বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

বিশ্ব মা দিবস

যেভাবে এলো বিশ্ব মা দিবস!

প্রতিবছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার পালন করা হয় বিশ্ব মা দিবস। এ হিসাব অনুযায়ী, আজ রোববার ৮ মে সারা বিশ্বে পালন করা হচ্ছে মা দিবসটি। এই দিনটি মাকে বিশেষভাবে ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা জানানোর দিন।

মানসিক বিকাশ থেকে শুরু করে জীবনের সফলতা প্রতিটি পদক্ষেপেই মায়ের অবদানকে অস্বীকার করার উপায় নেই। সন্তানের জন্য সব থেকে বেশি যে আত্মত্যাগ করতে পারে সেই নামটিই হলো মা। স্বার্থপর এই দুনিয়াতে নিঃস্বার্থভাবে শুধু মা-ই আমাদের ভালোবাসতে পারেন।

দিবসটি বিশ্বজুড়ে মাতৃত্ব ও মাতৃসত্তার গুরুত্ব এবং তাৎপর্য স্মরণ করে দেয়। আমাদের আবারও একবার স্মরণ করে দেয় পৃথিবীতে আমাদের পদচারণার মূল কাণ্ডারিকে।

বিশেষ এই দিবসটি কীভাবে এলো তা হয়তো অনেকেরই অজানা। ইতিহাস বলছে, অনেক পথ পেরিয়ে এই দিবসটি নতুন রূপ পেয়েছে। ধারণা করা হয়, মা দিবসের সূচনা প্রাচীন গ্রিসের মাতৃরূপী দেবী সিবেলের এবং প্রাচীন রোমান দেবী জুনোর আরাধনা থেকে।

এ ছাড়া ইউরোপ ও যুক্তরাজ্য অনেক আগে থেকেই মায়েদের এবং মাতৃত্বকে সম্মান জানানোর জন্য একটি নির্দিষ্ট রবিবারকে বেছে নিয়েছিলেন। ষোড়শ শতকে এটি ইংল্যান্ডে মাদারিং সানডে বলে পরিচিতি লাভ করে। অনেকেই ক্যাথলিক পঞ্জিকা অনুযায়ী এটিকে লেতারে সানডে যা লেন্টের সময়ে চতুর্থ রবিবারে পালন করতে শুরু করে।

তবে ইতিহাস বিদদের মতে, জুলিয়া ওয়ার্ড হোই রচিত “মাদার্স ডে প্রক্লামেশন” বা “মা দিবসের ঘোষণাপত্র” মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মা দিবস পালনের গোড়ার দিকের প্রচেষ্টাগুলোর মধ্যে অন্যতম।

১৮৭০ সালে আমেরিকার গৃহযুদ্ধের পৈশাচিকতার মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে শান্তির প্রত্যাশায় জুলিয়া একটি ঘোষণাপত্র লেখেন। এরপর যুদ্ধ শেষে পরিবারহীন অনাথদের সেবায় ও একত্রীকরণে নিয়োজিত হন মার্কিন সমাজকর্মী আনা রিভিজ জার্ভিস ও তার মেয়ে আনা মেরি জার্ভিস।

এ সময় তারা জুলিয়া ওয়ার্ড ঘোষিত মা দিবস পালন করতে শুরু করেন। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণে আনা রিভিজ জার্ভিস ১৯০৫ সালের ৫ মে মারা যান।

মায়ের মৃত্যুর পর আনা মেরি জার্ভিস মায়ের শান্তি কামনায় ও তার সম্মানে সরকারিভাবে মা দিবস পালনের জন্য প্রচারণা চালান। তিন বছর পর ১৯০৮ সালের ১০ মে পশ্চিম ভার্জিনিয়ার আন্দ্রেউজ মেথডিস্ট এপিসকোপাল চার্চে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম মা দিবস পালিত হয়।

এরপর ১৯১২ সালে এই দিবসটিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ব্যাপক প্রচারণা শুরু হয়। এই প্রচারণা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ কানাডা, মেক্সিকো, চীন, জাপান, দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকায়।

এই প্রচারণার প্রেক্ষিতে ১৯১৪ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রবিবারকে মা দিবস ও জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করেন। এরপর থেকেই প্রতিটি দেশে মায়েদের সম্মান ও শ্রদ্ধা জানানোর জন্য এই দিনটি উৎসর্গ করা হয়। দেশে দেশে পালন করা হয় বিশ্ব মা দিবস।

একই রকম সংবাদ সমূহ

ড্রাইভিং লাইসেন্স বাড়িতেই পৌঁছে যাবে! বিআরটিএ

ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে আর বিআরটিএ কার্যালয়ে দিনের পর দিন ধর্না দিতেহবে না।বিস্তারিত পড়ুন

অ্যাফিডেভিট ছাড়াই সংশোধন করা যাবে পাসপোর্টের নাম-বয়স

কোনো ধরনের অ্যাফিডেভিট ছাড়াই সংশোধন করা যাবে পাসপোর্টের নামের বানান ও বয়সেরবিস্তারিত পড়ুন

জি কে শামীম ও ৭ দেহরক্ষীর যাবজ্জীবন

অস্ত্র আইনে করা মামলায় কথিত যুবলীগ নেতা ও বিতর্কিত ঠিকাদার এসএম গোলামবিস্তারিত পড়ুন

  • ইডেন ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
  • যশোর শিক্ষাবোর্ডের স্থগিত বাংলা ২য় পত্রের এমসিকিউ পরীক্ষা ৩০ সেপ্টেম্বর
  • সীমান্তে হামলা, মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে চতুর্থ বারের মত তলব
  • মিয়ানমার ইস্যুতে যুদ্ধ চায় না, শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করতে চায়-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • অক্টোবরে করোনা টিকার প্রথম ডোজ বন্ধ হতে পারে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
  • একের পর এক মর্টার শেল নিক্ষেপ, মিয়ানমার আসলে কী চায়?
  • আজ ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী! লন্ডন ও নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে
  • ইসির দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা
  • শেখ রেহানার ৬৭ তম জন্মদিনে আওয়ামী লীগের শুভেচ্ছা
  • পহেলা অক্টোবর থেকে খোলা বাজারে আটা বিক্রি হবে- খাদ্যমন্ত্রী
  • জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ইন্তেকাল করেছেন
  • রোহিঙ্গারা ফেরত না গেলে দেশ অনিরাপদ হবে: প্রধানমন্ত্রী
  • error: Content is protected !!