বৃহস্পতিবার, জুন ২৫, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

শতভাগ বিদ্যুতায়নের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ এখন শতভাগ বিদ্যুতায়নের দ্বারপ্রান্তে। চর থেকে পাহাড়, দ্বীপ থেকে প্রত্যন্ত জনপদ সব জায়গায় পৌঁছে গেছে বিদ্যুতের আলো, পাল্টে গেছে জীবনযাত্রা। বাকি কেবল পার্বত্য চট্টগ্রামের ০ দশমিক ১৫ ভাগ এলাকা। চলতি মাসের মধ্যে অবশিষ্ট কাজও শেষ করতে চায় বিদ্যুৎ বিভাগ।

খাগড়াছড়ির ঠাকুরছড়া, বিচ্ছিন্ন এই জনপদে আঁধার নামতেই জনজীবন স্থবির হতো। তবে এখন রাতের অন্ধকার দূর করে জনজীবন সচল থাকে বহুক্ষণ। দুর্গম পার্বত্য এলাকায় সৌর বিদ্যুতের আলো জীবনযাত্রা পাল্টে দিয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈ সিং বলেন, রিমোট এলাকা, সেই এলাকায় আমরা প্রায় ১১ হাজারের মতো সৌরবিদ্যুতের লাইন দিয়েছি। সাড়ে ৪২ হাজার পরিবারের মধ্যে সোলার আলো দেওয়া হবে বিনাপয়সায়।

মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন দুর্গম চরাঞ্চলে নদীর তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। আরও দুর্গম কিছু এলাকায় দেওয়া হয়েছে জেনারেটর। এভাবেই গেল এক যুগে বিদ্যুতের গ্রাহক বেড়েছে তিন কোটি ২১ লাখ।

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান সেলিম উদ্দিন বলেন, আগে গ্রাহকরা অফিসে আসত বিদ্যুৎ লাইনের জন্য। এখন আমরা উল্টো গ্রাহকের কাছে যাচ্ছি বিদ্যুৎ দেওয়ার জন্য। ‘আলোর ফেরিওয়ালা’ আমাদের একটি কর্মসূচি। তার মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে গিয়ে বিদ্যুৎ দিচ্ছি। আর আমাদের অফিসে আসলেও আমরা দ্রুত বিদ্যুতায়নের আওয়ায় নিয়ে আসছি। পাওয়ার সেলের তথ্যমতে, ২০০৯ সালে দেশে বিদ্যুতের গ্রাহক ছিল এক কোটি আট লাখ, বর্তমানে যা ৪ কোটি ১৮ লাখ। ২০০৯ সালে বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা ছিল চার হাজার ৯৪২ মেগাওয়াট, বর্তমানে ২৫ হাজার ২৮৪ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎকেন্দ্র ২৭টি থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৭টিতে। দ্রুত সময়ের মধ্যে শতভাগ বিদ্যুতায়নের মাইলফলক অতিক্রম করবে বাংলাদেশ।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, আমরা গ্রিড লাইনে শতভাগ বিদ্যুতায়ন করে ফেলেছি প্রায় ২০২০ সালের শেষ নাগাদ। আমাদের চ্যালেঞ্জটা ছিল চর এলাকায় কত দ্রুত বিদ্যুৎ নিয়ে আসতে পারি। আমরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেওয়ার জন্য দুর্গম চরগুলোতে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে কানেকশন দিচ্ছি। যে চ্যালেঞ্জটা আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় এখনও বাকি আছে, সেগুলো সোলার ছাড়া উপায় নাই।

পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, দশমিক ১৫ হলো ওই অংশটুকু। সে অংশটুকু সোলারের মাধ্যমে, পার্বত্য উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সেটা বিদ্যুতায়ন হবে। আমরা যেকোনো সময় প্রধানমন্ত্রীর সুবিধামতো সময়ে শতভাগ যে বিদ্যুতায়ন হয়েছে তা আমরা ঘোষণা আসবে।

দক্ষিণ এশিয়ায় ভুটানের পর বাংলাদেশই হতে যাচ্ছে দ্বিতীয় শতভাগ বিদ্যুতায়নের দেশ। তবে মাত্র সাড়ে সাত লাখ মানুষের দেশ ভুটানের চেয়ে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জটা অনেক বড় ছিল, যা জনসংখ্যার বিচার করলেই বোঝা যায়।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম. তামিম বলেন, আমাদের বিদ্যুতের ব্যবহার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে, ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অর্থনীতিকে সমর্থন করার ক্ষমতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা হবে ২২ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট। সে সময় উৎপাদন ক্ষমতা থাকবে প্রায় দ্বিগুণ।

একই রকম সংবাদ সমূহ

উপদেষ্টা জাহেদ ইস্যুতে ভারতের ব্যাখ্যা ‘সন্তোষজনক নয়’ : ঢাকা

দিল্লি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের সঙ্গে ঘটে যাওয়াবিস্তারিত পড়ুন

আমি ও আমার স্ত্রী মালয়েশিয়ার আতিথেয়তার জন্য কৃতজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল প্রায়বিস্তারিত পড়ুন

  • প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা নস্যাৎ করা হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার
  • ফ্যাসিবাদের উত্থানের চেষ্টা আর সম্ভব নয়, জনগণ ঐক্যবদ্ধ: রিজভী
  • বিচার নিশ্চিত না করলে মেয়াদ শেষ করতে পারবে না সরকার : নাহিদ ইসলামের হুঁশিয়ারি
  • সংসদ সদস্যদের প্রতি স্পিকারের কড়া নির্দেশনা
  • প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ ইস্যুতে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত
  • মামলা জটে আটকে ৩২৫০০ প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী
  • হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে পাঁচ লাখ টাকা দিলেন ডিসি সারওয়ার
  • ‘আমার বন্ধু মহাজাদু জানে’ তারেক রহমানকে নিয়ে ভিডিওতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
  • আগামী দুবছর ‘কঠিন’ যাবে, সতর্ক করলেন অর্থমন্ত্রী
  • চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী
  • মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত ও অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী