এখনও পর্যন্ত পাঁচটি প্রতিমার বরাত পেয়েছেন। তিনি আরও ১৫টি প্রতিমা গড়ে রাখছেন। এ ছাড়া, গণেশ ও মনসা প্রতিমার কিছু অর্ডার তিনি পেয়েছেন। সব মিলিয়ে আশার আলো দেখছেন ভূপেনবাবু। তিনি বলেন, ‘‘এক সময়ে ভেবেছিলাম, এ বার একেবারে বোধ হয় হাত গুটিয়ে বসে থাকতে হবে। তা হবে না বলেই মনে হচ্ছে। সময় যত এগোচ্ছে, তত বাজারের পরিস্থিতি ভাল হচ্ছে।’’

সব মিলিয়ে আশা-নিরাশার দোলাচলে রয়েছেন মৃৎশিল্পীরা।

একই রকম সংবাদ সমূহ

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৭৫০

নেপাল ও তিব্বতের সীমান্তবর্তী এলাকায় আকস্মিক বন্যায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৭৫০ জনেরবিস্তারিত পড়ুন

বন্যার স্রোত আসতে দেখেই ছুটির ঘণ্টা, প্রধান শিক্ষকের দূরদর্শিতায় রক্ষা পেল ১৬৪৩ শিক্ষার্থীর প্রাণ

নেপালের এই মহাবিপর্যয়ের মাঝেও স্বর্গদূত রূপে আবির্ভুত হয়েছিলেন কেউ কেউ। তাদেরেই একজনবিস্তারিত পড়ুন

দিল্লিতে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টদের সেমিনারের চেষ্টা, মিলল না অনুমতি

সাউথ এশিয়ার ফরেইন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবের (এফসিসি) আয়োজনে ফের ভারতের নয়াদিল্লিতে একটি আন্তর্জাতিকবিস্তারিত পড়ুন

  • যেখানে ট্রাম্প সেখানেই পুতিন-শি, মিশর-মরক্কো-সুদানে হচ্ছে কী?
  • নেপালের রাসুয়ায় দেখার কী আছে, সেখানে এত পর্যটক যায় কেন?
  • হরমুজ প্রণালি চালু করতে নতুন যেসব শর্ত দিল ইরান
  • চীন-বাংলাদেশ ভোকেশনাল এডুকেশন, ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠায় এমওইউ স্বাক্ষর
  • রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন
  • নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩৮
  • বাংলাদেশের মক্কা চুক্তিতে যোগদান নিয়ে ভারতের এত মাথাব্যথা কেন?
  • নেপালে নিহত বেড়ে ৩৩০, নিখোঁজদের সন্ধানে চলছে অভিযান
  • শিক্ষা খাতে বাংলাদেশ-চীন সংযোগে বাড়বে কর্মসংস্থান ও পেশাগত সম্ভাবনা : মাহ্দী আমিন
  • নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক
  • নেপালে ভয়াবহ বন্যা: হঠাৎ এত পানি এলো কোথা থেকে?
  • বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী পাঠাবে সরকার