শনিবার, অক্টোবর ৩, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

তৃণমূলের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন করে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। দলীয় সংকট ও বিদ্রোহের আবহে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। একই সঙ্গে দলকে নতুনভাবে সাজাতে সর্বস্তরে আত্মসমালোচনা, কর্মদক্ষতার মূল্যায়ন এবং সাংগঠনিক পর্যালোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সব কমিটি এবং সহযোগী ও শাখা সংগঠনের সব কমিটি অবিলম্বে বিলুপ্ত করা হচ্ছে। পর্যালোচনা প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর নতুন সাংগঠনিক কাঠামো ঘোষণা করা হবে।

এই সিদ্ধান্ত এমন সময়ে নেওয়া হলো, যখন দলের একাংশের বিধায়ক প্রকাশ্যেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। বিদ্রোহী বিধায়কদের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে বিধানসভার স্পিকারের কাছে পৃথক পরিষদীয় দল হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন করেছে। ফলে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংকট আরও গভীর হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

গত মে মাসে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই তৃণমূলের ভেতরে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। একাধিক নেতা ও বিধায়ক নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। দলের সাংগঠনিক দুর্বলতা, প্রার্থী বাছাই এবং নির্বাচনী কৌশল নিয়েও সমালোচনা শুরু হয়। সেই প্রেক্ষাপটে বুধবারের সিদ্ধান্তকে অনেকেই দলের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ের অংশ হিসেবে দেখছেন।

দলীয় সূত্রের দাবি, আগামী দিনে জেলা থেকে বুথ স্তর পর্যন্ত সব সংগঠন নতুনভাবে গড়ে তোলা হবে। কারা মাঠে সক্রিয় ছিলেন, কারা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন এবং কোথায় কোথায় সাংগঠনিক দুর্বলতা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধুমাত্র সাংগঠনিক রদবদল নয়। বরং ক্ষমতা হারানোর পর দলকে নতুনভাবে পুনর্গঠনের একটি বড় রাজনৈতিক বার্তা। একই সঙ্গে বিদ্রোহী শিবিরকে নিয়ন্ত্রণে আনা এবং তৃণমূলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টাও এর মধ্যে রয়েছে।

বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অতীতেও কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সাংগঠনিক পরিবর্তনের মাধ্যমে দলকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন। তবে এবার পরিস্থিতি অনেক বেশি জটিল।

কারণ একদিকে নির্বাচনী পরাজয়, অন্যদিকে বিধায়কদের বিদ্রোহ এবং নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন দলকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দলকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতের রাজনৈতিক লড়াইয়ের জন্য নতুন উদ্যমে সংগঠনকে প্রস্তুত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। এখন নজর থাকবে, পুনর্গঠনের পর তৃণমূল কতটা ঐক্যবদ্ধ হতে পারে এবং বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে নেতৃত্বের সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেয়।

একই রকম সংবাদ সমূহ

বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি: ইন্টারনেট বন্ধ, সাতশ’র বেশি আটক

ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও গণহারে ভোটারের নামবিস্তারিত পড়ুন

১২০ শতাংশ নিশ্চিত ভারত-বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হবে: দীনেশ ত্রিবেদী

বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হবে, এটা ১২০ শতাংশ নিশ্চিত বলেবিস্তারিত পড়ুন

ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ : হুমায়ুন কবির

বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে এবং উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে নয়াদিল্লিরবিস্তারিত পড়ুন

  • ভারত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যেকোনো অভিযানের জন্য প্রস্তুত: রাজনাথ সিং
  • নাশকতার নির্দেশনা ভারতীয় নম্বর থেকে, বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ভিডিও পাঠালে ১০ হাজার
  • বাংলাদেশি সাংবাদিকদের ফ্রিতে সাংবাদিকতা শেখাবে ভারত
  • দিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার আসাদ আলম, অনুমোদন দিল ভারত
  • কলকাতা নিউমার্কেট এলাকার ৮০০ রুপির ঘর এখন ৩ হাজার
  • নরেন্দ্র মোদির জন্মদিনে প্রদীপ না জ্বালানোয় জরিমানা
  • ইন্দিরা পেরেছিলেন, দল-প্রতীক হারিয়ে মমতা কি ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন?
  • ‘নিজের ফাঁদেই আটকা ভারত’: বাংলাদেশকে পাকিস্তান না ভাবার সতর্কবার্তা শেখর গুপ্তের
  • ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কের বিলে সই করলেন ট্রাম্প
  • দিল্লিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে শেখ হাসিনার সরাসরি বৈঠক!
  • কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাদের তিরস্কার করলেন ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা
  • নভেম্বরে ভারত সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান