শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ড. ইউনূসের বাণিজ্যচুক্তি কি বাংলাদেশকে চাপে ফেলছে?

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে দেশে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের একাংশের মতে, এই চুক্তি বাংলাদেশের জন্য একতরফা ও বৈষম্যমূলক, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতি ও নীতিনির্ধারণে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে মার্কিন পণ্যের জন্য বড় বাজারে পরিণত করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাণিজ্য, জ্বালানি ও নিরাপত্তার মতো সংবেদনশীল খাতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা সীমিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

রাজধানীতে এক সমাবেশে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, এই চুক্তি কার্যকর হলে দেশে কর্মসংস্থান সংকট তৈরি হতে পারে। সংসদে আলোচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে চুক্তিটি প্রত্যাখ্যানের দাবি জানান তিনি।

অন্যদিকে অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য মন্তব্য করেন, এই চুক্তির প্রভাব জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করতে পারে।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ৬ হাজার ৭১০টি পণ্যে শুল্কছাড় দেবে, বিপরীতে বাংলাদেশ পাবে ১ হাজার ৬৩৮টি পণ্যে সীমিত সুবিধা। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এসব পণ্যের বাস্তব রপ্তানি খুবই কম। ফলে সম্ভাব্য সুবিধার তুলনায় বাংলাদেশের রাজস্ব ক্ষতির ঝুঁকি বেশি।

এ ছাড়া ধাপে ধাপে শুল্ক প্রত্যাহারের ফলে সরকারের রাজস্ব আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে বিপুল পরিমাণ মার্কিন কৃষিপণ্য, জ্বালানি ও সামরিক সরঞ্জাম আমদানির বাধ্যবাধকতার কথাও উঠে এসেছে।

চুক্তিতে এমন কিছু ধারা রয়েছে, যার ফলে বাংলাদেশ অন্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করতে গেলে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ বিবেচনায় নিতে বাধ্য হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে ভবিষ্যতে চীন, রাশিয়াসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

গবেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর সঙ্গে সমান সুযোগে প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে দেশীয় শিল্প খাত চাপে পড়তে পারে। একই সঙ্গে ভর্তুকি ও নীতিগত সহায়তার ক্ষেত্রেও সরকারের সক্ষমতা সীমিত হয়ে যেতে পারে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান মনে করেন, এই চুক্তি বাংলাদেশের স্বাধীন নীতিনির্ধারণে বাধা তৈরি করতে পারে। আর সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেমের মতে, এটি একটি বৈষম্যমূলক চুক্তি, যা পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চুক্তি কার্যকর করতে হলে দুই দেশের সংসদের অনুমোদন প্রয়োজন। তাই নতুন সরকারের উচিত সময় নিয়ে এর বিভিন্ন ধারা পর্যালোচনা করা এবং জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক অংশগুলো পুনরায় আলোচনার মাধ্যমে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া।

একই রকম সংবাদ সমূহ

পর্যটকশূন্য সাজেক থমথমে, চলছে না যানবাহন

পাহাড়ের বুকজুড়ে মেঘের আনাগোনা, সবুজ পাহাড়ের সারি আর দিগন্তবিস্তৃত প্রাকৃতিক সৌন্দর্য—এসব দেখতেবিস্তারিত পড়ুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব জনগোষ্ঠীকে নিয়ে রাজনীতি করতে চায় বিএনপি: মীর শাহে আলম

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, ধর্ম-বর্ণবিস্তারিত পড়ুন

সৌদি আরবে হামলার তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের

সৌদি আরবে একাধিক হুথি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। এসব হামলার মধ্যেবিস্তারিত পড়ুন

  • ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি
  • প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে একাধিক সমঝোতা স্মারক সইয়ের আশা
  • ভারতীয় ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর
  • বট ও গুপ্ত শুধু জামায়াত-আ.লীগের মধ্যে নয়, আমাদের মধ্যেও আছে: মীর শাহে আলম
  • নতুন পে-স্কেলে শিক্ষকদের বেতন প্রাপ্তির সম্ভাব্য সময় জানাল অর্থ মন্ত্রণালয়
  • এবার পার্বত্য দুই জেলায় সড়ক ও নৌপথ অবরোধের ঘোষণা
  • নিরাপদে খাগড়াছড়ি পৌঁছেছেন সাজেকে আটকেপড়া পর্যটকরা
  • সাজেকে আটকা পড়া পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নিল সেনাবাহিনী
  • দুই ঘণ্টা গোলাগুলির পর নিয়ন্ত্রণে সাজেক, আহত ৬: পুলিশ সুপার
  • আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে: স্পিকার
  • জামায়াতের সঙ্গে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সম্পর্ক প্রমাণিত: রিজভী
  • অবৈধ মোবাইল ফোনে রাজস্ব ফাঁকি রোধে চালু হচ্ছে এনইআইআর