বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

করোনা

বাংলাদেশে এসে ফিরতে পারছেন না অনেক ভারতীয়, দেশে যাওয়ার আকুতি

কেউ গিয়েছিলেন আত্মীয়ের বাড়ি বেড়াতে। কেউ গিয়েছিলেন আত্মীয়ের বিয়ে বা জন্মদিনের অনুষ্ঠানে। কিন্তু লকডাউনের জেরে তাঁরা আর বাংলাদেশ থেকে ফিরতে পারেননি। অনেকেরই ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। হাতে টাকাও নেই। একবেলা-আধবেলা খেয়ে দিন কাটছে অনেকেরই। অপরদিকে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে কতদিন থাকা যায়? সকলেই দেশে ফিরতে চাইছেন। কিন্তু ফেরার কোনও উপায় খুঁজে পাচ্ছেন না।

যেমন বারাসতের দম্পতি রামপ্রসাদ মল্লিক এবং দীপিকা মল্লিক। ৯ মার্চ তাঁরা গিয়েছিলেন বাংলাদেশে এক আত্মীয়ের বাড়ি। ইচ্ছে ছিল ১০-১৫ দিনের মধ্যে ফিরে আসবেন। কিন্তু লকডাউনে জেরে আটকে পড়েছেন তাঁরা।
ওই দম্পতির মেয়ে নাইসা জানালেন, বাড়িতে ফিরতে না পেরে বাবা-মা চিন্তায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দিন কয়েক আগে মা অসুস্থ হয়ে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলেন।
নাইসার কথায়, ‘বাবার সাইনাসের সমস্যা রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে ফিরে বাবার ডাক্তার দেখানোর কথা ছিল। কবে বাবা-মা বাড়ি ফিরতে পারবেন, জানি না। দু’মাস আগে ওঁদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে বাবা-মায়ের জন্য খুবই চিন্তায় রয়েছি।’

গোবরডাঙার বাসিন্দা এক ব্যক্তি বাংলাদেশের মাদারিপুর জেলায় আত্মীয় বাড়িতে গিয়েছিলেন। লকডাউনে আটকে পড়েছেন। কাছে টাকা নেই। পরিচিত এক জনের বাড়িতে বাজার করছেন, রান্নার জন্য আনাজ কাটছেন, জামা কাপড় কাচছেন। দিন কয়েক আগে করোনা পরীক্ষার জন্য লালারস দিয়েছেন। কিন্তু কী ভাবে কবে দেশে ফিরতে পারবেন, তা তিনি জানেন না।

বাংলাদেশে আটকে থাকা ভারতীয়দের মধ্যে বেশির ভাগই অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষ। বিমানে আসা বা কোয়রান্টিনে থাকার মতো টাকা তাঁদের নেই। তাঁরা যে সব আত্মীয়ের বাড়িতে রয়েছেন, তাঁদেরও আর্থিক অবস্থাও ভাল নয়। আটকে থাকা অনেকেরই বিমানে আসার মতো আর্থিক সামর্থ্য নেই। অনেকেই চাইছেন, সরকার তাঁদের দেশে ফেরাতে পদক্ষেপ করুক।

পেট্রাপোল অভিবাসন দফতরের চিফ অফিসার জয়ন্ত বিশ্বাস বলেন, ‘বাংলাদেশে আটকে পড়া ভারতীয়রা দেশে ফিরতে চাইলে ও-দেশে থাকা ভারতীয় হাইকমিশনারের দফতরে যোগাযোগ করে আবেদন করতে হবে। দেশে ফিরে কোথায় কোয়রান্টিনে থাকবেন, সেটাও জানাতে হবে তাঁদের।’

অভিবাসন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এ ভাবে অনেকেই দেশে ফিরে আসছেন। তাঁরা বিমান বা সড়ক পথে ফিরছেন। বাংলাদেশে আটকে পড়া ভারতীয়দের পক্ষে কি হাইকমিশনারের অফিসে যোগাযোগ করা সকলের পক্ষে সম্ভব? অভিবাসন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু ঢাকা নয় সিলেট, রঙপুর, খুলনা চট্টগ্রাম-সহ ৬-৭ জায়গায় হাইকমিশনের অফিস আছে। আটকে পড়া ভারতীয়দের সরাসরি যেতে হচ্ছে না। মেলে, ফোনে বা যে কোনও ডিজিটাল মাধ্যমে যোগাযোগ করলেই হবে।

নাইসা এ বিষয়ে বলেন, ‘মাসখানেক আগে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের অফিসে ফর্ম ভর্তি করে বাবা-মায়ের ব্যাপারে আবেদন করেছিলাম। ঠিকানা, পাসপোর্ট ভিসার নথিপত্র চাওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল, ধীরে ধীরে ভারতীয়দের দেশে পাঠানো হচ্ছে। আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নেওয়া হবে। কিন্তু এখনও করা হয়নি।’
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

একই রকম সংবাদ সমূহ

শ্রমবাজারে নতুন দিগন্ত, ৮ মাসে বিদেশে গেছেন প্রায় সাড়ে চার লাখ কর্মী

যুদ্ধের কালো মেঘ আর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মেঘ কাটিয়েও বিদেশের শ্রমবাজারে নিজেদেরবিস্তারিত পড়ুন

নোবেলজয়ী ইউনূসকে হেনস্তা, সরকারের তীব্র নিন্দা

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারেরবিস্তারিত পড়ুন

থাইল্যান্ডে বিদেশি ব্যবসার প্রসার, বাংলাদেশের সম্ভাবনায় বাধা কেন?

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র থাইল্যান্ড। দেশটির বাজারে চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, তাইওয়ান,বিস্তারিত পড়ুন

  • এসএসসিতে ফেল করলে ১৫ দিনের মধ্যে ফের পরীক্ষা : শিক্ষামন্ত্রী
  • পুলিশি পাহারায় ৩০ ঘণ্টা পর চুয়েট ছাড়লেন উপাচার্য
  • সৌদিতে আটকে পড়াদের ভিসার মেয়াদ নিয়ে ঢাকার দ্বিপক্ষীয় উদ্যোগ
  • ড. ইউনূস সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন, যা জানালেন সফরসঙ্গী
  • সৌদিগামী ৫১ ফ্লাইট বাতিল, ঢাকায় ভোগান্তিতে ৫৪১৮ যাত্রী
  • থাকছে না দলীয় প্রতীক : স্থানীয় নির্বাচনে তৃণমূলে ঐক্যের ওপর জোর বিএনপির
  • সংস্কারে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ ঐকমত্য, বিনিয়োগে জোর দিচ্ছে সরকার
  • উন্নয়ন অর্থায়নে বিশ্বব্যাংকের ‘ফিলানথ্রপি হাব’ চালু
  • ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও চারজনের, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ২১৬৭
  • বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ খাতে কানাডার প্রতি সহযোগিতার আহবান প্রধানমন্ত্রীর
  • ইউপি নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, ৫ ধাপের প্রথমটি ২১ জানুয়ারি
  • জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী