মঙ্গলবার, অক্টোবর ৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

হাম কী? লক্ষণ ও ঝুঁকি, যারা পাবে হামের টিকা, প্রতিরোধ ও প্রতিকার

দেশে হাম নিয়ে এক ধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। কিন্তু আতঙ্ক কখনোই ভালো ফল বয়ে আনে না; বরং সঠিক তথ্য জানা ও সচেতন হওয়াই সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ।

হাম কী?

হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তি হাঁচি-কাশি বা কথা বলার সময় বাতাসে ছড়িয়ে পড়া ড্রপলেটের মাধ্যমে এটি দ্রুত অন্যদের মধ্যে সংক্রমিত করতে পারে। এমনকি ভাইরাসটি বাতাস বা কোনো বস্তুর ওপর প্রায় দুই ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। সাধারণত ভাইরাস শরীরে প্রবেশের ১০–১৪ দিন পর লক্ষণ দেখা দেয়।

লক্ষণ ও ঝুঁকি

হামের প্রাথমিক লক্ষণকে 3C দিয়ে মনে রাখা যায়। যার ব্যাখ্যায় দাড়ায়- কফ, কোরাইজা বা সর্দি, কনজাংকটিভাইটিস বা চোখ লাল হওয়া। এর সঙ্গে তীব্র জ্বর, মুখের ভেতরে কপ্লিক স্পট এবং কয়েকদিন পর শরীরে র্যাশ দেখা দেয়, যা মুখ থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

৫ বছরের কম বয়সি শিশু ও অন্তঃসত্ত্বা নারীরা এর বেশি ঝুঁকিতে থাকে। অপুষ্ট শিশুর ক্ষেত্রে এটি মারাত্মক হতে পারে। হাম থেকে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, কানে সংক্রমণ, এমনকি মস্তিষ্কে প্রদাহের মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে।

কারা পাবে হামের টিকা

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আগামী রোববার থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে একটা ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন আমরা শুরু করতে যাচ্ছি।

এর আগে ৯ থেকে ১৫ মাস বয়সি শিশুদেরই কেবল হামের টিকা দেওয়া হত। তবে দেশের আপদকালীন সময়ে টিকাদানের ক্ষেত্রে বয়সসীমায় পরির্তন এসেছে।

বিশেষ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ১০ বছর পর্যন্ত শিশু-কিশোররা এখন টিকা নিতে পারবে। যেসব এলাকায় বেশি সংক্রমণ ঘটেছে, সেসব এলাকায় আগে টিকাদান শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

প্রতিরোধ ও প্রতিকার

হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো টিকা গ্রহণ। এমআর (মিসেলস-রুবেলা) বা এমএমআর (মিসেলস-মাম্পস-রুবেলা) টিকা নিরাপদ এবং অত্যন্ত কার্যকর। সাধারণত ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে দুই ডোজ দেওয়া হয়, যা শিশুকে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা দেয়।

আক্রান্ত শিশুর যত্নে পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টিকর খাবার দেওয়া, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং অন্যদের থেকে আলাদা রাখা জরুরি। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। শ্বাসকষ্ট, খিঁচুনি বা অতিরিক্ত দুর্বলতা দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।

হামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—হাম প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতাও অপরিহার্য। একটি সমাজে প্রায় ৯৫% মানুষ টিকা নিলে রোগটির বিস্তার বন্ধ করা সম্ভব। তাই নিজের শিশুর পাশাপাশি আশপাশের সব শিশুর টিকাও নিশ্চিত করতে হবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

শিশুদের শৈশব হতে হবে নিরাপদ ও সুরক্ষিত: ডা. জুবাইদা রহমান

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, শিশুদের শৈশব হতেবিস্তারিত পড়ুন

চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চলতি অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে চার দিনের সফরেবিস্তারিত পড়ুন

প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান: মাহদী আমিন

আগামী দিনে ক্রীড়াকে প্রাধান্য দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিকবিস্তারিত পড়ুন

  • জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী
  • আগামী বছর চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ৪টি নতুন বই: শিক্ষামন্ত্রী
  • রাষ্ট্রীয় সম্মানি পাবেন ২ লাখ ৫৬ হাজার ধর্মীয় ব্যক্তি
  • ২২ জেলায় হচ্ছে ‘শিশু স্বর্গ’: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
  • বাংলাদেশ পুলিশের নতুন মুখপাত্র কামারুম মুনিরা
  • সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দি‌লে ভিসা প্রত্যাখ্যান হ‌তে পা‌রে : মার্কিন দূতাবাসের বার্তা
  • ২২ অক্টোবর ছুটি অনুমোদন, পূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি
  • গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্যমন্ত্রী
  • ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে মন্টেনিগ্রো পার্লামেন্টের সদস্যের সাক্ষাৎ
  • ব্যবসা-বাণিজ্যে এগিয়ে আসতে তরুণদের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির
  • সবার জন্য নিরাপদ ও টেকসই বাসস্থান নিশ্চিতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী
  • সংবিধান সংশোধন কমিটির পঞ্চম বৈঠক শেষে যে তথ্য দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী