সোমবার, আগস্ট ৩১, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

করোনা

বাংলাদেশে এসে ফিরতে পারছেন না অনেক ভারতীয়, দেশে যাওয়ার আকুতি

কেউ গিয়েছিলেন আত্মীয়ের বাড়ি বেড়াতে। কেউ গিয়েছিলেন আত্মীয়ের বিয়ে বা জন্মদিনের অনুষ্ঠানে। কিন্তু লকডাউনের জেরে তাঁরা আর বাংলাদেশ থেকে ফিরতে পারেননি। অনেকেরই ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। হাতে টাকাও নেই। একবেলা-আধবেলা খেয়ে দিন কাটছে অনেকেরই। অপরদিকে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে কতদিন থাকা যায়? সকলেই দেশে ফিরতে চাইছেন। কিন্তু ফেরার কোনও উপায় খুঁজে পাচ্ছেন না।

যেমন বারাসতের দম্পতি রামপ্রসাদ মল্লিক এবং দীপিকা মল্লিক। ৯ মার্চ তাঁরা গিয়েছিলেন বাংলাদেশে এক আত্মীয়ের বাড়ি। ইচ্ছে ছিল ১০-১৫ দিনের মধ্যে ফিরে আসবেন। কিন্তু লকডাউনে জেরে আটকে পড়েছেন তাঁরা।
ওই দম্পতির মেয়ে নাইসা জানালেন, বাড়িতে ফিরতে না পেরে বাবা-মা চিন্তায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দিন কয়েক আগে মা অসুস্থ হয়ে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলেন।
নাইসার কথায়, ‘বাবার সাইনাসের সমস্যা রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে ফিরে বাবার ডাক্তার দেখানোর কথা ছিল। কবে বাবা-মা বাড়ি ফিরতে পারবেন, জানি না। দু’মাস আগে ওঁদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে বাবা-মায়ের জন্য খুবই চিন্তায় রয়েছি।’

গোবরডাঙার বাসিন্দা এক ব্যক্তি বাংলাদেশের মাদারিপুর জেলায় আত্মীয় বাড়িতে গিয়েছিলেন। লকডাউনে আটকে পড়েছেন। কাছে টাকা নেই। পরিচিত এক জনের বাড়িতে বাজার করছেন, রান্নার জন্য আনাজ কাটছেন, জামা কাপড় কাচছেন। দিন কয়েক আগে করোনা পরীক্ষার জন্য লালারস দিয়েছেন। কিন্তু কী ভাবে কবে দেশে ফিরতে পারবেন, তা তিনি জানেন না।

বাংলাদেশে আটকে থাকা ভারতীয়দের মধ্যে বেশির ভাগই অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষ। বিমানে আসা বা কোয়রান্টিনে থাকার মতো টাকা তাঁদের নেই। তাঁরা যে সব আত্মীয়ের বাড়িতে রয়েছেন, তাঁদেরও আর্থিক অবস্থাও ভাল নয়। আটকে থাকা অনেকেরই বিমানে আসার মতো আর্থিক সামর্থ্য নেই। অনেকেই চাইছেন, সরকার তাঁদের দেশে ফেরাতে পদক্ষেপ করুক।

পেট্রাপোল অভিবাসন দফতরের চিফ অফিসার জয়ন্ত বিশ্বাস বলেন, ‘বাংলাদেশে আটকে পড়া ভারতীয়রা দেশে ফিরতে চাইলে ও-দেশে থাকা ভারতীয় হাইকমিশনারের দফতরে যোগাযোগ করে আবেদন করতে হবে। দেশে ফিরে কোথায় কোয়রান্টিনে থাকবেন, সেটাও জানাতে হবে তাঁদের।’

অভিবাসন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এ ভাবে অনেকেই দেশে ফিরে আসছেন। তাঁরা বিমান বা সড়ক পথে ফিরছেন। বাংলাদেশে আটকে পড়া ভারতীয়দের পক্ষে কি হাইকমিশনারের অফিসে যোগাযোগ করা সকলের পক্ষে সম্ভব? অভিবাসন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু ঢাকা নয় সিলেট, রঙপুর, খুলনা চট্টগ্রাম-সহ ৬-৭ জায়গায় হাইকমিশনের অফিস আছে। আটকে পড়া ভারতীয়দের সরাসরি যেতে হচ্ছে না। মেলে, ফোনে বা যে কোনও ডিজিটাল মাধ্যমে যোগাযোগ করলেই হবে।

নাইসা এ বিষয়ে বলেন, ‘মাসখানেক আগে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের অফিসে ফর্ম ভর্তি করে বাবা-মায়ের ব্যাপারে আবেদন করেছিলাম। ঠিকানা, পাসপোর্ট ভিসার নথিপত্র চাওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল, ধীরে ধীরে ভারতীয়দের দেশে পাঠানো হচ্ছে। আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নেওয়া হবে। কিন্তু এখনও করা হয়নি।’
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

একই রকম সংবাদ সমূহ

নীতিমালা জারি: ৮ শ্রেণির মানুষ পাবেন না ফ্যামিলি কার্ড

দরিদ্র, অতি দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনতেবিস্তারিত পড়ুন

বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’বিস্তারিত পড়ুন

সাগর-রুনি হত্যায় এক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সম্পৃক্ততার তথ্য মিললো : চিফ প্রসিকিউটর

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের একবিস্তারিত পড়ুন

  • ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা প্রণয়ন করছে সরকার: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
  • নতুন দায়িত্বে হুমায়ুন কবির
  • শিক্ষার্থীদের ভিসাপ্রক্রিয়া সহজ করতে মন্ত্রিপরিষদে বিশেষ কমিটি : শিক্ষামন্ত্রী
  • রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সফরের আমন্ত্রণ
  • মির্জা ফখরুলের চেয়ারে সালাহউদ্দিনকে বসিয়ে কী বার্তা দিল বিএনপি?
  • স্থানীয় নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ থাকতে ও একক প্রার্থীর ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর
  • নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর গুম: প্রধানমন্ত্রী
  • চোখ বেঁধে সীমান্ত দিয়ে শিলং, পরে পাগল ভেবে হাসপাতালে নেয়া হয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • ঢাকার যানজট নিরসন, ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নে যেসব সিদ্ধান্ত
  • গুম-খুন ও জুলাই শহীদ পরিবারের ৭৪ সদস্যকে চাকরি দিলেন প্রধানমন্ত্রী
  • গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী
  • ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর