মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

খুলনার কয়রায় হরিণের মাংস সহ আটক শ্যামনগরের শাহ আলম

গরু ও খাসির মাংসের তুলনায় হরিণের মাংসের দাম কম হওয়ায় সুন্দরবনসংলগ্নসহ আশপাশের এলাকায় এই বন্য প্রাণীর মাংসের চাহিদা বেড়ে গেছে। এ সুযোগে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চোরা শিকারিরা। তাঁরা বন বিভাগের টহল ফাঁকি দিয়ে হরিণ শিকার করে গোপনে বিক্রি করছেন।

সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলার ১২ নং গাবুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিএম মাছুদুল আলমের পৌষ্য পুত্র পরিচয়কারী সেই শাহ আলম ৩ মণ হরিণের মাংস সহ খুলনার কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের পূর্ব ঘড়িলাল এলাকা থেকে আটক হয়।

তবে তার আটকের পর মুখ খুললেন গ্রাম বাসী। গাবুরা ইউপির পার্শ্বেমারী ও চাদনীমুখা এলাকার একাধিক ব্যক্তি বলেন, সে দীর্ঘ দিন ধরে এই কাজের সাথে জড়িত ও এই মাংস ইউপি চেয়ারম্যান জিএম মাছুদুল আলমের আয়োজিত ইফতার মাহফিলে খাওয়ানোর জন্য আনা হচ্ছিল। এছাড়াও কিছুদিন আগে স্থানীয় প্রশাসনের নজর এড়িয়ে তার গ্রামের মাহফিলের আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য হরিণের মাংস আনা হয়েছিলো। চেয়ারম্যান ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। কিছু বললেই মামলার ভয় দেখায় চেয়ারম্যানর এসব লোকজন।

সোমবার (১৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৫টায় উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের পূর্ব ঘড়িলাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে হরিণের মাংসসহ শাহ আলম নামের একজন চোরা শিকারিকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। এসময় তার নিকট থেকে ১২০ কেজি হরিনের মাংস জব্দ করা হয়। সে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়ন পার্শ্বেমারী গ্রামের আজিজ মোল্লার ছেলে।

এদিকে আটক ব্যাক্তি ও জব্দ মাংস বন বিভাগের আন্ধারমানিক এস্টেশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এসব বিষয়ে গাবুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিএম মাছুদুল আলম কে একাধিক বার কল করলেও কল রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

কাশিয়াবাদ ফরেস্ট এস্টেশনের কর্মকর্তা শ্যামা প্রসাদ বলেন, কোস্ট গার্ড অভিযান চালিয়ে সাতক্ষীরা রেঞ্জের কোপাদক স্টেশন এলাকা থেকে ১২০ কেজি হরিনের মাংস সাহ এক চোরা শিকারীকে আটক করে। তবে সাতক্ষীরা রেঞ্জের কোপাদক স্টেশন কর্মকর্তা হরিণের মাংস ও চোরা শিকারীকে বুজে না নেওয়ায়। আমরা খুলনা রেঞ্জ থেকে দায়িত্ব বুজে নিয়েছি। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় কয়েকটি চক্র অনেক আগে থেকেই হরিণ শিকারের সঙ্গে জড়িত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযানে তাদের তৎপরতা এত দিন কিছুটা কমলেও বর্তমানে ব্যাপক হারে বেড়েছে হরিণ শিকার।

বিশেষ করে খুলনার কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের আংটিহারা ও জোড়শিং এলাকায় হরিণশিকারি চক্রের আধিপত্য বেশি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

শ্যামনগরের পদ্মপুকুর-গাবুরায় সড়ক নির্মাণে ২৩ কোটি ২৫ টাকা অনুমোদন

দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার পর সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ১১ নং পদ্মপুকুর ইউনিয়নের মধ্য দিয়েবিস্তারিত পড়ুন

সরকার পাঁচ বছর থাকবে, এটা মেনে রাজনীতি করা উচিত: তথ্য উপদেষ্টা

গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার পাঁচ বছর দায়িত্বে থাকবে, এটি মেনে নিয়েই রাজনীতি করাবিস্তারিত পড়ুন

অতিরিক্ত ভাড়া নিলে রুট পারমিট বাতিল: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া নিলে রুট পারমিট ক্যানসেল করা হবেবিস্তারিত পড়ুন

  • কিলোমিটারপ্রতি যত বাড়লো বাসভাড়া
  • রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন গাজী নজরুলের স্ত্রী : দাবি পুলিশের
  • একযোগে পুলিশের ৩১ কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন
  • বাস্তবসম্মত ও কর্মমুখী শিক্ষায় বিশেষ জোর দিতে হবে: রাষ্ট্রপতি
  • প্রভিডেন্ট ফান্ড নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর
  • কর্মস্থলে অনুপস্থিত, ৬ পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত
  • বেনাপোল বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম
  • এমপি গাজী নজরুল ৪ দিনের ও প্রথম স্ত্রী এক দিনের রিমান্ডে
  • প্রতি লিটারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লো ২০ টাকা
  • গাজী নজরুলের বাসা থেকে পাওয়া মরিয়মের রেখে যাওয়া শেষ চিঠিতে যা লেখা
  • এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী গ্রেফতার
  • বিয়ে না করার শর্তে আজীবন পেনশন পাবেন বিধবা স্ত্রী-বিপত্নীক স্বামী