সোমবার, আগস্ট ৩, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ড. ইউনূসের বাণিজ্যচুক্তি কি বাংলাদেশকে চাপে ফেলছে?

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে দেশে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের একাংশের মতে, এই চুক্তি বাংলাদেশের জন্য একতরফা ও বৈষম্যমূলক, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতি ও নীতিনির্ধারণে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে মার্কিন পণ্যের জন্য বড় বাজারে পরিণত করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাণিজ্য, জ্বালানি ও নিরাপত্তার মতো সংবেদনশীল খাতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা সীমিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

রাজধানীতে এক সমাবেশে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, এই চুক্তি কার্যকর হলে দেশে কর্মসংস্থান সংকট তৈরি হতে পারে। সংসদে আলোচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে চুক্তিটি প্রত্যাখ্যানের দাবি জানান তিনি।

অন্যদিকে অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য মন্তব্য করেন, এই চুক্তির প্রভাব জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করতে পারে।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ৬ হাজার ৭১০টি পণ্যে শুল্কছাড় দেবে, বিপরীতে বাংলাদেশ পাবে ১ হাজার ৬৩৮টি পণ্যে সীমিত সুবিধা। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এসব পণ্যের বাস্তব রপ্তানি খুবই কম। ফলে সম্ভাব্য সুবিধার তুলনায় বাংলাদেশের রাজস্ব ক্ষতির ঝুঁকি বেশি।

এ ছাড়া ধাপে ধাপে শুল্ক প্রত্যাহারের ফলে সরকারের রাজস্ব আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে বিপুল পরিমাণ মার্কিন কৃষিপণ্য, জ্বালানি ও সামরিক সরঞ্জাম আমদানির বাধ্যবাধকতার কথাও উঠে এসেছে।

চুক্তিতে এমন কিছু ধারা রয়েছে, যার ফলে বাংলাদেশ অন্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করতে গেলে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ বিবেচনায় নিতে বাধ্য হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে ভবিষ্যতে চীন, রাশিয়াসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

গবেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর সঙ্গে সমান সুযোগে প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে দেশীয় শিল্প খাত চাপে পড়তে পারে। একই সঙ্গে ভর্তুকি ও নীতিগত সহায়তার ক্ষেত্রেও সরকারের সক্ষমতা সীমিত হয়ে যেতে পারে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান মনে করেন, এই চুক্তি বাংলাদেশের স্বাধীন নীতিনির্ধারণে বাধা তৈরি করতে পারে। আর সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেমের মতে, এটি একটি বৈষম্যমূলক চুক্তি, যা পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চুক্তি কার্যকর করতে হলে দুই দেশের সংসদের অনুমোদন প্রয়োজন। তাই নতুন সরকারের উচিত সময় নিয়ে এর বিভিন্ন ধারা পর্যালোচনা করা এবং জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক অংশগুলো পুনরায় আলোচনার মাধ্যমে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া।

একই রকম সংবাদ সমূহ

পুলিশ টিমকে একসঙ্গে চা বা বিশ্রামে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনের সময় পুরো টিম যেন একসঙ্গে চা খেতে বাবিস্তারিত পড়ুন

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি: ইসি সচিব

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব আখতারবিস্তারিত পড়ুন

বিরোধীদল এখন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভাষায় কথা বলছে: মির্জা ফখরুল

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভাষায় বিরোধীদল কথা বলা শুরু করেছে বলে মন্তব্যবিস্তারিত পড়ুন

  • সব মোটরযানের জন্য বিআরটিএর কড়া নিষেধাজ্ঞা
  • বেনজীরের কাছে অন্য দেশের পাসপোর্ট থাকতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দেশের সব মাদরাসার অ্যাডহক কমিটি বাতিল
  • গণতন্ত্র যদি চলে, তবে বাকি কাজগুলো হয়ে যায়: মির্জা ফখরুল
  • বেনজীরকে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে: জামিনে মুক্তির খবরে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
  • ঢাকার চারপাশের নৌপথে বেসরকারি উদ্যোগে চলবে ওয়াটার বাস
  • বেনজীরের জামিন বাতিলে কাজ করছে আমাদের ল’ফার্ম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • পদায়নের তারিখ ঘোষণা, শাহবাগ ছাড়লেন প্রাথমিকে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা
  • পুলিশের ওপর হামলা হতে পারে, এমন সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই: ডিবি
  • ‘জামিনে মুক্ত’ বেনজীরকে দেশে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
  • আয়নাঘর বের করতে ২ বছর লাগলো কেন? জবাবে যা বললেন তাজুল ইসলাম
  • যাত্রাবাড়ীতে ৭৫ জনকে হত্যার তথ্য পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর