বুধবার, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৩

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ইউরিয়া সারের দাম বেড়েছে কেজিতে ৬ টাকা

দেশে ইউরিয়া সারের সর্বোচ্চ খুচরা দাম কেজিতে ৬ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। ডিলার পর্যায়ে প্রতি কেজি ইউরিয়া সারের দাম ১৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ টাকা করা হয়েছে।

সোমবার (১ আগস্ট) থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হবে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ইউরিয়া সারের ব্যবহার যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে এবং চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে ডিলার পর্যায়ে ইউরিয়া সারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্রতি কেজি ১৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ টাকা এবং কৃষক পর্যায়ে প্রতি কেজি ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২২ টাকা পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার।

কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি কেজি ইউরিয়ার সারের বর্তমান দাম ৮১ টাকা। ফলে ৬ টাকা দাম বাড়ানোর পরও সরকারকে কেজিপ্রতি ৫৯ টাকা ভর্তুকি দিতে হবে। ২০০৫-০৬ অর্থবছরে কেজিপ্রতি ইউরিয়া সারের ভর্তুকি ছিল মাত্র ১৫ টাকা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের সরকার ২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সারের মূল্য চার দফা কমিয়েছে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ডিএপি সারে শতকরা ১৮ ভাগ নাইট্রোজেন বা ইউরিয়া সারের উপাদান রয়েছে। সেজন্য ডিএপির ব্যবহার বাড়িয়ে ইউরিয়া সারের অপ্রয়োজনীয় ও মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার কমিয়ে আনার জন্য সরকার ডিএপি সারের মূল্য প্রতি কেজি ৯০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৬ টাকা করে কৃষকদের দিচ্ছে। এ উদ্যোগের ফলে বিগত কয়েক বছরে ডিএপি সারের ব্যবহার দ্বিগুণ বেড়েছে। ২০১৯ সালে ডিএপি ব্যবহার হতো ৮ লাখ টন, বর্তমানে ১৬ লাখ টন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডিএপি সারের ব্যবহার বাড়ার ফলে ইউরিয়া সারের ব্যবহার কমার কথা। কিন্তু বাস্তবে ইউরিয়া সারের ব্যবহার কমেনি বরং বেড়েছে। ২০১৯ সালে ইউরিয়া ব্যবহার হতো ২৫ লাখ টন, বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে ২৬ লাখ ৫০ হাজার টন।

গত এক বছরে আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম প্রায় ৩ থেকে ৪ গুণ বেড়েছে। এতে দেশে সার আমদানিতে সরকারের ভর্তুকিও বেড়েছে প্রায় চারগুণ। কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে সারে ভর্তুকি লেগেছিল ৭ হাজার ৭১৭ কোটি টাকা, ২০২১-২২ অর্থবছরে এ ভর্তুকির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার কোটি টাকা।

কৃষি মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, চাহিদার বিপরীতে দেশে সব ধরনের সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। আমন মৌসুম (জুলাই-সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত দেশে ইউরিয়া সারের চাহিদা ৬ লাখ ১৯ হাজার মেট্রিক টন, বিপরীতে বর্তমানে মজুত ৭ লাখ ২৭ হাজার টন, যা প্রয়োজনের চেয়ে প্রায় এক লাখ টন বেশি। অন্যান্য সার যেমন- টিএসপির আমন মৌসুমে চাহিদা এক লাখ ১৯ হাজার টন, বিপরীতে মজুত ৩ লাখ ৯ হাজার টন, ডিএপির চাহিদা ২ লাখ ২৫ হাজার টন, বিপরীতে মজুত ৬ লাখ ৩৪ হাজার টন এবং এমওপির চাহিদা এক লাখ ৩৭ হাজার টন, বিপরীতে মজুত আছে ২ লাখ ১০ হাজার টন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

যশোর-সাতক্ষীরাঞ্চলের কুল যাচ্ছে দেশজুড়ে

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সর্ববৃহৎ মৌসুমি ফল আম ও কুলের পাইকরি হাট সাতক্ষীরার প্রবেশদ্বারবিস্তারিত পড়ুন

যশোরের শার্শার বেলতলায় জমে উঠেছে মৌসুমী ফল কুলের বাজার

যশোরের শার্শা উপজেলার বেলতলা বাজারে বাণিজ্যিক ভাবে জমে উঠেছে মৌসুমী ফল কুলের(বরুই)বিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় গাছে গাছে আমের মুকুলে দুলছে চাষী-ব্যবসায়ীদের স্বপ্ন

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় আম গাছে মুকুল শোভা পাচ্ছে। স্থানীভাবে আমের মুকুলকে ‘বোল’ বলেবিস্তারিত পড়ুন

  • নড়াইলে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত মৌ-চাষিরা
  • স্নাতক পাশ করেই নার্সারী থেকে মাসিক আয় ৫ লাখ টাকা
  • কলারোয়ায় ঘোড়া দিয়ে বোরো ক্ষেতে হাল চাষ!
  • কলারোয়ায় সরকারি খাদ্য গুদামে ধান দিতে আগ্রহ নেই কৃষকদের
  • কলারোয়ায় শীতে তৈরি হচ্ছে কুমড়া বড়ি, বাড়তি আয়ে ইতিবাচক সম্ভাবনা
  • কনকনে শীতেও ইরি-বোরো ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত রাজগঞ্জের চাষিরা
  • কলারোয়ায় কৃষকদের সরিষা চাষে মনোযোগী হতে আহবান কৃষিমন্ত্রীর
  • কলারোয়ায় হলুদ চাষে বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি
  • নড়াইলে শখের বশে কুল চাষ করে ভাগ্যবদল!
  • পানের দাম ভালো পাওয়ায় খুশি কলারোয়ার পান চাষীরা
  • কলারোয়ায় কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে সবজি চাষে কৃষকের ভাগ্যের পরিবর্তন
  • কলারোয়ায় নারী মৎস্য চাষীদের মাঝে বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ
  • error: Content is protected !!