ঈদুল আজহার আগে
পশ্চিমবঙ্গে গরু-বাছুর জবাইয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল কলকাতা হাইকোর্টের


ঈদুল আজহার আগে পশ্চিমবঙ্গে ষাঁড়, বলদ, গরু, বাছুর ও মহিষ জবাইয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছেন কলকাতা হাইকোর্ট। একইসঙ্গে গরু কোরবানি ঈদুল আজহার অংশ নয় এবং ইসলামে এটি ধর্মীয়ভাবে বাধ্যতামূলকও নয় বলে জানিয়েছে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পল ও বিচারপতি পার্থ সারথী সেনের বেঞ্চ।
শুক্রবার (২২ মে) দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
এর আগে, একাধিক জনস্বার্থ মামলায় রাজ্যের আদেশ বাতিল করতে এবং অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিতে বলা হয়েছিল আদালতকে।
মূলত ১৯৫০ সালের পশ্চিমবঙ্গ পশু কুরবানি নিয়ন্ত্রণ আইনের ১২ নম্বর ধারায় ধর্মীয়, ওষুধ বা গবেষণার উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ পশু কোরবানির ছাড় দেওয়ার ক্ষমতা সরকারের আছে কি না- সেই প্রসঙ্গে আদালত রাজ্যকে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছিল।
তবে, বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি জয় পাল এবং বিচারপতি পার্থ সারথি সেনের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ১৩ মে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকৃতি জানান।
আদালত জানান, ২০২৬ সালের ১৩ মে জারি করা বিজ্ঞপ্তিটি মূলত ২০১৮ সালের হাইকোর্টের পূর্ববর্তী নির্দেশনারই বাস্তবায়ন। ফলে এই বিজ্ঞপ্তি স্থগিত বা বাতিল করার কোনো ভিত্তি নেই।
রাজ্য সরকারের ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ষাঁড়, বলদ, গরু, বাছুর ও মহিষকে ‘নাজুক’ ঘোষণা ও সনদপত্র ছাড়া জবাই করা যাবে না।
এ বিষয়ে আইনের সংবিধানিকতা নিয়ে চ্যালেঞ্জ করা মামলাগুলোতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য যুক্তি দেন, এই আইন কলকাতা ও অন্যান্য পৌরসভার জন্য তৈরি হয়েছিল, পুরো রাজ্যের জন্য নয়। তবে আদালত সেই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি।
কলকাতা পৌরসংস্থার আইনজীবী নীলোৎপল চ্যাটার্জি জানান, তাদের কাছে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোসহ জবাইখানা আছে এবং সনদ দেওয়ার জন্য নির্ধারিত কর্মকর্তাও আছেন। আদালত বলেছে, সনদ দেওয়ার সঠিক ব্যবস্থা আছে কি না তা দেখার দায়িত্ব রাজ্যের। কোনো ঘাটতি পাওয়া গেলে তা দ্রুত ঠিক করতে হবে বলেও আদালত আশা প্রকাশ করেছে।
কলারোয়া নিউজে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। (Unauthorized use of news, image, information, etc published by kalaroa News is punishable by copyright law. Appropriate legal steps will be taken by the management against any person or body that infringes those laws.)
একই রকম সংবাদ সমূহ

বাংলাদেশ সীমান্তে একাধিক আধুনিক স্থলবন্দর করবে ভারত
বাংলাদেশ ও নেপালের সঙ্গে বাণিজ্য এবং যাত্রী চলাচল আরও সহজ করতে পশ্চিমবঙ্গেবিস্তারিত পড়ুন

মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে বাঙালি মুসলমানদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠাচ্ছে ভারত
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম সীমান্ত দিয়ে বাঙালি মুসলিম জনগোষ্ঠীকে কোনো ধরনের আইনিবিস্তারিত পড়ুন

বাংলাদেশ সীমান্তে এলাকার জনমিতিক পরিবর্তন খতিয়ে দেখবে ভারত
বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন জেলাসহ ভারতের বিভিন্ন কৌশলগত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশের কারণে সৃষ্ট জনমিতিকবিস্তারিত পড়ুন


