শুক্রবার, জানুয়ারি ২৭, ২০২৩

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

বিশ্ব মা দিবস

যেভাবে এলো বিশ্ব মা দিবস!

প্রতিবছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার পালন করা হয় বিশ্ব মা দিবস। এ হিসাব অনুযায়ী, আজ রোববার ৮ মে সারা বিশ্বে পালন করা হচ্ছে মা দিবসটি। এই দিনটি মাকে বিশেষভাবে ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা জানানোর দিন।

মানসিক বিকাশ থেকে শুরু করে জীবনের সফলতা প্রতিটি পদক্ষেপেই মায়ের অবদানকে অস্বীকার করার উপায় নেই। সন্তানের জন্য সব থেকে বেশি যে আত্মত্যাগ করতে পারে সেই নামটিই হলো মা। স্বার্থপর এই দুনিয়াতে নিঃস্বার্থভাবে শুধু মা-ই আমাদের ভালোবাসতে পারেন।

দিবসটি বিশ্বজুড়ে মাতৃত্ব ও মাতৃসত্তার গুরুত্ব এবং তাৎপর্য স্মরণ করে দেয়। আমাদের আবারও একবার স্মরণ করে দেয় পৃথিবীতে আমাদের পদচারণার মূল কাণ্ডারিকে।

বিশেষ এই দিবসটি কীভাবে এলো তা হয়তো অনেকেরই অজানা। ইতিহাস বলছে, অনেক পথ পেরিয়ে এই দিবসটি নতুন রূপ পেয়েছে। ধারণা করা হয়, মা দিবসের সূচনা প্রাচীন গ্রিসের মাতৃরূপী দেবী সিবেলের এবং প্রাচীন রোমান দেবী জুনোর আরাধনা থেকে।

এ ছাড়া ইউরোপ ও যুক্তরাজ্য অনেক আগে থেকেই মায়েদের এবং মাতৃত্বকে সম্মান জানানোর জন্য একটি নির্দিষ্ট রবিবারকে বেছে নিয়েছিলেন। ষোড়শ শতকে এটি ইংল্যান্ডে মাদারিং সানডে বলে পরিচিতি লাভ করে। অনেকেই ক্যাথলিক পঞ্জিকা অনুযায়ী এটিকে লেতারে সানডে যা লেন্টের সময়ে চতুর্থ রবিবারে পালন করতে শুরু করে।

তবে ইতিহাস বিদদের মতে, জুলিয়া ওয়ার্ড হোই রচিত “মাদার্স ডে প্রক্লামেশন” বা “মা দিবসের ঘোষণাপত্র” মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মা দিবস পালনের গোড়ার দিকের প্রচেষ্টাগুলোর মধ্যে অন্যতম।

১৮৭০ সালে আমেরিকার গৃহযুদ্ধের পৈশাচিকতার মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে শান্তির প্রত্যাশায় জুলিয়া একটি ঘোষণাপত্র লেখেন। এরপর যুদ্ধ শেষে পরিবারহীন অনাথদের সেবায় ও একত্রীকরণে নিয়োজিত হন মার্কিন সমাজকর্মী আনা রিভিজ জার্ভিস ও তার মেয়ে আনা মেরি জার্ভিস।

এ সময় তারা জুলিয়া ওয়ার্ড ঘোষিত মা দিবস পালন করতে শুরু করেন। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণে আনা রিভিজ জার্ভিস ১৯০৫ সালের ৫ মে মারা যান।

মায়ের মৃত্যুর পর আনা মেরি জার্ভিস মায়ের শান্তি কামনায় ও তার সম্মানে সরকারিভাবে মা দিবস পালনের জন্য প্রচারণা চালান। তিন বছর পর ১৯০৮ সালের ১০ মে পশ্চিম ভার্জিনিয়ার আন্দ্রেউজ মেথডিস্ট এপিসকোপাল চার্চে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম মা দিবস পালিত হয়।

এরপর ১৯১২ সালে এই দিবসটিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ব্যাপক প্রচারণা শুরু হয়। এই প্রচারণা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ কানাডা, মেক্সিকো, চীন, জাপান, দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকায়।

এই প্রচারণার প্রেক্ষিতে ১৯১৪ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রবিবারকে মা দিবস ও জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করেন। এরপর থেকেই প্রতিটি দেশে মায়েদের সম্মান ও শ্রদ্ধা জানানোর জন্য এই দিনটি উৎসর্গ করা হয়। দেশে দেশে পালন করা হয় বিশ্ব মা দিবস।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সেচ মৌসুমে লোডশেডিং থাকবে না : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

আসছে সেচ মৌসুমে লোডশেডিং থাকবে না বলে জানিয়েছেন জ্বালানি বিদ্যুৎ ও খনিজসম্পদবিস্তারিত পড়ুন

বাংলাদেশ বিশ্বমানের শিক্ষার্থী তৈরি করছে : বাহাউদ্দিন নাছিম

আজ বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা বিশ্বের অনেক বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে বাংলাদেশের মুখবিস্তারিত পড়ুন

দূষিত শহরের তালিকায় আবারও শীর্ষে ঢাকা

বায়ুর মান হিসেবে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় আবারও শীর্ষে উঠে এসেছে জনবহুলবিস্তারিত পড়ুন

  • ডিসি সম্মেলনে উত্থাপিত দাবি অযৌক্তিক ও অবাস্তব : আইইবি
  • রোহিঙ্গা ইস্যুর সমাধান কী তা আমি জানি না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • ই-কমার্স সূচকে ১২ ধাপ পেছালো বাংলাদেশ
  • ডলার ক্রাইসিস বলে ছড়াবেন না আতঙ্ক : এনবিআর চেয়ারম্যান
  • অনলাইন জুয়ার শাস্তি ২ বছরের জেল করার প্রস্তাব
  • সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে দেব না কাউকে : প্রধানমন্ত্রী
  • সাগরদাঁড়িতে সপ্তাহব্যাপী ‘মধুমেলা’, চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত
  • হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সরস্বতী পূজা আজ
  • সব শিক্ষার্থীকে স্কাউট প্রশিক্ষণ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
  • ইভিএম বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়নি, আপাতত স্থগিত করা হয়েছে -ইসি সচিব
  • আল্লাহ গজব না দিলে দুর্ভিক্ষের কোনো চান্স নেই : খাদ্যমন্ত্রী
  • নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে সেচের জন্য : নসরুল হামিদ
  • error: Content is protected !!