মঙ্গলবার, আগস্ট ৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

বিগত সরকারের সময় অর্থনৈতিক তথ্য ছিল ‘গোঁজামিল নির্ভর’

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেছেন, বিগত সরকারের সময় যে অর্থনৈতিক তথ্য দেওয়া হয়েছিল- তা ছিল গোঁজামিল নির্ভর ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অর্থনৈতিক ডাটা কিভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যায় বাংলাদেশ ছিল তার মধ্যে একটা অগ্রগণ্য দেশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে (বিবিএস) নির্দেশদানের মাধ্যমে তারা মনমতো ডাটা ব্যবহার করতো।

শনিবার (১৫ মার্চ) এফডিসিতে ‘এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বর্তমান সরকার সঠিক পথে আছে’ শীর্ষক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

ছায়া সংসদে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতার্কিকদের পরাজিত করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের বিতার্কিকরা বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র দেওয়া হয়।

ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, আমাদের ব্যবসায়ীরা এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত নয়। গ্র্যাজুয়েশন পরবর্তী সময়ে শুল্ক সুবিধা না থাকায় বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে বছরে ৮ বিলিয়ন ক্ষতি হতে পারে। এছাড়া জলবায়ু অর্থায়নের ক্ষেত্রেও উন্নয়ন সহযোগিতা হ্রাস পাবে।

তিনি জানান, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পরে বাংলাদেশকে কমার্শিয়াল রেটে ঋণ নিতে হবে। যা পরিশোধ করা ও ঋণের শর্তপূরণ করা কঠিন। চীনের ঋণের ব্যাপারে সবসময় একটা সংশয় থাকে। অন্যান্য দেশের ঋণের ক্ষেত্রে কমপ্লায়েন্স স্পষ্ট থাকলেও চীনের ক্ষেত্রে তা থাকে না। কোনোভাবেই আমাদের ঋণের ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না।

গত ১৫ বছরে ঋণের টাকা ব্যাপক অপচয়, দুর্নীতি ও লুটপাট হয়েছে। ঋণ পরিশোধে বাস্তবভিত্তিক কোনো পরিকল্পনা না থাকায় এই ঋণ বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৈদেশিক ঋণ গ্রহণে সতর্কতা ও ঋণ ব্যবস্থাপনায় সুশাসন এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিলেও প্রশ্ন হচ্ছে- আওয়ামী সরকারের আমলের ভুয়া তথ্যের ভিত্তিতে আমরা উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ হতে যাচ্ছি কিনা? বিগত সরকারের আমলের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখানো হতো।

ভুল, মিথ্যা ও অতিরঞ্জিত তথ্য দিয়ে উন্নয়নের মিথ্যা গল্প শোনানো হতো। দেশের রিজার্ভ, জিডিপি, রপ্তানি আয়, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য উৎপাদন, বাল্যবিয়ে এমনকি প্রকৃত জনসংখ্যা নিয়েও মিথ্যাচার করা হয়েছিল বিগত সময়ে। সরকার যেভাবে চাইতো বিবিএস সেভাবেই তথ্য পরিসংখ্যান প্রদান করতো। অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে, সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যকে বোগাস বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাতক্ষীরায় প্রতিবন্ধী যুবক ও বৃদ্ধা নানির পাশে ডিসি, পেলেন নগদ অর্থ ও টিন

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের বেড়বাড়ী গ্রামের জন্মগত শারীরিক ও বাক প্রতিবন্ধীবিস্তারিত পড়ুন

সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনগুলোতে পর্যায়ক্রমে সৌর প্যানেল স্থাপন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীবিস্তারিত পড়ুন

সব মোটরযানের জন্য বিআরটিএর কড়া নিষেধাজ্ঞা

অ্যাম্বুল্যান্স, অগ্নিনির্বাপক ও উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রাষ্ট্রীয় জরুরি সেবার যানবাহন ছাড়া অন্য কোনোবিস্তারিত পড়ুন

  • ভারতের পুশইনে ভারতীয় নারী, ঠায় এখনো কলারোয়ায়
  • দেশের সব মাদরাসার অ্যাডহক কমিটি বাতিল
  • গণতন্ত্র যদি চলে, তবে বাকি কাজগুলো হয়ে যায়: মির্জা ফখরুল
  • বেনজীরের জামিন বাতিলে কাজ করছে আমাদের ল’ফার্ম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তিন পার্বত্য জেলায় এনসিপির প্রার্থী থাকবে: নাহিদ ইসলাম
  • পদায়নের তারিখ ঘোষণা, শাহবাগ ছাড়লেন প্রাথমিকে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা
  • এই মুহূর্তে গ্যাসের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই: পেট্রোবাংলা
  • পুলিশের যানবাহনে নাশকতার শঙ্কা, দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি
  • দেশে ৫০৩টি মিনি স্টেডিয়াম হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
  • সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী
  • এক সপ্তাহে ১২ হাজারের বেশি প্রবাসীকে ফেরত পাঠাল সৌদি
  • অক্টোবরের মধ্যে প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান