বুধবার, জুলাই ২২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

তালায় হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সেবন করে যুবকের দুই চোখ অন্ধ!

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার পল্লীতে নেশা জাতীয় হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সেবন করে পলাশ খান পল্টু (৩৫) নামের এক যুবকের দুই চোখ অন্ধ হয়ে গেছে। তিনি উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের উত্তর শাহাজাতপুর গ্রামের প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আহাদ আলী খানের ছেলে। এর আগে একই ঔষধ পান করে মারা যান দক্ষিণ শাহাজাতপুর গ্রামের হরিপদ বাছাড়ের ছেলে কাপড় ব্যবসায়ী সনৎ কুমার বাছাড় (৩৮)। এদিকে উক্ত ঘটনা জানাজানি হলে দোকান বন্ধ করে গা ঢাকা দিয়েছেন শাহাজাতপুর বাজারের হাতুড়ে হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার সুনীল দাশ। তিনি নিজেকে বাঁচাতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন বলে জানা গেছে।

পলাশ খান পল্টুর স্ত্রী ময়না বেগম জানান, আমার স্বামী গত সোমবার (২৪ মে) রাত ১০টায় হঠাৎ অসুস্থবোধ করে। এ সময় সে চোখে দেখেতে পাচ্ছিল না। তাকে তাৎক্ষণিকভাবে তালা হাসপাতালে এবং পরে সেখান থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সেখানকার চিকিৎসারা বলেছেন, তার চোখ দুটি অন্ধ হয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় বাজারের হাতুড়ে ডাক্তার সুনীশ দাশের পরামর্শে নেশা জাতীয় ঔষুধ পান করে তার স্বামীর আজ এমন অবস্থা হয়েছে। এ সময় তিনি হাতুড়ে ডাক্তার সুনীল দাশের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নিবেন বলেও জানান।

পলাশ খান পল্টু জানান, সম্প্রতি ঋণে জর্জরিত হয়ে হতাশায় ভূগছিলেন তিনি। হাতাশা দূর করতে শাহাজাতপুর বাজারের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক সুনিল দাশের পরামার্শে তার দোকন থেকে তিনি এনটারে ও নাটফোম নামের ঔষধ সেবন করেন। এনটারে নামের একটি বড় ফাইলে প্যাকেটে মূল্য ১০০ টাকা লেখা থাকলেও নিয়েছেন ১৮০ টাকা এবং নাটফোমের মূল্য ৬০ টাকা লেখা থাকলেও ২০০ টাকা করে নিতেন। উক্ত ঔষধ তিনি নিয়মিত সেবন করে যেতেন। নেশা জাতীয় উক্ত ঔষধ সেবন করেই বর্তমানে তার এই অবস্থা। এ সময় পলাশ খান পল্টু হাতুড়ে ডাক্তার সুনিল দাশের বিচার দাবী করেন এবং তার বিরদ্ধে আইনের আশ্রয় নিবেন বলে জানান।

এলাকাবাসী জানান, শাহাজাতপুর বাজারের ওষুধের দোকানদার সুনীল দাশসহ কয়েকজন দীর্ঘদিন নেশা জাতীয় হোমিওপ্যাথিক ওষুধ বিক্রি করে আসছে। দোকানে দোকানে ওই ওষুধ পৌঁছে দেয় একটি চক্র। আর উঠতি বয়সী যুবকরা এটি হরহামেশে খাচ্ছে।

এদিকে শাহাজাতপুর বাজারের হাতুড়ে হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার ঐ গ্রামের দেবেন্দ্র নাথ দাশের ছেলে সুনীল দাশ বেশ কয়েকদিন গা ঢাকা দিয়েছেন। এমনটি তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ রয়েছে।

এদিকে পলাশ খান পল্টু বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোঃ নজরুল ইসলাম ও সহকারী অধ্যাপক চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোঃ এমরানুল ইসলাম আবিরের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

সহকারী অধ্যাপক চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ মোঃ এমরানুল ইসলাম আবির জানিয়েছেন, বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই বিভিন্ন ঔষুধ সেবনের ফলে চোখের কর্নিয়া সাথে শিরা ও উপশিরা সংযোগ গুলো নষ্ট হয়ে গেছে। এজন্য তার দুই চোখ অন্ধ হয়ে গেছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

তালা বাজার বণিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন : সন্ত্রাসী হামলা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ

তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: তালা বাজারকে অশান্ত করার ষড়যন্ত্র, সাধারণ ব্যবসায়ীদের ওপর সন্ত্রাসীবিস্তারিত পড়ুন

খুলনায় সাংবাদিকদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় তালা প্রেসক্লাবের নিন্দা

তালা প্রতিনিধি: খুলনায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর দুর্বৃত্তদের গুলিবর্ষণের ঘটনায় তীব্রবিস্তারিত পড়ুন

তালায় জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া

তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার তালায় জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভাবিস্তারিত পড়ুন

  • তালায় সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও স্থায়ী বাসস্ট্যান্ড নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন
  • তালায় মুক্তি ফাউন্ডেশনের প্রজেক্ট ইনসেপশন মিটিং অনুষ্ঠিত
  • তালায় উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা
  • তালায় শিশুকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ, অভিযুক্ত পলাতক
  • তালায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা
  • তালায় নারী সমাবেশ: সহিংসতা, বাল্যবিবাহ ও মানবপাচার প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান
  • তালায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত
  • তালা প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
  • তালার নগরঘাটা-মাছখোলা সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করলেন হাবিব
  • সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবকে জনতা ব্যাংকারদের ফুলেল শুভেচ্ছা
  • তালায় বাসচাপায় স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু, আহত বাবা
  • তালায় মহান্দী-কাশিমনগর ভায়া খলিলনগর সড়কের পুনঃসংস্কার কাজের উদ্বোধন